পরমগুরু

৪৮/২২. পরমগুরু
Beverage (বেভ্যারিজ)/ ‘مشروبات’ (মাশরুবাত)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পালনকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সাঁই। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ফুল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ হরি এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, প্রভু, মনের-মানুষ সুধা

অভিধা (Appellation)
পরম গুরু (বাপৌছ)বি সাঁই, বিষ্ণু, বুদ্ধ, প্রভু, beverage, ‘مشروبات’ (মাশরুবাত), prime preceptor, ‘مؤدب المطلق’ (মুয়াদ্দিব আলমুত্বাল্লাক্ব), greatgeek, ‘المهوس كبيرة’ (আলমুহাওয়াস কাবিরা) (প্র) শ্বরবিজ্ঞানের ১. মানুষগুরু ২. জগৎগুরু ৩. কামগুরু ও ৪. পরমগুরু এ চার প্রকার গুরুর মধ্যে সর্বশেষ গুরু বিশেষ (শ্ববি) এমন তরল-মানুষ; যে এখনও মূর্তাকার ধারণ করে নি। মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্ব পালনকারী সুমিষ্ট, সুপেয় ও শ্বেতবর্ণের জল (রূপ্রশ) উপাস্য, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, স্বরূপ (পারদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ) (ইদে) মা’বুদ (.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, nectar, elixir (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সারা জগতের পালনকর্তাকে সাঁই বা রূপকার্থে পরমগুরু বলা হয় . মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনে নিয়োজিত শ্বেতবর্ণের মানবজলকে পালনকর্তা বা রূপকার্থে পরমগুরু বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {বাং.পরম+ বাং.গুরু}

পরমগুরুর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of beverage)
১.   “অনুরাগের তরণী করো, ধারা চেনে উজানে ধরো, লালন কয় করতে পারো, পরমগুরুর ঠিকানা।” (পবিত্র লালন- ৮২৭/৪)
২.   “আদিতত্ত্ব আত্মা ইন্দ্রিয় রাসুল বহন করে, মহাজ্ঞানীরা আপন আত্মা পায় দেখিবারে, তত্ত্বধারী হলে জ্ঞান- উপধর বলে জ্ঞানীগণ, বলন কয় পরমগুরু হলেন তিনি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৩)
৩.   “ত্রিবেণীর ত্রিধারে, মীন রূপে গুরু বিরাজ করে, কেমন করে ধরবি তারে, বলরে অবুঝ মন।” (পবিত্র লালন- ১৫৩/৩)
৪.   “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন।” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)
৫.   “পরমগুরু বড়ই রঙ্গিলা আমার মনভোলা, কত নামে ধরাধামে করে আকারে লীলাখেলা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১১)
৬.   “পারাপারের খবর জানো, পরমগুরুকে সত্য মানো, লালন কয় ভাবছ কেন, পড়ে মায়াফাঁসে।” (পবিত্র লালন- ৪০৭/৪)
৭.   “মানুষগুরুর প্রেমপণ্যারে- জগৎগুরু চলেফেরে, ধরতে গেলে যায়রে দূরে- পরমগুরু কাছে রয়, মানুষগুরু হইলে সদয়- জগৎগুরু দেয় পরিচয়, জানতে হয় তা নিরালায়- ভক্তিভজন রেখে ভয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)
৮.   “হলে অমাবতীর বার, মাটি রসে হয় সরোবর, সাধু গুরু বৈষ্টম তিনে, উদয় হয় সে যোগের দিনে।” (পবিত্র লালন- ১৬২/২)

পরমগুরুর সংজ্ঞা (Definition of beverage)
সাধারণত; সারা জগতের পালনকর্তাকে রূপকার্থে পরমগুরু বলে।

পরমগুরুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of beverage)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনে নিয়োজিত শ্বেতবর্ণের মানবজলকে রূপকার্থে পরমগুরু বলে।

গুরুর প্রকারভেদ (Variations of beverage)
গুরু চার প্রকার। যথা; ১. মানুষগুরু ২. জগৎগুরু ৩. কামগুরু ও ৪. পরমগুরু।

. মানুষগুরু (জ্ঞান) Inductor (ইন্ডাক্টর)/ ‘مغو’ (মোগু)
মানুষ আকারধারী সব শিক্ষকের জ্ঞানকে মানুষগুরু বলে।

. জগৎগুরু (শ্বাস) Inhaler (ইনহ্যালার)/ ‘مستنشق’ (মুস্তানাশাক্ব)
নাসিকার শ্বাসকে জগৎগুরু বলে।

. কামগুরু (বলাই) Cupid (কিউপিড)/ ‘صولجان’ (সাওলাজান)
শিশ্নকে প্রেমগুরু বা কামগুরু বলে।

. পরমগুরু (সাঁই) Beverage (বেভ্যারিজ)/ ‘مشروبات’ (মাশরুবাত)
তরল মানুষ সদৃশ সাঁইকে পরমগুরু বলে।

. মানুষগুরু (Inductor. ইন্ডাক্টর)/ ‘مغو’ (মোগু)
মানুষগুরুর সংজ্ঞা (Definition of man preceptor)

সাধারণত; সাধারণ মানুষকে আত্মতত্ত্ব ভেদ শিক্ষা প্রদানকারী মানুষ আকারধারী মহান মনীষীকে মানুষগুরু বলে।

মানুষগুরুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of inductor)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; গুরুপদ প্রাপ্ত ব্যক্তির জ্ঞানকে গুরু বলে।

মানুষগুরুর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of inductor)
১.    “গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)
২.  “হক্বের ওপর থাকবে যখন, লাহুত মুক্বাম চিনবে তখন, এ সত্য জেনে ও মন, মানুষগুরু ধরলে না।” (পবিত্র লালন- ৭৪২/৩)
৩.   “গুরু যার থাকে সদয়, শমন বলে কিসের ভয়, লালন বলে মন তুই আমায়, করলি দোষী।” (পবিত্র লালন- ১৪৩/৪)

মানুষগুরুর পরিচয় (Identity of inductor)
মানুষগুরুর শুধু আকার ও আকৃতিকে মানুষগুরু বলা হয় না। মানুষগুরু সদৃশ ব্যক্তির মধ্যে যে জ্ঞান রয়েছে প্রকৃতপক্ষে সে জ্ঞানকেই গুরু বলা হয়। কারণ; জ্ঞান হলো নিত্য, অক্ষয়, অমর ও অনন্ত। কিন্তু আকারধারী মানুষ অনিত্য ও ধ্বংসশীল। অর্থাৎ; আকারধারী মানুষকে মানুষগুরু বলে সম্বোধন করলেও প্রকৃতপক্ষে মানুষগুরু হলো মানুষের জ্ঞান। গুরুদেবের জ্ঞানকে মানুষগুরু বলা হয়। পিতা-মাতা, বড়ভাই, বড়বোন, শ্বশুর-শাশুড়ী, দাদা-দাদী, মামা-মামী ও সর্বশ্রেণির পাঠশালার শিক্ষক-শিক্ষিকাগণসহ সবাই প্রত্যেক মানুষের জন্য মানুষগুরু। যার নিকট হতে কোনো জ্ঞানার্জন করা হয় তিনিই গুরু। আবার আধ্যাত্মিক দীক্ষকগণ মানুষগুরু। গুরুর কোনো জাত নেই এবং গুরুর কোনো সাম্প্রদায়িক মতবাদ নেই। মানুষগুরু যে কোনো সাম্প্রদায়িক মতবাদ বা যে কোনো গোত্রের হতে পারেন। যে কোনো মতবাদের বা যে কোনো গোত্রের লোক তাঁর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। গুরু ভক্তের উদ্ধারকারী বা ত্রাতা। মানুষগুরু প্রকৃতগুরু নয়। প্রকৃতগুরু হলেন- সাঁই। এজন্য; প্রকৃতগুরুর সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত একের পর এক মানুষগুরুর নিকট হতে জ্ঞানার্জন করে যাওয়ায় সব বুদ্ধিমানের কাজ। প্রকৃতগুরুর সন্ধানলাভ করার জন্য একাধিক গুরুর নিকট হতে জ্ঞানার্জন করা সর্বকালেই সিদ্ধ। প্রকৃতগুরুর সন্ধান পেয়ে গেলে, মানুষগুরু আর পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। মানুষগুরু সম্পর্কে মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন; “গুরু যার থাকে সদয়, শমন বলে কিসের ভয়, লালন বলে মন তুই আমায়, করলি দোষী।” (পবিত্র লালন- ১৪৩/৪)

. জগৎগুরু Inhaler (ইনহ্যালার)/ ‘مستنشق’ (মুস্তানাশাক্ব)

জগৎগুরুর সংজ্ঞা (Definition of inhaler)

সাধারণত; সারাবিশ্বে বিরাজিত বাতাসকে জগৎগুরু বলে।

জগৎগুরুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of inhaler)

বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নাসিকার শ্বাসকে জগৎগুরু বলে।

জগৎগুরুর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি

(Some highly important quotations of inhaler)

১.   “অখণ্ড মণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং সারাচরাচর, গুরু তুমি পতিতপাবন পরমঈশ্বর।” (পবিত্র লালন- ৪২/১)

২.   “গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)

৩.   “রণে, বনে, জলে ও জঙ্গলে যেখানে আমাকে স্মরণ করবে সেখানেই আমাকে পাবে।” (লোকনাথ)।”

জগৎগুরুর পরিচয় (Identity of inhaler)

শ্বরবিজ্ঞানে; বাতাস বলতে বায়ুমণ্ডলে চলমান বাতাস না বুঝিয়ে বরং নাসিকা যোগে চলাচলকারী শ্বাসকে বুঝানো হয়। নাসিকার শ্বাসরূপ জগৎগুরু ডান ও বাম গতি ধারণ করে সর্বসময় শিষ্য বা ভক্তকুলের সাথে সাথে অবস্থান করেন এবং প্রতিনিয়ত শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শিষ্যগণকে জীবনের প্রতিটি কাজের শুভাশুভ সংবাদাদি প্রদান করে থাকেন। শ্বরবিজ্ঞানে; শ্বাসরূপ বাতাস বিশ্বব্যাপী বিরাজমান বলে তাকে জগৎগুরু বলা হয়। মানুষগুরু জগতের সর্বত্রই বিরাজ করতে পারে না কিন্তু জগৎগুরু জগতের সর্বত্রই বিরাজ করতে পারেন। এ গুরু ব্যাপারে মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন; “অখণ্ড মণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং সারা চরাচর, গুরু তুমি পতিতপাবন পরমও ঈশ্বর” (পবিত্র লালন- ৪২/১)। আবার লোকনাথ ব্র‏হ্মচারী লিখেছেন; “রণে, বনে, পাহাড়ে, জলে ও জঙ্গলে যেখানে আমাকে স্মরণ করবে সেখানেই আমাকে পাবে।”

. কামগুরু Cupid (কিউপিড)/ ‘صولجان’ (সাওলাজান)

কামগুরুর সংজ্ঞা (Definition of cupid)

বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কামের দেবতা মদনকে কামগুরু বলে।

কামগুরুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of cupid)

বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পুরুষ জীবের শিশ্নকে কামগগুরু বলে।

কামগুরুর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি

(Some highly important quotations of cupid)

১.   “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন।” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)

২.   “প্রেম প্রকৃতি স্বরূপসতী, কামগুরু হয় নিজপতি, ও মন অনুরাগী না হলে, ভজন সাধন হয় না (পবিত্র লালন- ৬৪৯/২)

৩.   “প্রেমবাজারে কে যাবি, তোরা আয় গো আয়, প্রেমগুরু কল্পতরু, প্রেমরসে মেতে রয়।” (পবিত্র লালন- ৬৫১/১)

৪.   “প্রেমের রাজা মদনমোহন, নির্হেতু প্রেম সাধনে শ্যাম, ধরে রাধার যুগলচরণ, প্রেমের সহচরী গোপীগণ, প্রেম-দ্বারে বাঁধা রয়।” (পবিত্র লালন- ৬৫১/২)

কামগুরুর পরিচয় (Identity of cupid)

কামগুরুর কোনো ভজন নেই। এ গুরুকে শাসন করাই ভক্তের কাজ। চারপ্রকার গুরুর মধ্যে কেবল কামগুরুকে শাসন করতে হয়। এ গুরু অটল না হওয়া পর্যন্ত একে ক্রমে ক্রমে শাসন করতেই হবে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে পরমগুরু দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পরমগুরু ও ২. উপমিত পরমগুরু।

. উপমান পরমগুরু (Analogical beverage)

সাধারণত; সারা জগতের পালনকর্তাকে সাঁই বা উপমান পরমগুরু বলে।

. উপমিত পরমগুরু (Compared beverage)

বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে মাতৃগর্ভে ভ্রূণ পালনকারী শ্বেতবর্ণ মানবজলকে পালনকর্তা বা উপমিত পরমগুরু বলে।

গুরু-তত্ত্ব (Preceptor mystery)

১.   “মুর্শিদ তত্ত্ব অথৈ গভীরে, চাররসের মূল সে রস, রসিক হলে জানতে পারে।” (পবিত্র লালন- ৭৯৭/১)

২.   “যার কালিমা দিন দুনিয়ায়, সে শিষ্য হয় কোন কালিমায়, লিহাজ করে দেখ মনরায়, গুরু-তত্ত্ব অথৈ গভীরে।” (পবিত্র লালন- ৫৩০/২)

পরমগুরুর পরিচয় (Identity of beverage)

এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; সারাজগতের পালনকর্তাকে পরমগুরু বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; মাতৃগর্ভে সর্বজীবের ভ্রূণ লালন-পালনকারী শ্বেতবর্ণের অমৃতজলকে পরমগুরু বলা হয়। অথচ সারাবিশ্বের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা পরমগুরুর অস্তিত্ব স্বীকার করতে কখনই সম্মত নন। অন্যদিকে; পারম্পরিকরা পরমগুরু বলতে নিজ-নিজ মানুষগুরুকেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মৌলবাদীরা পরমগুরু স্বীকার করতে চায় না। কারণ; তারা আর স্বস্ব সাম্প্রদায়িক পুস্তক-পুস্তিকার মূলের ওপর নেই। তাই; তাদেরকে ছিন্নমূল বলা হয়। তেমনই; হলো বর্তমানকালের পারম্পরিকরা। কারণ; তারাও স্ব স্ব মানুষগুরুকে বিরাট কিছু মনে করে। কেউ বলে মানুষগুরুই স্রষ্টা, আবার কেউ কেউ বলে মানুষগুরুই অমৃতসুধা। যারা এমন বলে থাকে তারা কেউ গুরু-তত্ত্ব জানে না। আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা-প্রয়াস পড়বে কী তাদের দৃষ্টিতে? শুভ বোধোদয় হবে কী কোনো দিন?

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!