পশুবলি (৮)

৩১/০. পশুবলি
Slaughter (স্লাউটার)/ ‘الذبح’ (আজ্জাবহ)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর তীর্থযাত্রা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীমূলক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা তীর্থযাত্রা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা নিষ্কামিতা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা জিগীষা। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা মুমুক্ষা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা তীর্থভ্রমণ

অভিধা (Appellation)
পশুবলি (বাপৌছ)বি পশুবধ, পশুহত্যা, পশু-উৎসর্গ, slaughter, ‘الذبح’ (আজ্জাবহ) (প্র) সাম্প্রদায়িক প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে নিজের জীবনের পরিবর্তে পশু-উৎসর্গ করা (শ্ববি) জীবহত্যা, প্রাণীহত্যা, নরহত্যা, মানুষ হত্যা (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর তীর্থযাত্রা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; সাম্প্রদায়িক প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে নিজের জীবনের পরিবর্তে পশু-উৎসর্গ করাকে পশুবলি বলা হয়. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, যৌনোত্তেজনা দমন করে মৈথুন হতে নিষ্কামী হওয়াকে রূপকার্থে পশুবলি বলা হয় (বাপৌছ) তীর্থভ্রমণ (বাপৌচা) মুমুক্ষা (বাপৌউ) জিগীষা (বাপৌরূ) নিষ্কামিতা (বাপৌমূ) তীর্থযাত্রা {বাং.পশু+ বাং.বলি}

পশুবলির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of plaughter)
১.   “কর্ণরাজা ভবে বড় দাতা ছিল, অতিথি রূপে প্রভু সবংশ নাশিল, তবু কর্ণ অনুগত- বলি দিয়ে আপন পুত্র, অতিথীর মন করল সান্ত্বনা।” (পবিত্র লালন- ৭৩৩/৪)(মুখ; মন আমার গেল জানা, রবে না এ ধন, জীবন ও যৌবন, তবে কেন মন এত বাসনা, একবার সবুরের দেশে, বয় দেখি দম কষে, উঠিস না রে ভেসে, পেয়ে যন্ত্রণা”)
২.   “কোন প্রেমে মা কালী, পদতলে করে মহেশ্বর বলি, লালন বলে ধন্য দেবী, জয় জয় হরি।” (পবিত্র লালন- ৬৫০/৪)(মুখ; প্রেম প্রেম বলে করো, কোর্ট কাছারি, সে প্রেমের বাড়ি কোথায়, বলো বিহারী”)
৩.   “ফোঁটা তিলক তসবিহ মালা, তা জপ কী কারণে, লালন বলে ছয়রিপু, বলি দাও গুরুর শ্রীচরণে।” (পবিত্র লালন- ৪০৮/৩)(মুখ; গুরুর নাম লইয়া তুই, বস না ধ্যানে, মন তোর এত ভাবনা, কী কারণে”)
৪.   “হাঁটে থমকে, গিলে চুমুকে, মিঠে ভরা সারামুখে, নরবলি দেয় গো সুখে, কেউ পারে না বাঁচিতে।” (বলন তত্ত্বাবলী)(মুখ; মনে চাই মনে চাই গো, রাধার ঘাটে নাও ভিড়াতে, এমন নাগরী যে দেখেছে, মন দিয়েছে ঐ রূপেতে”)

পশুবলির কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of slaughter)
১.   “ইব্রাহিম নবিরে শুনি, আদেশ করেন আল্লাহগনি, প্রিয়বস্তু দাও বলিদানি, দুম্বা পুত্র বলির আদেশ কোথায়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭/২)
২.   “কারে শুধাইরে সে নিগূঢ় কথা, কে বলবে আমায়, পশুবধ করলে কী, সেই খোদা খুশি হয়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭/১)
৩.   “কেমনে হব বলিদানি, সে ভেদ কেমনে জানি, লালন বলে কোথায় শুনি, কিরূপে কোন ইক্তেদায়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭/৫)
৪.   “গাছের গোড়ায় বসে যে রয়, চৌদ্দভুবন সে দেখতে পায়, একূল ওকূল দু’কূল শুদ্ধ হয়, থাকে না পশুত্ব মাঝে।” (পবিত্র লালন- ৮৩৮/৩)
৫.   “জানো না মন শুকনা কাঠে, তাতে কী আর মালঞ্চ ফুটে, প্রেম নাই যার চিত্তে, সে প্রেম দেয় কষ্টে, নিজসুখ সাধনা বলি দেয়।” (পবিত্র লালন- ৮৮৫/২)
৬.   “মরণের আগেতে মরা, আপন মন বলিদান করা, প্রাণ অপেক্ষা যে পিয়ারা, তারে কী বুঝায় শরায়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭/৩)
৭.   “মরে আপনার জান, আরিফেতে দেয় বলিদান, রাসুলের হাদিসে ফরমান, মাউতু ক্বাব্লাল্ মাউতায়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭/৪)

বলির ওপর একটি পূর্ণ লালন (A full Lalon on the slaughter)

কারে শুধাইরে গুরুর কথা,
            কে বলবে আমায়,
পশুবধ করলে কী,
সে খোদা খুশি হয়।

ইব্রাহিম নবিরে শুনি,
আদেশ করেন আল্লাহগনি,
প্রিয়বস্তু দাও বলিদানি,
দুম্বা পুত্র বলির আদেশ কোথায়।

মরণের আগেতে মরা,
আপন মন বলিদান করা,
প্রাণ অপেক্ষা যে পিয়ারা,
তারে কী বুঝায় শরায়।

মরে আপনার জান,
আরিফেতে দেয় বলিদান,
রাসুলের হাদিসে ফরমান,
মাউতু ক্বাব্লাল্ মাউতায়।

কেমনে হব বলিদানি,
সে ভেদ কেমনে জানি,
লালন বলে কোথায় শুনি,
কিরূপে কোন ইক্তেদায়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭)

পশুবলির সংজ্ঞা (Definition of slaughter)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে নিজের জীবনের পরিবর্তে পশু-উৎসর্গ করাকে পশুবলি বলে।

পশুবলির আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of slaughter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কামবাসনা বা চন্দ্রচেতনাকে অবদমন করে মৈথুন হতে নিষ্কামী হওয়াকে পশুবলি বলে।

পশুবলির প্রকারভেদ (Variations of slaughter)
শ্বরবিজ্ঞানে; পশুবলি তিন প্রকার। যথা; ১. সাধারণ পশুবলি ২. সাম্প্রদায়িক পশুবলি ও ৩. আধ্যাত্মিক পশুবলি।

. সাধারণ পশুবলি (Normal slaughter)
সাধারণত; মাংস খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়িতে, হাটে বা অরণ্যে আখেটি করতে গিয়ে যে পশুবধ করা হয় তাকে সাধারণ পশুবলি বলে।

. সাম্প্রদায়িক পশুবলি (Schismatical slaughter)
সাম্প্রদায়িক প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে নিজের জীবনের পরিবর্তে যে পশুবধ করা হয় তাকে সাম্প্রদায়িক পশুবলি বলে।

. আধ্যাত্মিক পশুবলি (Spiritual slaughter)
মনের অপ্রয়োজনীয় কামলালসা ও পশুত্ব পরিহার করে আত্মশুদ্ধি করাকে আধ্যাত্মিক পশুবলি বলে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পশুবলি দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পশুবলি ও ২. উপমিত পশুবলি।

. উপমান পশুবলি (Analogical slaughter)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে নিজের জীবনের পরিবর্তে পশু-উৎসর্গ করাকে উপমান পশুবলি বলে।

. উপমিত পশুবলি (Compared slaughter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কামবাসনা বা চন্দ্রচেতনাকে অবদমন করে মৈথুন হতে নিষ্কামী হওয়াকে উপমিত পশুবলি বলে।

পশুবলির উপকার (Benefits of slaughter)
সাধারণভাবে পশু বলি-বধ-হত্যা-হনন ও নিধন করে খাওয়া এটি; অত্যন্ত স্বাভাবিক। তবে; সাম্প্রদায়িকভাবে পশুবলি বা পশুনিধন এটা কতটুকু সমীচীন? সাম্প্রদায়িকভাবে পশুনিধন বৈধাবৈধ যাই হোক না কেন, এর মাংস যখন দুঃস্থ ও অসহায় লোকদের মধ্যে বণ্টন করা হয় তা অবশ্যই বৈধ বা সিদ্ধ বলে ধরে নেওয়া যায়। যেখানে দুঃস্থ ও অসহায় লোকেরা সারা বছর মাংস কিনে খেতে পারে না। সেখানে সাম্প্রদায়িক পশুবলির কারণে বছরে অন্তত একদিন হলেও তো তারা গো-ছাগগুলোর মাংস ভোজন করতে পারে।

পশুবলির পরিচয় (Identity of slaughter)
এ পরিভাষাটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ‘তীর্থযাত্রা’ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি ‘সহযোগীমূলক’ পরিভাষা। আবহমানকাল হতেই বাংভারতীয় উপমহাদেশে তীর্থযাত্রা ও পশুবলি এবং এর প্রাসঙ্গিকতায় নিষ্কামিতা, পুণ্যস্নান ও তীর্থবারি পরিভাষাগুলো সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও মরমী অঙ্গনে দেখতে-শুনতে পাওয়া যায়। কিন্তু এসবের তত্ত্ব ও তাত্ত্বিকতা জানতে ও বুঝতে চাইলে সঠিকভাবে জানা ও বুঝার মাধ্যম একেবারেই নেই বললেও ভুল হবে না। কী শাস্ত্রিক, কী পারম্পরিক, কী মরমী, কী পাঠাগার, কী সাধনগৃহ (মন্দির ও মঠ) এবং কিবা পুস্তক-পুস্তিকা। কোথাও সঠিক সমাধান মিলে না। তবে; ইদানিং Internet search করে যতটুকু পাওয়া যায় browser-রা দেখে নিতে পারেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ ইচ্ছে করলেও এসবের বর্ণনা-বিবরণ সহজে জানতে ও বুঝতে পারে না। তাই; এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

সাধারণ সাহিত্যে পশুবলি বলতে প্রাণীবধ বা প্রাণীহত্যা বুঝালেও শ্বরবিজ্ঞানে কখনই প্রাণীবধ বা প্রাণীহত্যা বুঝায় না। বরং শ্বরবিজ্ঞানে; এ পরিভাষাটির দ্বারা সর্বদা শুক্রপাত বা বীর্যপাতকে বুঝানো হয়। বর্তমান বিজ্ঞানের গণনা অনুসারে একবার বীর্যপাত করার দ্বারা প্রায় ১৮ হতে ২০ লাখ মানব-শুক্রাণু মারা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন এসব শুক্রাণু সবাই মানুষ হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু ডিম্বকের সঙ্গে নিষিক্ত হওয়ার সুযোগ পায় না বলেই তারা মারা যায়। এর মাত্র ১-২টি এক সঙ্গে মানবরূপ লাভ করে। যেক্ষেত্রে হতে ২০টি মানব সন্তান জন্ম হয়, সেক্ষেত্রে ঐসব ভ্রূণ বাঁচে না। তবে; হতে ২টি মানব সন্তান পৃথিবীর অনেক স্থানে বেঁচে আছে।

অন্যদিকে; বড় আশ্চর্য হবার বিষয় হলো সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ‘পশুবলি’ পরিভাষাটির দ্বারা কেবল গৃহপালিত বা বন্য পশু-পাখিকেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা চিরদিনের জন্য আত্মতত্ত্ব জ্ঞানে অন্ধ। সাম্প্রদায়িকরা একবারও ভেবে দেখে না যে; পবিত্র বেদ, ত্রিপিটক, তৌরাত, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান ও লালন এসব তো ঐশি মহাগ্রন্থ। তাই; এসব গ্রন্থকে বলা হয় জীবন বিজ্ঞান, মানব বিজ্ঞান, শ্বরবিজ্ঞান, মহাবিজ্ঞান ও জীবন বিধান। এসব মহাকাব্যের মধ্যে ইতর প্রাণী বলি-বধের আলোচনা করার কী প্রয়োজন আছে? হ্যাঁ এসব যদি জীববিজ্ঞান বা প্রাণীবিজ্ঞান হতো; তবে ইতর-প্রাণীর আলোচনা করা সঠিক হতো।

পরিশেষে বলা যায় বিশ্বের অধিকাংশ আত্মজ্ঞানী মনীষীর মতে; সাম্প্রদায়িক রূপক মহাগ্রন্থগুলোর মধ্যে বর্ণিত ‘পশুবলি’, ‘পশুবধ’, ‘পাঁঠাবলি’ ও ‘পশু-উৎসর্গ’ পরিভাষাগুলো দ্বারা সর্বদাই শুক্রপাত, শুক্রাণুধ্বংস, শুক্র-অপচয় ও শুক্রক্ষয় ইত্যাদি বুঝানো হয়েছে। সেজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত পশু দ্বারা কখনই ইতর-পশু অর্থ গ্রহণ করা যাবে না। পুরাণ না জানা ও না বুঝার কারণে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকদের মধ্যে একদল মাংস খায় আবার আরেকদল খায় না। একদল গোরু খায় আবার আরেকদল খায় না। একদল কচ্ছপ, কুঁইচা, বায়েম, ব্যাঙ, খরগোশ, ঘুঘু ও শালিকের মাংস খায়, আবার আরেকদল খায় না। অথচ হাস্যকর বিষয় হচ্ছে পবিত্র মহাগ্রন্থগুলোর মধ্যে এমন ঠুনকো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় নি। সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদির অন্য নাম জীবন বিধান। জীবন বিধান যার যার জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে পাঠ করার সবিনয় আবেদন রইল।

প্রকৃত পশু কী? প্রকৃত পশুবলি বলতে কী বুঝায়? এসব বিষয় ভালোভাবে না জেনে ও না বুঝে কেবল কবি নজরুল ও লালন সাঁইজির লিখিত দুয়েকটি বাণী দ্বারা সাম্প্রদায়িক পশুবলি বা পশুবধ নিষিদ্ধ করার ফোতোয়া দেওয়া কখনই সমীচীন নয়। পশুবলি বা পশুবধ ব্যাপারে কবি নজরুল লিখেছেন;

“দিওনাকো পশু কুরবানি, বিফল হবেরে সবখানি।
মনের পশুরে কর জবাই, পশুরাও বাঁচে, বাঁচে সবাই।”

অন্যদিকে; পশুবলি বা পশুবধ ব্যাপারে মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন;

“কারে শুধাইরে সে নিগূঢ় কথা, কে বলবে আমায়,
পশুবধ করলে কী, সেই খোদা খুশি হয়।” (পবিত্র লালন- ২৮৭/১)

এসব যার যার নিজেস্ব আবেগের কথা, ভাবের কথা ও প্রেক্ষাপটভিত্তিক কথা। তাই; এসব উক্তি দ্বারা কখনই মুসলমানদের পশুবলি ও হিন্দুদের পাঁঠাবলি নিষিদ্ধ এমন কথা বলা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সংস্কার ভালোবাসা বা মান্য করা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সংস্কার একটি সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক গোষ্ঠীর প্রাণপ্রিয় সম্পদ। তাই; কবিদের কথা দ্বারা কখনই কোনো সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক গোষ্ঠীর অনুভূতিতে স্পর্শ করা যাবে না। সর্বশেষ কথা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক দর্শন বা পারম্পরিক দর্শন যার যার কিন্তু আত্মদর্শন সবার। আসুন সবায় আত্মদর্শনের কথা বলি। আসুন সবায় শ্বরবিজ্ঞান শিক্ষার কথা বলি। আসুন দেহ বিদ্যালয় পাঠ করার কথা বলি। কারণ; দেহই একমাত্র আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় একবার পাশ করলে বিশ্বের সব শাস্ত্র ও পরম্পরা অনায়াসে জানা ও বুঝা যায়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!