পাখি৩

৭০/৪. পাখি
Hoopoe (হুপী) ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভৃগু পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা জরায়ুমুখ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা ভৃগু। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ত্রিবেণী। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা খিড়কি, পর্বত সিঁধ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অর্জুন, জিষ্ণু, দ্বারী মহারাজ এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অসি, পরশু, স্বর্গদ্বার স্বর্গমুখ। এ পরিভাষাটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর উপাসক, কানাই, পালনকর্তা, বিদ্যুৎ, ভৃগু, মন, শান্তি, শ্বাস ও ‘বৈতরণী ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা প্রত্যেক পাঠক-শ্রোতার একান্ত প্রয়োজন। যেসব বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার অধীনে পাখি পরিভাষাটি ব্যবহার হয় তাদের সারণী নিচে দেখানো হলো।

ক্রমি বাংলা ইংরেজি আরবি তুলনা মূলক
১. চকোর Partridge (পার্ট্রিজ) ‘الحجل’ (আলহাজালা) উপমান উপাসক
২. চাতক Jacobinus (জ্যাকৌবিনাস) ‘عندليب’ (আন্দালীব) উপমান উপাসক
পাখি   Strix (স্টেক্স) ‘بومة’ (বুমা) উপমান বিদ্যুৎ
পাখি   Phoenix (ফিনিক্স) ‘عنقاء’ (আনক্বা) উপমান কানাই
পাখি   Hoopoe (হুপী) ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) উপমান ভৃগু
পাখি   Pigeon (পিজিন) ‘حمامة’ (হামামা) ছদ্মনাম শান্তি
পাখি   Dragon (ড্র্যাগন) ‘تنين’ (তানিনা) ছদ্মনাম মন
পাখি   Pegasus (পেগাসাস) ‘بيغاسوس’ (বিয়াগাসুস) উপমান পালনকর্তা
পাখি   Siren (সাইরেন) ‘صفارة’ (সাফারা) ছদ্মনাম শ্বাস
পাখি   Griffin (গ্রিফিন) ‘أَبَابِيل’ (আবাবিল) ছদ্মনাম বৈতরণী

অভিধা (Appellation)
পাখি (বাপৌউ)বি পক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গম, hoopoe, ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) (শ্ববি) ভৃগু, প্রপাত, জলপ্রপাত, নির্ঝরের পতনস্থান (রূপ্রশ) ভৃগুদেশ, ভৃগুমুণি, ভৃগুরাজ, ভৃগুপতি, স্বর্গদ্বার, অক্রুর, ত্রিকুট, ত্রিত, ত্রিনাথ, ত্রিপুর, ত্রিপাদ, ত্রিমূর্তি, ত্রিলোচন, ত্রিশংকু, ত্র্যম্বক, ধনঞ্জয়, নারদ, প্রসূতি, বজ্রপাণি, যক্ষ, সগর, সান্দীপনি, হিমবান, হিমালয়, হিরণ্যবর্মা, হিরণ্যরেতা, হৈহয় (গ্রিদে) chopper, declivity, precipice, slope, plateau (ইদে) আত্তার (.ﻋﻄﺎﺮ), আফলাত (ফা.ﺍﻔﻼﻄﻭﻦ), ওহোদ (.ﺍﺤﺪ), কোহি (ফা.ﻜﻮﻩ), জঙ্গিজ (তু.ﺟﻨﮕﻴﺯ), জল্লাদ (.ﺠﻼﺪ), জাঁহাবাজ (ফা.ﺠﺎﻧﺑﺎﺯ), জাসুস (.ﺠﺎﺴﻭﺱ), নজাশি (.ﻨﺟﺎﺸﻰ), মিযান (.ﻤﻴﺯﺍﻦ), মুসা (.ﻤﻭﺴﻰٰ), মোক্তা (.ﻤﻗﻄﻊ), শাদ্দাদ (.ﺸﺪﺍﺪ), শাবান (.ﺷﻌﺒﺎﻦ), সেকান্দর (.ﺳﻛﻨﺩﺮ), হায়দার (.ﺤﻴﺪﺮ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভৃগু পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; পক্ষী বা বিহঙ্গকে পাখি বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; জরায়ুমুখকে ভৃগু বা রূপকার্থে পাখি বলা হয় (বাপৌছ) অসি, পরশু, স্বর্গদ্বার ও স্বর্গমুখ (বাপৌচা) অর্জুন, জিষ্ণু, দ্বারী ও মহারাজ (বাপৌউ) খিড়কি, পর্বত, পাখি ও সিঁধ (বাপৌরূ) ত্রিবেণী (বাপৌমূ) ভৃগু।

পাখি (বাপৌছ)বি খড়খড়ির কাষ্ঠদণ্ড, চরকার খুরায় সংলগ্ন কাষ্ঠদণ্ডাবলী, রিক্সা বা সাইকেলের চাকার Spoke, মইয়ের খিল বা ধাপ।

পাখি বি ২৬/৩৩/৩৫ শতাংশ পরিমাণ ভূমি।

Hoopoe [হুপী] (GMP)n একটি মৎস্যভোজী গোলাপী পাখি, এদের বড় ঝুঁটি ও সাদা-কালো পাখা এবং সঙ্গে লম্বা লেজ আছে, ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) {}

হুদহুদ [ﻫﺪﻫﺪ] (আপৌউ)বি ১. পাথর, rock, কবিকল্পিত পাথর বিশেষ, স্বর্গীয় পাথর বিশেষ ২. কাঠঠোকরা, কাঠুরে পাখি, ঝুঁটিযুক্ত পাখি বিশেষ, hoopoe, উচ্চ রববিশিষ্ট পাখি বিশেষ- যে পাখি শক্ত গাছ ছিদ্র করে বাসা প্রস্তুত করে (প্র) কুরানে বর্ণিত কবি কল্পিক ঝুঁটিযুক্ত এক প্রকার পক্ষী বিশেষ (শ্ববি) গরুড়, ত্র্যম্বক, নারদ, স্বর্গদ্বার, স্বর্গমুখ, অন্তর্দ্বার, মুসা (.ﻤﻭﺴﻰٰ), chopper (দেপ্র) এটি আরবীয় পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভৃগু পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; সর্বপ্রকার পক্ষীকে পাখি বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; জরায়ুমুখকে ভৃগু বা রূপকার্থে পাখি বলা হয় (বাপৌছ) অসি ও পরশু (বাপৌচা) অর্জুন, দ্বারী ও মহারাজ (বাপৌউ) খিড়কি, পর্বত, পাখি, সিঁধ, স্বর্গদ্বার ও স্বর্গমুখ (বাপৌরূ) ত্রিবেণী (বাপৌমূ) ভৃগু {}

ভৃগু অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the Estuary)
১.   “কলের পাখি কলের ছোঁয়া, কলের মোহর গিরা দেওয়া, কল ছুটলে যাবে হাওয়া, কে রবে কোথায়।” (পবিত্র লালন- ৩৫৬/৩)
২.   “তাদের প্রতি পক্ষীদল প্রেরিত হয়।” “وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ” (ওয়া আরসালা আলাইহিম ত্বইরান আবাবিল) (Wa arsala alayhim tayran ababeel) “And sent against them phoenixs in flocks.” (কুরান- ফিল- ৩)

বিদ্যুৎ অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the electricity)
১.   “কখন উড়াল দেয় পাখি, মুদে যায় ডাগর আঁখি, সোনার খাঁচা ভেঙ্গেচুরে, এ মহামায়ার জাল কাটি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৯)
২.   “কপালের ফের নইলে কী আর, পাখিটির এমন ব্যবহার, খাঁচা খুলে পাখি আমার, কোন বনে পালায়।” (পবিত্র লালন- ৩৭৫/৩)
৩.   “কী এক অচিনপাখি, পুষলাম খাঁচায়, না হলো জনম জনম, তার পরিচয়।” (পবিত্র লালন- ৩০১/১)
৪.   “চিরদিন পোষলাম এক অচিনপাখি, ভেদ পরিচয় দেয় না আমায় ঐ খেদে ঝরে আঁখি।” (পবিত্র লালন- ৪৪৯/১)
৫.   “থাক সে ভবের ভাই বেরাদর, প্রাণপাখি ও নয় আপনার, পরের মজায় মজে এবার, প্রাপ্তধন হারায় পাছে।” (পবিত্র লালন- ৭৪৩/২)
৬.   “দুঃখে দুঃখে গেল জীবন, শ্যাম বিনা কেউ নাইরে আপন, লালন বলে মনরে কখন, উড়ে যায় খাঁচার পাখি।” (পবিত্র লালন- ৫৮২/৪)
৭.   “বিদ্যা-বুদ্ধি শূন্য এ ধড়, পরানপাখি করে ধড়ফড়, ভাবিয়া কয় বলন ত্রিগড়, স্বস্তি পাবো মরিলে।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৮.   “মায়াডুরি বান্ধিস না, খাঁচায় পাখি রবে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৭)
৯.   “মিছে কড়ির বাহাদুরী, যত করবি ছল চাতুরি, একদিন এ বিশ্ব ছাড়ি, পরানপাখি যায় উড়ি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৭)
১০. “যেদিন বাতি নিভে যাবে, ভাবেরশহর আঁধার হবে, শুকপাখি সে পালাবে, ছেড়ে সুখ আলয়।” (পবিত্র লালন- ৭২১/৩)
১১.  “শুদ্ধ মনে সকলই হয়, তাও তো জুটল না হেথায়, লালন বলে করবি হায় হায়, ছেড়ে গেলে প্রাণপাখি।” (পবিত্র লালন- ৬৩/৪)
১২.  “সবে বলে প্রাণপাখি, শুনে চুপে চুপে থাকি, জল কী হুতাসন- ক্ষিতি কী পবন, আমি ধরতে গেলে পাই না তারে।” (পবিত্র লালন- ১২৩/৩)

.                 চিরদিন পোষলাম এক অচিনপাখি
ভেদ পরিচয় দেয় না আমায়
ঐ খেদে ঝরে আঁখি।

পাখি বুলি বলে শুনতে পাই,
রূপ কেমন দেখি না ভাই,
আমি উপায় কী করি,
চিনাল পেলে চেনে নিতাম,
যেত মনের ধুকধুকি।

আমি পুষে পাখি চিনলাম না,
এ লজ্জা তো যাবে না,
আমি বিষম ঘোর দেখি,
কোন্ দিন পাখি যাবে উড়ে,
ধূলো দিয়ে দুই চোখি।

নয় দুয়ার এ খাঁচাতে,
যায় আসে পাখি কোন পথে,
চোখে দিয়ে ভেল্কি,
সিরাজ সাঁইজি কয় বয় লালন রয়,
ফাঁদ পেতে ঐ সম্মুখী।” (পবিত্র লালন- ৪৪৯)

.                 পাখি কখন যেন উড়ে যায়,
            বদ হাওয়া লেগে খাঁচায়।

খাঁচার আড়া পড়ল ধ্বসে,
পাখি আর দাঁড়াবে কিসে,

এখন আমি ভাবছি বসে,
সদা চমকজ্বরা বইছে গায়।

কারবা খাঁচায় কেবা পাখি,
কার জন্যে কার ঝরে আঁখি,

(পাখি) আমারি আঙ্গিনায় থাকি,
আমারে মজাতে চায়।

শুকপাখি যাবে উড়ে,
খালি খাঁচা রবে পড়ে,
সঙ্গের সাথী কেউ না রবে,
লালন ফকির কেঁদে কয়।” (পবিত্র লালন- ৬১৯)

সাধারণ পাখি অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the bird)
১.   “ব্যাধ নলেতে পাখি ধরেরে, তেমনি, মতো ধরতে হয়রে, তেমনি, অনুরাগের আঠা, লাগাও গুরুর রাঙাপায়।” (পবিত্র লালন- ৮৬১/২)
২.   “ব্যাধে যখন পাখি ধরতে যায়, তখন ঊর্ধ্বমুখে রয়, থাকে এক নিরীক্ষে পাখির দিকে, ফিরে থাকায় না, তুমি আঁখি রেখ পাখির দিকে, নয়নে পলক দিও না।” (পবিত্র লালন- ৩৯০/২)

উপাসক অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the admirer)
১.   “চাতক পাখির এমনই ধারা, অন্য বারি খায় না তারা, প্রাণ থাকতে জ্যান্তমরা, ঐরূপ ডালে বসে ডাক।” (পবিত্র লালন- ৯৭৩/৩)
২.   “চাতক রূপ পাখি যেমন, করে সে প্রেম নিরূপণ, আছি তেমন প্রায়; কারে বা শুধাই, সে চাঁদের উদ্দেশ কে কয়।” (পবিত্র লালন- ১৬৮/২)

পালনর্কতা অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the guardian)
১.   “আঁখির কোনায় পাখির বাসা, দেখতে নারি সে তামাসা, এ বড় আদলা দশা, কে আর ঘুচায়।” (পবিত্র লালন- ৩০১/৩)
২.   “আব খাকে পিঞ্জিরা বর্ত্ম, আতশে হলো পোক্ত, পবন আড়া সে ঘরে, আছে শুকপাখি সেথায়, প্রেমশিকল পায়, আজব খেলা খেলছে গুরু গোঁসাই মেরে।” (পবিত্র লালন- ১২১/২)
৩.   “আবে খাকে গঠল পিঞ্জিরে, শুকপাখি আমার কিসে গঠেছেরে, পাখি পুষলাম চিরকাল, নীল কিংবা লাল, একদিন না দেখলাম সে রূপ সামনে ধরে।” (পবিত্র লালন- ১২১/১)
৪.   “কত করি পাখির যতন, হলো না সে মনের মতন, উড়াল দিয়ে যাবে যখন, কী হবে কান্নাকাটি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৯)
৫.   “করে আজব কারিগরি, বসে আছে ভান মিশ্রী, সে পিঞ্জিরার বাইরে, পাখির যাওয়া আসার দ্বার, আছে শূন্যের ’পর, লালন বলে কেউ কেউ জানতে পারে।” (পবিত্র লালন- ১২১/৪)
৬.   “দশডালেতে চৌদ্দশাখা, মগডালে পাখির বাসা, মাসেতে ফুটে দুটি ছা, কথা কয় হাজার মাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৮)
৭.   “দুই পায়ে চলে পাখি, জগতে নাই তাকিয়ে দেখি, সে পাখির ফাঁকিফুকি, বুঝবি কিসে তোরা।” (পবিত্র লালন- ৪৫৭/৪)
৮.   “পাখি রাম রহিম বুলি বলে, করে সে অনন্তলীলে, বলো তারে কী চিনলে, বলো গো নিশ্চয়।” (পবিত্র লালন- ৩০১/২)
৯.   “পানিকাউড় দয়ালপাখি, রাতদিন তারে জলে দেখি, হাবুডুবু করে মরল, তবুও; কাদা গায়ে মাখল না, আমার চিন্তাজ্বর তো গেল না গুরু উপায় বলো না।” (পবিত্র লালন- ৬২০/১)
১০. “বন্ধ ছন্দ করিরে এঁটে, ফস্ করে যায় সকলি কেটে, অমনি সে গর্জিয়ে ওঠে, শুকপাখিরে হানা দেয়।” (পবিত্র লালন- ১১০/২)
১১.  “যখন মন ভবে এলি, জমা খরচ সব নিয়ে এলি, এবার লাভে মূলে সব খুয়ালি, কই রইল পিঞ্জিরার পাখি।” (পবিত্র লালন- ৬৬৩/২)

দেখ রে এবার আপনার,
            ঘর ঠাওরিয়ে,
আঁখির কোনায় পাখির বাসা,
যায় আসে হাতের কাছ দিয়ে।

সবেতে পাখি একটা,
হাজার কুঠরি কোঠা,
আছে আড়া পাতিয়ে,
নিগমে তার- মূল একটি ঘর,
সেথা রয় অচিন হয়ে।

ঘরের আয়না আঁটা চৌপাশে,
মাঝখানে পাখি বসে,
আনন্দিত হয়ে,
দেখ রে ভাই- ধরার জো নাই,
সামান্য হাত বাড়িয়ে।

কেউ দেখতে যদি সাধ করো,
সন্ধানী চেনে ধর,
দিবে দেখিয়ে,
সিরাজ সাঁইজি কয়- লালন তোমায়
বুঝাতে দিন যায় বয়ে।” (পবিত্র লালন- ৫৩৫)

মন অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the nous)
১.   “মনপাখি তুই আর কতকাল থাকবি খাঁচাতে।” (জনৈক গীতিকার)
২.   “সাঁই নাম বলরে আমার মনপাখি, ভবে কেউ কারো নয়রে দুঃখের দুঃখী।” (পবিত্র লালন- ৯৩৪/১)

শান্তি অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the peace)
“ভেঙ্গে গেল যৌবনের ডাল, সুখপাখিটা দিলো উড়াল, জনমদুঃখী নিঃস্ব কাঙাল, আমায় করে রাখিলে।” (বলন তত্ত্বাবলী)

শ্বাস অর্থে পাখিপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology hoopoe sense for the breath)
“খাঁচার ভিতর অচিনপাখি, কেমনে আসে যায়, তারে ধরতে পারলে মনোবেড়ি, দিতাম তার পায়।” (পবিত্র লালন- ৩৭৫/১)

পাখির সংজ্ঞা (Definition of hoopoe)
সাধারণত; সর্বপ্রকার খেচরকে পাখি বলে।

পাখির আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of hoopoe)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জরায়ুমুখকে ভৃগু বা রূপকার্থে পাখি বলে।

পাখির প্রকারভেদ (Variations of hoopoe)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পাখি দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পাখি ও ২. উপমিত পাখি।

. উপমান পাখি (Analogical hoopoe)
সাধারণত; সর্বপ্রকার পক্ষীকে উপমান পাখি বলে।

. উপমিত পাখি (Compared hoopoe)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জরায়ুমুখকে ভৃগু বা উপমিত পাখি বলে।

পাখির পরিচয় (Identity of hoopoe)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভৃগু পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় একেক পরিভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। বাংলা বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর উপাসক, কানাই, পালনকর্তা, বিদ্যুৎ, মন, শান্তিশ্বাস ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা রূপে এ পরিভাষাটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা গেলেও ভৃগু অর্থে এর তেমন ব্যবহার দেখা যায় না। তবে; অন্যান্য ভাষার শ্বরবিজ্ঞানে; এর অনেক ব্যবহার দেখা যায়। যেমন; একে পুরাণে গরুড়, কুরানে ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) এবং Greek mythology তে hoopoe বলা হয়েছে।

যেমন; কুরানে একে ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অতঃপর; ‘ﻤﻭﺴﻰٰ’ (মুসা) ও ‘ﺴﻟﻴﻤﺎﻦ’ (সোলাইমান) এর সাথে এর অনেক কল্পতকাহিনী বর্ণিত হয়েছে।

আলোচ্য এ পাখিটি বাস্তব কোনো পাখি নয়। বরং এটি; হচ্ছে জরায়ুমুখ। জরায়ুমুখ লজ্জাকর বা বিব্রতকর পরিভাষা। সেজন্য; এর রূপান্তরিত পরিভাষা হচ্ছে ভৃগু। শ্বরবিজ্ঞানে; জরায়ুমুখকে ভৃগু বলা হয়। এ ভৃগুর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা হচ্ছে পাখি। বাংভারতীয় মুসলমান মনীষীগণ একে কাঠঠোকরা, কাঠুরে পাখি, ঝুঁটিযুক্ত পাখি বলে থাকেন। ইংরেজি ভাষায় একে hoopoe (হুপী) এবং আরবি ভাষায় একে ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) বলা হয়। বড় হাস্যকর বিষয় হলো hoopoe (হুপী) বা ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ) যে বাস্তব কোনো পাখি নয় তা বাংভারতীয় মুসলমানরা জানেই না। আরও হাস্যকর বিষয় হচ্ছে সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত পাখি পরিভাষাটির দ্বারা কেবল পক্ষীকেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। তাই; সাম্প্রদায়িক ও সাম্প্রদায়িকরা চিরদিনের জন্য আধ্যাত্মিক জ্ঞান বা আত্মতত্ত্বের জ্ঞানে চিরান্ধ। শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত কোনো পাখির প্রকৃত অভিধা যে কী; যেমন তা তারা জানে না; তাদৃশ অন্যান্য পরিভাষার ক্ষেত্রেও। সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ বা স্বস্ব শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পরিভাষাগুলোর অভিধা না জানা না ও না বুঝার জন্যই সাম্প্রদায়িকদের মধ্যে থেকে প্রায়ই উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসবাদী দলের উদ্ভব হয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!