পাশাখেলা

১৭/০৭ পাশাখেলা
Coitus (কোয়িটাস)/ ‘مضاجعة’ (মুদাজায়া)Earring game (এয়ারিং গেম)/ ‘لعبة قرط’ (লায়াব্বা ক্বারাত্বা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কাম পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষাএর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা সঙ্গম। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা কাম। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা কামকলা, কামমন্ত্র, বিনোদনপুণ্যস্নান। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা উপাসনা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা পর্যটন, ভ্রমণযজ্ঞ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা আহব, উদ্বন্ধনপূজা এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা তাপনবাইচালি

অভিধা (Appellation)
পাশাখেলা (বাপৌছ)বি নববর ও নব-বধূর এক প্রকার খেলা বিশেষ, coitus, ‘مضاجعة’ (মুদাজায়া), earring game, ‘لعبة قرط’ (লায়াব্বা ক্বারাত্বা) (শ্ববি) কাম, সঙ্গম, গমন, মিলন, মৈথুন, সম্ভোগ, lust, ‘شهوة’ (শাহওয়া) (অশি) চুদ, চুদন, চুদা, ভরণ (আঞ্চ) করা, লাগানো, গুয়ানো (রূপ্রশ) অক্ষক্রীড়া, কামকেলি, নিত্যকর্ম, বপ্রক্রীড়া, বপ্রকেলি, বপ্রক্রিয়া, বাইচালি, journey (ফাপ) ‘ফা.ﺒﻧﺪﮔﻰ’ (বন্দেগি) (ইপ) ‘আ.عبادة’ (ইবাদত), ‘আ.ﺻﻠﻮﺓ’ (সালাত) (ইংপ) prayer, rape, copulation (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কাম পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; নব বর-বধুর পাশা লুকিয়ে খুঁজে বের করা খেলাকে পাশাখেলা বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, নর-নারীর যৌনমিলনকে রূপকার্থে পাশাখেলা বলা হয় (বাপৌছ) তাপন, পাশাখেলা ও বাইচালি (বাপৌচা) আহব, উদ্বন্ধন ও পূজা (বাপৌউ) পর্যটন, ভ্রমণ ও যজ্ঞ (বাপৌরূ) উপাসনা (বাপৌমূ) কাম {বাং.পাশা+ বাং. খেলা}

Earring [এয়াররিং] (GMP)n মাকড়ি, পাশা, দুল, eardrop, pendant, ‘قرط’ (ক্বারাত্ব), ‘حلقان’ (হুলক্বান) (প্র) ভারতবর্ষীয় রমণীদের কানে পরিহিত এক প্রকার অলঙ্কার বিশেষ {}

Earring game [এয়াররিং গেম] (GMP)n পাশাখেলা, দুলখেলা, মাকড়ি খেলা, eardrop game, pendant game, ‘لعبة قرط’ (লায়াবা ক্বারাত্ব), ‘لعبة حلقان’  (লায়াবা হুলক্বান) (প্র) বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের নববর-নববধূর কানের মাকড়ি বা পাশা জলের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ও বের করা এক প্রকার খেলা বিশেষ {}

Coitus [কোয়িটাস] (GMP)n কাম, রতীক্রিয়া, স্ত্রীসঙ্গম, স্ত্রীসংসর্গ, রমণ, গমন, intercourse, copulation, congress, love making/ enjoyment, sport, passage, departure, transit, going, ‘مضاجعة’ (মুদাজায়া), ‘جماع’ (জিমায়া), ‘إتصال جنسي’ (ইত্তেসাল জিন্সি) {}

قرط [ক্বারাত্বা] (আপৌছ)বি মাকড়ি, দুল, কর্ণাভরণ, কর্ণান্তর, কানের দুল, earring, pendant, pendent, eardrop, ‘حلقان’ (হুলক্বান) (প্র) ভারতবর্ষীয় রমণীদের কানে পরিহিত এক প্রকার অলঙ্কার বিশেষ {}

لعبة قرط [লায়িবা ক্বারত্ব] (আপৌছ)বি পাশাখেলা, দুলখেলা, মাকড়ি খেলা, earring game, eardrop game, pendant game, ‘لعبة حلقان’ (লায়াবা হুলক্বান) (প্র) বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের নববর-নববধূর কানের মাকড়ি বা পাশা জলের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ও বের করা এক প্রকার খেলা বিশেষ {}

مضاجعة [মুদাজায়া] (আপৌছ)বি কাম, রতীক্রিয়া, স্ত্রীসঙ্গম, স্ত্রীসংসর্গ, যৌনক্রিয়া, যৌনসঙ্গম, যৌনমিলন, রমণ, গমন, coitus (শ্ববি) কামকেলি, প্রণয়ক্রীড়া, বপ্রক্রীড়া, amorous sports, ‘ﻤﺪﺍﻋﺒﺎﺖ’ (মুদায়াবাত) {}

পাশাখেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of coitus)
১.   “আজ পাশা খেলবরে শ্যাম, ও শ্যামরে তোমার সনে, একেলা পেয়েছিরে শ্যাম এ নিধুবনে।” (মরমীকবি দীনহীন, ওরফে আব্দুন নূর হোসেন চিশতী (১৮৫৪-১৯১৮), হবিগঞ্জ, সিলেট)
২.   “পাশা খেলতে ফুলবনে, নিত্য আসো নিধুবনে, লালবাতি জ্বালাইয়ারে।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৩.   “হৃদয়ও ছিঁড়িয়ারে দিতাম হৃদয়েতে বাসা, আমি তোমায় দেখে সাধ মিটাইতামরে বন্ধু, খেলতাম প্রেমের পাশা বন্ধুরে।” (মরমী কবি কানাই লাল সেন)

পাশাখেলার কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of coitus)
১.   “কী পাশা খেলবরে, আমার জুড়ি কে আছে, পাশাখেলা যাওয়া আসা, আমার খেলার দিন গেছে।” (পবিত্র লালন- ৩০৮/১)
২.   “পরের সঙ্গে জন্মাবধি, পাশাখেলায় রইলাম বন্দি, ভবকূপে দিবারাত্রি, কত ঢেউ মোর উঠতেছে।” (পবিত্র লালন- ৩০৮/৩)
৩.   “পাশাখেলা জানে যারা, তাদের করণ সারা, তারাই ধরে অধর ধরা, তাদের কুমিরে না ধরে, না এঁটে ঘাটের চাবি, কতজন যাচ্ছে ডুবি, পা দিয়ে অমনি গড়াগড়ি, চুবানি খেয়ে মরে।” (পবিত্র লালন- ২৫০/৩)
৪.   “লালন কয় ভাঙ্গরে খেলা, করিস না আর অবহেলা, মন হলি কামে ভোলা, পাশাখেলা ফেলে যা দেশে।” (পবিত্র লালন- ৩০৮/৪)

পাশাখেলার সংজ্ঞা (Definition of coitus)
সাধারণত; নব বর-বধুর পাশা লুকিয়ে খুঁজে বের করা খেলাকে পাশাখেলা বলে।

পাশাখেলার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of coitus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পুরুষ ও নারীর যৌনমিলনকে কাম বা রূপকার্থে পাশাখেলা বলে।

পাশাখেলার প্রকারভেদ (Variations of coitus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পাশাখেলা দুই প্রকার। ১. উপমান পাশাখেলা ও ২. উপমিত পাশাখেলা।

. উপমান পাশাখেলা (Analogical coitus)
সাধারণত; নব বর-বধুর পাশা লুকিয়ে খুঁজে বের করা খেলাকে উপমান পাশাখেলা বলে।

. উপমিত পাশাখেলা (Compared coitus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পুরুষ ও নারীর যৌনমিলনকে কাম বা উপমিত পাশাখেলা বলে।

পাশাখেলার পরিচয় (Identity of coitus)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ‘কাম পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। এটি; শ্বরবিজ্ঞানের বহুল ব্যবহৃত একটি পরিভাষা। কিন্তু এর প্রকৃত অর্থ ও ভাবার্থ জানা না থাকার কারণে; সাধারণভাবে এটি; পাঠক-পাঠিকাদের দৃষ্টিগোচর হয় না।

নববর ও নববধূর এক প্রকার খেলাকে (অঞ্চলভেদে) পাশাখেলা বলা হয়। যেমন; বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলের কথা ধরা যাক। এ অঞ্চলে নববধূ বাড়িতে নিয়ে আসার পরদিন দুপুরের কিছু পূর্বে বাড়ির উঠান বা পৈঠান অথবা পার্শ্ববর্তী কোনো গাছের নিচে ১২ ইঞ্চি হতে ১৮ ইঞ্চি গভীর গর্ত করে তা জল দ্বারা ভর্তি করা হয়। অতঃপর; তারমধ্যে; একটি স্বর্ণ কিংবা রূপার আংটি ফেলে নববর ও নববধূকে তা খোঁজে বের করতে বলা হয়। যে আগে পাবে সে আবার গর্তের মধ্যে আংটিটি লুকিয়ে রাখবে। তারপর; আবার অন্যজন তা বের করবে। এ খেলায় বর তিনবার এবং বধূ তিনবার আংটি লুকিয়ে রাখা ও খোঁজে বের করার সুযোগ পায়। গর্তের জল-কাদার মধ্যে লুকিয়ে রাখা আংটি খোঁজে বের করতে না পারলে তার হার নিশ্চিত হয়ে যায়। রাজশাহীর দুর্গাপুর অঞ্চলে এ খেলাকেই পাশাখেলা বলা হয়। অনেকেই মনে করে যে; যেহেতু; পাশাখেলা; সেহেতু; এটি; অবশ্যই রমণীদের কানের পাশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো খেলা হবে। প্রকৃত ব্যাপার হলো; এটি; পাশা দ্বারা কোনো খেলা নয়। বরং এটি; মূলতঃ আংটি লুকানো খেলা। খেলাটি পাশা দ্বারা না খেলে আংটি দ্বারা খেলার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো; পাশার সাথে অনেক বুর, বালা ও হুক লাগানো থাকে; কাদার মধ্যে পুঁতে রাখার সময়ে হয়তো ঐগুলো খসে হারিয়ে যেতে পারে। কিন্তু আংটির সাথে তেমন কোনো বুর, বালা ও হুক থাকে না। এজন্য; এর ভাঙ্গা কিংবা হারানোর ভয় বা দুশ্চিন্তা থাকে না। সম্ভবত; এসব কারণে; খেলাটির নাম পাশাখেলা হলেও আদিকাল হতে পাশার পরিবর্তে আংটি দ্বারা খেলানো হয়।

উল্লেখ্য; বাংলা পুরাণে পাশাখেলা পরিভাষাটি কখন হতে কাম অর্থে ব্যবহার হওয়া আরম্ভ হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যায় না। তবে; বর্তমানে এ পরিভাষাটিকে অধিকাংশ মরমী গীতিকার ও পৌরাণিক সাহিত্যিক কেবল কাম অর্থেই ব্যবহার করে। এর পারিভাষিক অর্থ না জানার কারণেই; অভিধানবিদরা কেউই তাঁদের স্বস্ব অভিধানের মধ্যে পরিভাষাটি সংকলন করার কোনো আগ্রহই প্রকাশ করে নি। বর্তমানে বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের আখড়া বললেও অধিক বলা হবে না। কারণ; বাংলাদেশের মতো একটি ক্ষুদ্র দেশে এত অধিক সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ রয়েছে যে; পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এমন দেখা যায় না। তবুও; অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় হলো; এ দেশে একটিও পারিভাষিক অভিধান নেই। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পরিভাষার অভিধান নির্মাণ না করার কারণেই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীরা এখনও ভাষা ও সাহিত্যের সুগভীর অন্ধকার অরণ্যেই পড়ে রয়েছে। পুরাণে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাগুলোর ব্যাপক চর্চা ও অনুশীলন ব্যতীত তাদের দৈন্যতার উন্নয়ন ও উত্তরণের সম্ভাবনা নেই।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!