পীযূষ

৯৬/৪. পীযূষ
Elixir  (ইলিক্সার)/ ‘ ﻜﻭﺛﺭ’ (কাউসার)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা সৃষ্টিকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা মধুচন্দ্রিমা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা কাঁই । এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ঘি, নীর, মধু শস্য। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ব্রহ্মা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভূ হর। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত দুগ্ধ’, ‘শুক্র’, ‘সুধামধু এ ৪টি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তারই ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
পীযূষ (বাপৌউ)বি অমির, সুরস, সুধা, অমৃতসুধা, মিষ্টিজল, মজাজল, আকাশবারি, সুপেয়জল, শুভ্রজল, মার্গফল, যা পান করলে অমর হওয়া যায়, অতিশয় সুস্বাদু খাদ্য, elixir, ‘ ﻜﻭﺛﺭ’ (কাউসার), nectar (ব্য্য) শ্বরবিজ্ঞানে; এ পরিভাষাটি দ্বারা সর্বদা সুধা বুঝানো হয় (প্র) বাঙালী পৌরাণিক বর্ণনা অনুসারে; দেবতাগণ যে জল পান করে অমরত্বলাভ করেন (শ্ববি) সৃষ্টিকর্তা, নির্মাতা, creator, খালিক্ব (.ﺨﺎﻟﻖ), melanin, ‘ميلانين’ (মিলেনিন) (রূপ্রশ) অনন্ত, ঈশ্বর, বিধাতা, স্বায়ম্ভূ (বাদৈ) কালা, কৃষ্ণ, বিরিঞ্চি, ব্রহ্মা, শ্যাম (ইদে) আল্লাহ (.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (.ﺷﺄﻢ), শামস (.ﺸﻤﺲ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (ইংপ) Lord , maker, designer (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). যে কোনো সুপেয় পানীয়কে পীযূষ বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; কৃষ্ণবর্ণের সুপেয় মানবজলকে পীযূষ বলা হয় (বাপৌছ) আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভূ ও হর (বাপৌচা) অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ও  ব্রহ্মা (বাপৌউ) ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য (বাপৌরূ) কাঁই (বাপৌমূ) সৃষ্টিকর্তা।

পীযূষের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of elixir)
১.   “ফুলে মধু প্রফুল্লতা, ফলে তার অমৃতসুধা, এমন ফুল দিন দুনিয়ায় পয়দা, জানলে দুর্গতি যায়।” (পবিত্র লালন- ২৬০/২)
২.   “সাধুরচরণ পরশিলে, অমৃতসুধার গুদাম মিলে, একবিন্দু পান করিলে, জন্মমরণ রহে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৭)

পীযূষের সংজ্ঞা (Definition of elixir)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যে কোনো সুপেয় পানীয়কে পীযূষ বলে।

পীযূষের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of elixir)
১.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কৃষ্ণবর্ণের সুপেয় মানবজলকে পীযূষ বলে।
২.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; দুগ্ধ, শুক্র, সুধা ও মধু এ চার প্রকার মানবজলকে পীযূষ বলে।

পীযূষের প্রকারভেদ (Variations of elixir)
পীযূষ দুই প্রকার। ১. উপমান পীযূষ ও ২. উপমিত পীযূষ।

. উপমান পীযূষ (Analogical elixir)
সাধারণত; যে কোনো সুপেয় পানীয়কে উপমান পীযূষ বলে।

. উপমিত পীযূষ (Compared elixir)
দুগ্ধ, শুক্র, সুধা ও মধু এ চার প্রকার মানবজলকে উপমিত পীযূষ বলে।

পীযূষের পরিচয় (Identity of elixir)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। মধুরসের বর্ণনা ও বিবরণ প্রায় সুধারসের মতই। তবে; কিছু কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন; মধুরস আহরণ করতে হয় অর্যমা প্রহরে। এটি; আহরণ করতে প্রায় ১৫০০ শ্বাস বা ৬৩ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হয়। এটি; দেখতে কালো ও স্বাদে মধুবৎ মিষ্ট হয়। নিচে সুধা ও মধুর ব্যবহারিক পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো।

সুধা ও পীযূষের পার্থক্য  (Difference between nectar and elixir)

সুধারস (Nectar) পীযূষ (Elixir)
১. মানবদেহ হতে আহরণকৃত, কচি ডাবের জলবৎ, সাদা ও সামান্য মিষ্ট মানব-জলকে সুধা-রস বলে। ১. মানবদেহ হতে আহরণকৃত, কালো বর্ণের ও মধুবৎ মিষ্ট মানব-জলকে পীযূষ বলে।
২.          শ্বরবিজ্ঞানে; সুধা-রসকে রূপকভাবে সাঁই বা পালনকর্তা বলা হয়। ২. শ্বরবিজ্ঞানে; পীযূষকে রূপকভাবে কাঁই বা সৃষ্টিকর্তা বলা হয়।
৩.          সুধা-রস আহরণ করতে হয় ঊষা প্রহরে। ৩. পীযূষ আহরণ করতে হয় অর্যমা প্রহরে।
৪.          সুধা-রস আহরণ করতে সময় লাগে ১০০০ শ্বাস বা ৪২ মিনিট। ৪. পীযূষ আহরণ করতে সময় লাগে ১৫০০ শ্বাস বা ৬৩ মিনিট।
৫.          সুধা-রসের পরিমাণ হয় এক পোয়া হতে প্রায় এক সের পর্যন্ত। ৫. পীযূষের পরিমাণ হয় আধা পোয়া হতে এক পোয়া পর্যন্ত।
৬. সুধারসের বর্ণ কচি ডাবের জলবৎ সাদা। ৬. পীযূষের বর্ণ পাকা জামের রজবৎ কালো।
৭. সুধা-রস দর্শনের দ্বারা সাধক- সাঁইজি ও বৈষ্ণব উপাধিতে ভূষিত হন। ৭. পীযূষ দর্শনের দ্বারা সাধক- কাঁইজি ও ব্র‏হ্মচারী উপাধিতে ভূষিত হন।
৮.          এরস প্রায় রমণী হতেই আহরণ করা যায়। ৮. এরস একমাত্র পদ্মিনী রমণী ব্যতীত আহরণ করা যায় না।
৯.          এ শুভ্র-রসের অবতরণ কালটি হিন্দুদের কোজাগর ও মুসলমানদের শবেবরাত (ﺸﺑﻰ ﺑﺭﺍﺀﺓ) নামে পরিচিত। ৯. কৃষ্ণ-রসের অবতরণ কাল হিন্দুদের ব্র‏হ্মা নিশি ও মুসলমানদের শবই ক্বদর (ﺸﺑﻰ ﻘﺪﺭ) নামে পরিচিত।

এ পার্থক্যগুলো না জেনে ও না বুঝে অনেক খুষ্কমুষ্কজ্ঞানী গুরু-গোঁসাই সুধা ও মধুকে প্রায় একই অর্থে ব্যবহার করে থাকেন। এছাড়াও; আত্মদর্শন বা আত্মদর্শনের চর্চা, অনুশীলন ও অধ্যয়ন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ শিল্পে ইতোমধ্যেই অনেক ভাটা পড়েছে। কোটি কোটি সাধু মহতের মধ্যেও দুয়েকজন আত্মজ্ঞানী সাধক বের করা অত্যন্ত দুষ্কর। তারপরও; বাংভারতের মতবাদ ভীরু বাঙালীরা বিজ্ঞ মনে করে এখনও অনেক গোঁসাই বা গুরুর নিকট দীক্ষা নিয়েই যাচ্ছেন। এ সুযোগে রীতিমত ব্যবসা করে যাচ্ছেন অসৎ মতবাদ ব্যবসায়ীরা।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!