পুণ্য

৪১/১. পুণ্য
Virtue (ভার্চ্যু)/ ‘فضيلة’ (ফাজিলা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ন্যায় পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা ন্যায়। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ভালোকর্ম। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা পুণ্যাত্মা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা রামরাজ্য

অভিধা (Appellation)
পুণ্য (বাপৌরূ)বি সৎকর্ম, পবিত্রতা, সততা, প্রশান্তিময় জীবন যাপন কর্ম, virtue, ‘فضيلة’ (ফাজিলা) (শ্ববি) ন্যায়, নীতি, যথার্থ, সত্য, সুবিচার- যা সত্যে নিয়ে যায়, logic, ইনসাফ (.ﺍﻨﺼﺎﻒ), আদল (.ﻋﺪﻝ) (রূপ্রশ) যৌনাচার সঠিক করা, যত্রতত্র শুক্রসম্পদের অপচয় না করা, যৌবনকালে গুরু-শিক্ষা গ্রহণ করা, যৌবনকালে আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জন করা (ইপ) মনকির (.ﻤﻨﻛﺮ) (ইংপ) honesty, justice (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ন্যায় পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; সত্যতানির্ভর নীতি ও আদর্শকে বাংলায় ‘পুণ্য বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, অটল গমনাগমনকে রূপকার্থে ‘পুণ্য বলা হয় (বাপৌছ) রামরাজ্য (বাপৌচা) পুণ্যাত্মা (বাপৌউ) ভালোকর্ম (বাপৌরূ) পুণ্য (বাপৌমূ) ন্যায়।

পুণ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of virtue)
১.   “কোথায়রে কার পুণ্যের গুদাম, কোথায় বা পাপের ধাম।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮১)
২.   “ত্রিধারা জলের কারবার, পুণ্য হয় অটলবিহার, অধঃপতন পাপ সমাচার, সাধের দেহ হয় শ্মশান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮১)
৩.   “দেশ সমস্যা অনুসারে, ভিন্ন বিধান হতে পারে, লালন বলে সূক্ষ্মজ্ঞান বিচারে, পাপপুণ্য নাই বালাই।” (পবিত্র লালন- ৬২৩/৪)
৪.   “পাপ-পুণ্য করতে বিচার, এসে সাধুর সাতপণ্যার, বলন কাঁইজি নামটি আমার, ষাটদেশ ঘুরে পেলাম।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮১)
৫.   “পাপ পুণ্যের কথা আমি কারেবা শুধাই, এ দেশে যা পাপ গণ্য অন্য দেশে পুণ্য তাই।” (পবিত্র লালন- ৬২৩/১)

পুণ্যের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of virtue)
১.   “আপন পাপ স্বীকার করি, সিরাজ সাঁইজির চরণ ধরি, লালন বলে পুণ্য পাবে স্বর্গে যাবে, এর বেশি কী ভাবো।” (পবিত্র লালন- ৭১৫/৪)
২.   “করে সবে জাতির বড়াই, জনমভরে পুণ্য কুড়ায়, প্রকৃত সত্যপুণ্য কোথায়, সবার একই অনুমান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮১)
৩.   “জগৎ জুড়ে জাতির বড়াই, মূলে খুঁজে জাত নাহি পাই, পাপ-পুণ্য নিতাম কুড়ায়, আপনার চক্ষে দেখিলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৬)
৪.   “পাপ পুণ্যের হয় সূক্ষ্ম বিচার, সকল ঐশিশাস্ত্রে তাই প্রচার, পড়ে দেখ শাস্ত্রসমাচার, ভিন্নতা পাবি না তাতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৩৯)
৫.   “পুণ্যমর্ম হিতকর্ম, চেনো তার নিগূঢ়মর্ম, যাতে হবে মন্দ তাই সঙ্গ, করেছ আজন্মকাল।” (পবিত্র লালন- ৭১৫/৩)
৬.   “পুণ্যাত্মা তরে শিষ্যগণে, বয়ে লয়ে চলে স্বর্গধামে, বলন কয় গুরুর গুণে, পার হয়ে যাও নিঃশ্বাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৫)
৭.   “সব পুর্ণ্যরে পুণ্যফল, গুরু বিনা নাই সম্বল, লালন কয় তার জনম সফল, যেজন গুরুধন পেয়েছে।” (পবিত্র লালন- ৮৩২/৪)
৮.   “সাতবার খেয়ে একবার স্নান, নাই পূজা নাই পাপপুণ্য জ্ঞান, অসাধ্যরে সাধ্যবিধান, শিখাচ্ছে সব ঘাটে পথে।” (পবিত্র লালন- ২২০/২)

পুণ্যের সংজ্ঞা (Definition of virtue)
১.    বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যে কোনো উত্তম কর্মকে পুণ্য বলে।
২.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সত্যতানির্ভর নীতি ও আদর্শকে পুণ্য বলে।

পুণ্যের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of virtue)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কেবল অটল গমনাগমনকে পুণ্য বলে।

পুণ্যের প্রকারভেদ (Variations of virtue)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পুণ্য দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পুণ্য ও ২. উপমিত পুণ্য।

. উপমান পুণ্য (Analogical virtue)
সাধারণত; যে কোনো উত্তম কর্মকে উপমান পুণ্য বলে।

. উপমিত পুণ্য (Compared virtue)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অটল গমনাগমনকে উপমিত পুণ্য বলে।

পুণ্যের পরিচয় (Identity of virtue)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ন্যায় পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। যে কোনো উত্তম কর্মকে পুণ্য বলা হয় বা সর্বপ্রকার ভালোকর্মকেই পুণ্য বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল অটল গমনাগমনকেই পুণ্য বলা হয়।

যেমন; বলন কাঁইজি লিখেছেন;

কোথায়রে কার পুণ্যের গুদাম
কোথায় বা পাপের ধাম।

করে সবে জাতির বড়াই
জনম ভরে পুণ্য কুড়ায়
প্রকৃত সত্য পুণ্য কোথায়
সবার একই অনুমান।

পাপ হতে চায় বাঁচিবার
দূর করে অন্যায় অত্যাচার
মূলে কোনটি পাপের কারবার
কিভাবে পাই পরিত্রাণ।

ত্রিধারা জলের কারবার
পুণ্য হয় অটলে বিহার
অধঃপতন পাপ সমাচার
সাধের দেহ হয় শ্মশান।

পাপ-পুণ্য করতে বিচার
এলাম সাধুর সাতপণ্যার
বলন কয় সবই অসার
ষাটদেশ ঘুরে পেলাম।”

আবার লালন সাঁইজি লিখেছেন;

পাপ পুণ্যের কথা আমি কারেবা শুধাই,
এ দেশে যা পাপ গণ্য
অন্য দেশে পুণ্য তাই।

দিব্য-আইন অনুসারে,
একনারী বহু পতি ধরে,
এ দেশেতে হলে পরে,
ব্যভিচারে দণ্ড দেয়।

শূকর গোরু দুটি পশু,
খেতে বলেছেন যিশু,
হিন্দু মুসলমান পেয়ে কিছু,
তারা পিছুতে হটায়।

দেশ সমস্যা অনুসারে,
ভিন্ন বিধান হতে পারে,
লালন বলে সূক্ষ্মজ্ঞান বিচারে,
পাপপুণ্য নাই বালাই।”

সাধু ও সন্ন্যাসীগণের মতে; সবচেয়ে উত্তম পুণ্য হলো সাঁইদর্শন। একমাত্র সিদ্ধি স্তরে গিয়েই, জীবের পালনকর্তা সাঁইয়ের দর্শনলাভ হয়। একজন পাকা পারম্পরিক গোঁসাই বা গুরুর নিকট হতে, দীক্ষা ও ভেদ গ্রহণের পরই কেবল সাঁইদর্শন সম্ভব হয় বলে, অনেক পারম্পরিক মনীষীগণ মনে করে থাকেন। সাঁইদর্শনই হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় পুণ্য। এছাড়াও; আরও কিছু কিছু পুণ্যকাজ আছে বলে, অনেক পারম্পরিক মনীষীর ধারণা। নিচে কয়েকটি পুণ্যকাজ তুলে ধরা হলো।

১.   জ্ঞানার্জন করা।
২.   যৌবনকালে শিষ্যত্বপদ গ্রহণ করা মহাপুণ্যের কাজ।
৩.   সাধুসভা বা সাধুসঙ্গে যোগদান করা।
৪.   বিচারগান বা তত্ত্বগান শোনা।
৫.   সাধুসেবা বা সাধুসঙ্গে অর্থকড়ি দান করা।
৬.   মহামনীষীদের সেবা করা।
৭.   মাতৃভাষা ও মাতৃভূমিকে অধিক ভালোবাসা।
৮.   সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কাজে স্বেচ্ছাসেবা করা।
৯.   স্ত্রী পিতা-মাতা আত্মীয়স্বজন ও দাসদাসী সবার প্রতি সুদৃষ্টি রাখা।
১০. অঙ্গীকার পরিপূর্ণ করা।
১১.  বৃক্ষ রোপন করা।
১২.  বৃক্ষচারা দান করা।
১৩. মাছের পোনা ছাড়া।
১৪. মাছের পোনা দান করা।
১৫. নিঃস্ব ও অসহায়দের গোরু ও ছাগল দান করা।
১৬.  পথ ঘাট ও জলনালা পরিষ্কার করা।

বড় আশ্চর্যের বিষয় হলো; সাম্প্রদায়িক মনীষী ও সাম্প্রদায়িক অনুসারীরা পুণ্যকে পণ্যদ্রব্যের মনে করে থাকেন। মানবকল্যাণ ও জনকল্যাণমূলক সর্বপ্রকার কাজ ফেলে রেখে কেবল সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদি পাঠ করা এবং তপজপ করাকেই তারা পুণ্য বলে মনে করে থাকেন। তাই; তারা রীতিমত পুণ্য-বাণিজ্য নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। যেমন; কয়েকজনে সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ পাঠ করেন; আবার কেউ কেউ বসে বসে শোনেন। যা পুণ্য অর্জিত হয় তাদের মধ্যে একজন বা আরেকজন আবার ভাড়া করে আনা হয়। সবাই একসঙ্গে হাত তুলে ঐ পুণ্য আবার সারাবিশ্বের সব প্রয়াতদের সমাধিতে প্রেরণ করে দেন। দশটি টাকা চাইলে দেন না কিন্তু পুণ্য অকাতরে বিতরণ করেন। এটি; বড় অবিশ্বাস্য কথা। আবার পুণ্য নাকি পরপারের পুঁজি? পরপারের পুঁজিই যদি হবে তবে সবাই ফাও দিয়ে দেয় কেন? আবার মানুষ প্রয়াণলাভ করলে কী ঘটে? কে যায় কে থাকে? কী যায় কোথায় য়ায়? এমন প্রশ্ন আজ অনেকেরই?

বাংভারতের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা যে প্রয়াত আত্মার প্রতি পুণ্যগুলো প্রেরণ করেন আদৌ আত্মা কী তা গ্রহণ করে? প্রেরিত পুণ্যই কী তাদের নিকট গিয়ে পৌঁছে? নাকি এটি একটি আরবীয় সংস্কৃতি? মতবাদ ব্যবসায়ী ও মতবাদ-জীবিদের এ হাস্য-উপহাসময় গোলকধাঁধার খপ্পর হতে সাধারণ মানুষ কখন বের হয়ে আসবে এবং উপরোক্ত পুণ্যময় কাজগুলো করতে আরম্ভ করবে জানি না।

সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের এ পুণ্য বাণিজ্য ও স্বর্গ বাণিজ্য হয়তো আর অধিক দিন চলবে না। কারণ; মানুষ আজ মূল সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ পাঠ করতে আরম্ভ করেছে। মূল সাম্প্রদায়িক গ্রন্থের মধ্যে জনকল্যাণ ও মানব কল্যাণমূলক সব কাজকর্ম পরিত্যাগ করে কেবল পুণ্য বাণিজ্য ও স্বর্গ বাণিজ্য করার কথা কোথাও বলা হয় নি। বিশ্বের কোনো সাম্প্রদায়িক গ্রন্থে ব্যক্তির কৃতকর্মের জন্য বিদ্যুৎরূপ আত্মাকে অপরাধী বলা হয় নি বরং ব্যক্তির কৃতকর্মের জন্য মনকেই অভিযুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা আত্মশুদ্ধি না করে আত্মার মুক্তি কামনা করে এবং আত্মার প্রতি পুণ্য প্রেরণ করে সেহেতু এটি; সম্পূর্ণ ভ্রান্ত এবং অযৌক্তিক মতবাদ। এসব হাস্যকর মতবাদ হতে বেরিয়ে আসা সব মানুষের একান্ত কর্তব্য। কারণ; বর্তমানকালে বিজ্ঞান, দর্শন ও প্রযুক্তির ব্যবহারের চাপে অন্ধবিশ্বাসপ্রবণ সাম্প্রদায়িক মতবাদের দৌরাত্ম্যের সময়সীমা প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। অতএব; এখনই অন্ধবিশ্বাস পরিত্যাগ করার পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করার সময় এসেছে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!