পূর্ণিমা

৪৪/১ পূর্ণিমা
Moonfull (মুনফুল)/ ‘بدر’ (বাদরা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পবিত্রতা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পবিত্রতা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা দিন। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ইন্দুমতীপূর্ণেন্দু এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা মঙ্গলবারশুক্লপক্ষ

অভিধা (Appellation)
পূর্ণিমা (বাপৌরূ)বি পূর্ণেন্দু, পূর্ণ-শশী, তিথি বিশেষ, চন্দ্রের সম্পূর্ণ অংশ দৃশ্যময়তা, moonfull, ‘بدر’ (বাদরা) (শ্ববি) পবিত্রতা, বিশুদ্ধতা, নির্মলতা (রূপ্রশ) পৌর্ণমাসী, শুক্লপক্ষ, শরীরের সুস্থ্যতা (ফাপ) চাহার শম্বা (ফা.ﭼﻬﺎﺮ ﺸﻧﺒﻪ), পাক (ফা.ﭙﺎﮎ) (ইপ) ইদ্দত (.ﻋﺩﺖ), ত্বহুর (.ﻄﻬﺭﺓ), মি’রাজ (.ﻤﻌﺭﺍﺝ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পবিত্রতা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; জ্যোতিষশাস্ত্রে চন্দ্রকলার চতুর্দশতম তিথির পরিপূর্ণ জ্যোৎস্নাকে বাংলায় ‘পূর্ণিমা বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ঋতুমতীদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে রূপকার্থে ‘পূর্ণিমা বলা হয় (বাপৌছ) মঙ্গলবার ও শুক্লপক্ষ (বাপৌচা) ইন্দুমতী ও পূর্ণেন্দু (বাপৌউ) দিন (বাপৌরূ) পূর্ণিমা (বাপৌমূ) পবিত্রতা।

পূর্ণিমার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of moonfull)
১.   “অমাবস্যা পূর্ণিমা হয়, মহাযোগ সে দিনে উদয়, লালন কয় সময় নির্ণয়, করে করো সাধনা।” (পবিত্র লালন- ৯২১/৪)
২.   “পূর্ণিমাশশী বিলীন হইলে তমসা নেমে আসে, মনের-মানুষ ছাড়িয়া গেলে নয়ন জলে ভাসে, ডুবিয়া গেলে রবি শশীরে, ঐ আলো জ্বলে কী কিরণে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)
৩.   “স্রাবস্তি ভজনালয়, পূর্ণিমায় সাঁই আসে যায়, মহাযোগ হলে উদয়, হাজার বছর সে সাধনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩)

পূর্ণিমার সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of moonfull)
১.   “অমাবস্যা পূর্ণিমার যোগ, আজব অসম্ভব সম্ভোগ, জানলে খণ্ডে ভবরোগ, গতি হয় অখণ্ড-দেশে।” (পবিত্র লালন- ৯৫৭/২)
২.   “অমাবশ্যা পূর্ণিমালীলা, জোয়ার চেনে ভাসা ভেলা, দ্বিদলে অটলখেলা, বলন কয় প্রেমনদীতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৪)
৩.   “অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, উদয় হয় সে নদীয়াতে, বলন কয় ভাব বুঝিতে, জীবের কী সে সাধ্য তাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৭)
৪.   “আকাশে সাঁই ঠাঁই নিয়েছে, পাহাড়ের চুড়ায়, নয়া বিজয়ের ডাক এসেছে, প্রতিপদে পূর্ণিমায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮)
৫.   “আত্মতত্ত্বে পূর্ণিমা হয়, প্রথমা হতে সপ্তবিংশময়, করিয়া সে যোগ নির্ণয়, ধীরেধীরে চালাও তরণী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৯)
৬.   “আহার নয় সে উপবাসী, নিত্য করে একাদশী, প্রভাতে উদয় পূর্ণ-শশী, পূর্ণিমার চাঁদ অন্ধকারে।” (পবিত্র লালন- ৩৯২/৩)
৭.   “ঐ অমাবস্যা পূর্ণিমাতে, দ্বিতীয়া যোগ প্রথমেতে, ভাগ্যবানরা পায় দেখিতে, ত্রিবেণীর কোণে নিঠাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৬)
৮.   “ওরে পূর্ণিমারজনী গণে, আত্মা আসে ধরাধামে, তিন দিনের মরম জেনে, সাধুরা তার মুক্তি দেয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২)
৯.   “কোমলকোঠা গোলকধামে, রক্তিমা রঙ বৃষ্টি নামে, পূর্ণিমার প্রথমে আনাগোনা, বলন কয় বিশ্ব ঘুরে, বসে থাকে নিতাইপুরে, অটল বিনা পায় না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৩)
১০. “জাগ জাগ ও প্রাণনাথ দেখ পূর্ণিমানিশে, মধুরনিশি যায় বইয়া যায় ঘুমে আলসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫১)
১১.  “পূর্ণিমার যোগাযোগ হলে, শুকনানদী উজান চলে, ত্রিবেণীর পিছলঘাটে, নিঃশব্দে বন্যা ছোটে, চাঁদ-চকোরে ভাটার চোটে, বাঁধ ভেঙ্গে যায় তৎক্ষণা।” (পবিত্র লালন- ৬৩৬/৩)
১২.  “পূর্ণিমার যোগে সে মীন ভাসে, কারুণ্য তারুণ্য এসে, স্রাবণ্যে যখন মিশে, সাধক মীন ধরতে পারে সে দিনে।” (পবিত্র লালন- ৬৪৫/৪)
১৩. “মন চোরারে ধরবি যদি মন, ফাঁদ পেতে বস ত্রিবেণে, অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, বারাম দেয় সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৭৩৯/১)
১৪. “ষোল কলা হলে শশী, তবে তো হয় পূর্ণমাসী, পনেরোই পূর্ণিমা কিসি, পণ্ডিতেরা কয় সংসারে।” (পবিত্র লালন- ৬০/৩)
১৫. “সিয়াম অটলসাধন, পূর্ণিমাতে দয়াল দর্শন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯৭)
১৬.  “সেকথা কী কবার কথা, জানতে হয় নিরলে বসে, অমাবস্যার পর উদয় শশী, পূর্ণিমার পর রয় কোন দেশে।” (পবিত্র লালন- ৯৫৭/১)
১৭. “হায় পূর্ণিমারজনী এলে, সাত আকাশের দুয়ার খোলে, সত্তর হাজার পর্দা খোলে, দেখা দিবে দয়াল সাঁই, পঞ্চাশ হাজার বছর, নিরীক্ষ ধরে থাকা চাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৭)

পূর্ণিমার সংজ্ঞা (Definition of moonfull)
জ্যোতিষশাস্ত্রে; চন্দ্রকলার চতুর্দশতম তিথির পরিপূর্ণ জ্যোৎস্নাময়তাকে পূর্ণিমা বলে।

পূর্ণিমার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of moonfull)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা পূর্ণিমা বলে।

পূর্ণিমার প্রকারভেদ (Variations of moonfull)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পূর্ণিমা প্রথমত দুই প্রকার। যথা; ১. চান্দ্র পূর্ণিমা ও ২. দৈহিক পূর্ণিমা।

. চান্দ্র পূর্ণিমা (Lunar moonfull)
জ্যোতিষশাস্ত্রে; চন্দ্রকলার চতুর্দশতম তিথির পরিপূর্ণ জ্যোৎস্নাময়তাকে চান্দ্র পূর্ণিমা বলে।

. দৈহিক পূর্ণিমা (Fleshly moonfull)
রজস্বলাদের একস্রাবের প্রস্থান হতে অন্য স্রাব সূচনার মধ্যবর্তী সাতাশ দিনকে পবিত্রতা বা দৈহিক পূর্ণিমা বলে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পূর্ণিমা দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পূর্ণিমা ও ২. উপমিত পূর্ণিমা।

. উপমান পূর্ণিমা (Analogical moonfull)
সাধারণত; চন্দ্রকলার চতুর্দশতম তিথির জ্যোৎস্নাময়তাকে উপমান পূর্ণিমা বলে।

. উপমিত পূর্ণিমা (Compared moonfull)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজস্বলাদের পবিত্রকালকে উপমিত পূর্ণিমা বলে।

পূর্ণিমার পরিচয় (Identity of moonfull)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পবিত্রতা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। সাধারণত; চন্দ্রকলার চতুর্দশতম তিথির পরিপূর্ণ জ্যোৎস্নাময়তাকে পূর্ণিমা বলা হয়। চান্দ্রবর্ষ অনুযায়ী বছরে পূর্ণিমা ১২টি। পূর্ণিমগুলো হলো; চৈত্রাবলী, বৈশাখী, জ্যৈষ্ঠী, আষাঢ়ী, শ্রাবণী, ভাদ্রপদা, আশ্বিন্যা, কার্তিকী, অগ্রহায়ণী, পৌষালি, মাঘী ও দোল। কিন্তু সৌরবর্ষ অনুযায়ী বছরে পূর্ণিমা মোট ১৩টি। শ্বরবিজ্ঞানে; যে পূর্ণিমার কথা বলা হয় তা আদৌ উপরোক্ত চান্দ্র বা চান্দ্রিক পূর্ণিমা নয়। বরং তা হলো রজস্বলাদের দৈহিক পবিত্রতা। অর্থাৎ; রজস্বলা রমণীদের পবিত্রতা পর্ব। এখানে; স্মরণীয় বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাগুলোকে উপমিতপদ ধরে তা দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন উপমানপদ নির্মাণ করে পুরাণ নির্মাণ করা হয়। সেজন্য; বলা যায় যে; যে ব্যক্তি উপমিতি জানেন না সে সাম্প্রদায়িক মতবাদের কিছুই জানে না।

অন্যদিকে; বড় আশ্চর্য হবার বিষয় হলো সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত পূর্ণিমা পরিভাষাটির দ্বারা কেবল চান্দ্রিক পূর্ণিমাকেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা চিরদিনের জন্য আধ্যাত্মিক বা আত্মতত্ত্বের জ্ঞানে চিরান্ধ। আলো স্মরণীয় যে; উপমিতপদের আলোচনা প্রধান পৌরাণিক সাহিত্যাদির উপমানপদের আলোচনা, ব্যাখ্যা ও টীকার চাপে শ্বরবিজ্ঞানের মূলশিক্ষা বা বাস্তবশিক্ষা একেবারেই ভূলুণ্ঠিত ও পদদলিত হয়ে পড়েছে। যেমন; “সবে মাত্র একটি খুঁটি, খুঁটির গোড়ায় নাইকো মাটি।” এখানে; উপমিতপদ রূপে ছিল শিশ্ন। এবং শিশ্নের আলোচনাই ছিল মুখ্য। কিন্তু উপমানবাদীরা শিশ্নের আলোচনা পরিত্যাগ করে উক্ত খুঁটি পরিভাষাটির দ্বারা ঘরের অবলম্বন গ্রহণ করেছে। তারা যদি যার যার ঘরের খুঁটি শতবার করে পরিবর্তন করে কিংবা খুঁটির গোড়ায় অনেক উঁচু করে মাটি দেয়, তবুও; বাণীটির মূলশিক্ষা বা উপকার পাওয়া সম্ভব নয়। তেমনই; “স্রাবস্তি ভজনালয়, পূর্ণিমায় সাঁই আসে যায়, মহাযোগ হলে উদয়, হাজার বছর সে সাধনে।”- এমন বাণীর ক্ষেত্রে শতবছর চান্দ্রিক পূর্ণিমা অনুযায়ী সাধন করলেও জগতের প্রতিপালক সাঁইয়ের দর্শনলাভ করা সম্ভব নয়।

দেহতত্ত্ব কেন্দ্রিক শ্বরবিজ্ঞানের মূলশিক্ষা উদ্ঘাটন করতে হলে বা এর দ্বারা উপকার গ্রহণ করতে হলে সাধককে অবশ্যই সৈরিক বা চান্দ্রিক পঞ্জিকার গণনা পরিত্যাগ করে দৈহিক পঞ্জিকার গণনা গ্রহণ করতে হবে। পরিশেষে বলতে চাই পবিত্র বেদ, রামায়ণ, মহাভারত, ত্রিপিটক, তৌরাত, যাবুর, জ্ঞান-সাহেব, কুরান, হাদিস ও তাফসির এমন মহা গ্রন্থাদির মধ্যে ব্যবহৃত প্রায় সব পরিভাষার বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা উপমিত রূপে কেবল মানবদেহে অবস্থিত। কী ব্রহ্মা বলি, কাঁই, ঈশ্বর, স্রষ্টা, আল্লাহ, খোদা, মাবুদ সব পৌরাণিক পরিভাষারই মূল-সত্তা উপমিত রূপে মানবদেহে বিদ্যমান। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণের পরিভাষাগুলোর অভিধাগুলো বাইরে না খোঁজে দেহের ভিতরে খোঁজাই উত্তম। তাদৃশ সৈরিক বা চান্দ্রিক পঞ্জিকা অনুযায়ী সর্বপ্রকার সাধনকর্ম পরিত্যাগ করে কেবল দৈহিক পঞ্জিকা অনুযায়ী সাধনকর্ম বা সাম্প্রদায়িক কর্মগুলো করা সবার একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!