পৃথিবী

৩৩/১. পৃথিবী
World (ওয়ার্ল্ড)/ ‘عالم’ (আলম)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা দেহ। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অশ্ব, গাড়ি, জাহাজ, তরী, বৃক্ষ হাতি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কানন, পাহাড়, বপু, বিপিন, ব্রজ ভুবন এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা দেবালয়, বিশ্ব, মন্দির, রথ, শাস্ত্র স্বর্গালয়

অভিধা (Appellation)
পৃথিবী (বাপৌরূ)বি ধরণী, ধরিত্রী, অবনী, ক্ষিতি, মহী, জগৎ, মেদিনী, বসুমতী, বসুন্ধরা, ভূমণ্ডল, world, ‘عالم’ (আলম) (শ্ববি) দেহ, খাঁচা, ধড়, পিঞ্জর, body, horse, জাসাদ (.ﺠﺴﺪ), বদন (.ﺒﺪﻦ), ফারাস (.ﻔﺮﺱ) (রূপ্রশ) ১. উষ্ট্র, ঘোড়া, নদীয়া, নবদ্বীপ, পাহাড়, ব্রহ্মাণ্ড, হাতি ২. কল্পতরু, কল্পদ্রুম, কল্পবৃক্ষ (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; ভূগোলে সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে বাংলায় ‘পৃথিবী বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানবদেহকে রূপকার্থে ‘পৃথিবী বলা হয় (বাপৌছ) দেবালয়, বিশ্ব, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয় (বাপৌচা) কানন, পাহাড়, বপু, বিপিন, ব্রজ ও ভুবন (বাপৌউ) অশ্ব, গাড়ি, জাহাজ, তরী, বৃক্ষ ও হাতি (বাপৌরূ) পৃথিবী (বাপৌমূ) দেহ।

পৃথিবীর ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of world)
“ত্রিশহরফে কুরান লেখা, কে তা বুঝেছে, হরফের মানে বুঝলে, পৃথিবীর ভেদ পাবে।” (পবিত্র লালন- ৬৯০/২)

পৃথিবীর সংজ্ঞা (Definition of world)
সাধারণত; সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে পৃথিবী বলে।

পৃথিবীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of world)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানব দেহকে রূপকার্থে পৃথিবী বলে।

পৃথিবীর প্রকারভেদ (Variations of world)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে পৃথিবী দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পৃথিবী ও ২. উপমিত পৃথিবী।

. উপমান পৃথিবী (Analogical world)
সাধারণত; সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহকে উপমান পৃথিবী বলে।

. উপমিত পৃথিবী (Compared world)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানব দেহকে উপমিত পৃথিবী বলে।

পৃথিবীর আত্মতাত্ত্বিক পরিচয় (Theological Identity of world)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। বিশ্বের এমন কোনো সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক দর্শন নেই যে পৃথিবী নামক এ পরিভাষাটির ব্যবহার নেই। বলতে গেলে এ বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাটির ব্যবহারই সর্বাধিক। শ্বরবিজ্ঞানে; সর্বদা বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ব্যবহার করে উপমিতপদের আলোচনা করা হয়। সেজন্য; পাঠক শ্রোতাদের উপমিতি জানা প্রয়োজন। এছাড়াও; ‘নরত্বারোপ’ বিদ্যা জানাও অধিক প্রয়োজন। শক্ত করেই বলা যায় সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক দর্শনের গল্প-কাহিনী ও পারম্পরিক সাধক-সাধিকাদের অলৌকিক কার্যাদি জানা ও বুঝার জন্য অবশ্যই উপমিতি’, ‘নরত্বারোপবাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী সম্পর্কে জানা ও বুঝা অতীব প্রয়োজন। উপরোক্ত উপমিতিবিদ্যা দ্বারাই দেহকে পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করে, পৃথিবীকে দেহের উপমানপদ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে; পৃথিবী উপমান এবং দেহ উপমিত পদ। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে; কোথাও কোথাও পৃথিবী সৌরজগতের জ্যোতিষ্ক রূপেও ব্যবহৃত হয়। যেমন; পৃথিবী গোলাকার জানি, দিবানিশি ঘুরে আপনি, তাইতো; হয় দিনরজনী, জ্ঞানীগুণী তা মানে (পবিত্র লালন- ৪৩৭/২)

পৃথিবীর বৈজ্ঞানিক পরিচয় (Scientific identity of the world)
পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী তৃতীয়। এটি; সর্বাপেক্ষা অধিক ঘনত্বযুক্ত। সৌরজগতের ৮টি গ্রহের মধ্যে এটি; পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। এটি; সৌরজগতের ৪টি কঠিন গ্রহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর অন্য নাম ‘বিশ্ব’ বা ‘নীলগ্রহ’। লাতিন ভাষায় এ গ্রহের নাম ‘টেরা’। মানুষসহ কোটি কোটি প্রজাতির আবাস্থল হচ্ছে এ পৃথিবী। পৃথিবীই একমাত্র মহাজাগতিক স্থান- যেখানে জীবের অস্তিত্ব বিদ্যমান। ৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল। তারপর; এক খর্ব (বিলিয়ন) বছরের মধ্যেই জীবের উদ্ভব ঘটে। এর জৈবমণ্ডল এ গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও অন্যান্য অজৈবিক অবস্থাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এরফলে একদিকে যেমন; বায়ুজীবী জীবজগতের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে; অন্যদিকে; তেমনই; মুক্ত-বাতাস (ওজন-স্তর) গঠিত হয়েছে। পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সঙ্গে একযোগে এ মুক্ত-বাতাস স্তরই ক্ষতিকর সৌর বিকিরণের গতিরোধ করে গ্রহের বুকে জীবের বিকাশ ঘটার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে। পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ এবং এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও কক্ষপথ এ যুগে জীবের অস্তিত্ব রক্ষায় সহায়ক হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ৫০ কোটি বছর পৃথিবী জীব বসবাসের উপযোগী অবস্থায় থাকবে।

Billion [বিলিয়ন] (বাপৌমূ)বি লক্ষ কোটি, এক লক্ষ কোটি {}

Ozone [ওযোন] (বাপৌমূ)বি ঘনীভূত অম্লজান, অম্লজানের তীক্ষ্ণ ও সঞ্জীবনী গন্ধযুক্ত ঘনীভূত রূপ, প্রাণসঞ্চারী প্রভাব (কথ্য) মুক্ত বিশুদ্ধ বাতাস {}

পৃথিবীর ওপরিতল একাধিক শক্ত স্তরে বিভক্ত। এগুলোকে টেকটনিক প্লেট বলা হয়। কোটি কোটি বছর ধরে এগুলো পৃথিবীর ওপরিতলে এসে সঞ্চিত হয়েছে। পৃথিবীর ওপরিতলের প্রায় ৭১% ভাগ লবণাক্ত জলের মহাসাগর দ্বারা আবৃত। অবশিষ্টাংশ গঠিত হয়েছে মহাদেশ ও অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে। স্থলভাগেও রয়েছে অজস্র হ্রদ ও জলের অন্যান্য উৎস। এগুলি নিয়েই গঠিত হয়েছে পৃথিবীর জলভাগ। জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় তরণ জল এ গ্রহের ভূত্বকের কোথাও সমভার অবস্থায় পাওয়া যায় না। পৃথিবীর মেরুদ্বয় সর্বদা কঠিন বরফ দ্বারা আবৃত। পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ সর্বদা ক্রিয়াশীল। এ অংশ গঠিত হয়েছে একটি আপেক্ষিকভাবে শক্ত ম্যান্টেলের মোটা স্তর, একটি তরল বহিঃকেন্দ্র এবং একটি শক্ত লৌহ অন্তঃকেন্দ্র নিয়ে। মহাবিশ্বের অন্যান্য বস্তুর সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক বিদ্যমান। বিশেষ করে সূর্য ও চাঁদের সঙ্গে এ গ্রহের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে পৃথিবী নিজ কক্ষপথে মোট ৩৬৫.২৬ সৌরদিন বা এক নক্ষত্র বর্ষে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর ২৩.৪ ডিগ্রি কোণে হেলে রয়েছে। এর ফলে এক বিষুবীয় বছর (৩৬৫.২৪ সৌরদিন) সময়ের মধ্যে এ বিশ্বের বুকে ঋতু পরিবর্তন ঘটে থাকে। পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদ। ৪.৩৫ বিলিয়ন বছর আগে চাঁদ পৃথিবী প্রদক্ষিণ আরম্ভ করেছিল। চাঁদের গতির ফলেই পৃথিবীতে সামুদ্রিক জোয়ার-ভাটা হয়। পৃথিবীর কক্ষের ঢাল সুস্থিত থাকে। চাঁদের গতিই ধীরে ধীরে পৃথিবীর গতিকে হ্রাস করে আনছে। ৩.৮ খর্ব থেকে ৪.১ খর্ব বছরের মধ্যবর্তী সময়ে পরবর্তী মহাসংঘর্ষের সময় একাধিক গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে গ্রহের ওপরিতলের পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল। গ্রহের খনিজ সম্পদ ও জৈব সম্পদ উভয়ই মানবজাতির জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এ গ্রহের অধিবাসীরা প্রায় ২০০টি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে সমগ্র গ্রহটিকে বিভক্ত করে বসবাস করছে। এসব রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক, কুটনৈতিক, পর্যটন, বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক বিদ্যমান। মানব সংস্কৃতি গ্রহ সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণার জন্মদাতা। এসব ধারণার মধ্যে রয়েছে পৃথিবীকে দেবতা রূপে কল্পনা, সমতল বিশ্ব রূপে কল্পনা এবং পৃথিবীকে মহাবিশ্বের কেন্দ্র রূপে কল্পনা। এছাড়াও; একটি সুসংহত পরিবেশ রূপে বিশ্বকে কল্পনা করার আধুনিক প্রবণতাও লক্ষিত হয়। এ ধারণাটি বর্তমানে প্রাধান্যতা অর্জন করেছে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!