প্রত্যাদেশ

১১/০১. প্রত্যাদেশ
Commandment (কমান্ডমান্ট)/ ‘وصية’ (ওয়াসিয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা ইঙ্গিত। এর উপনাম পরিভাষা দৈববাণী, ঐশিবাণী প্রতিভাস। এর চারিত্রিক গীর্বাণ, বলন সুবোল এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অবতার, ঐশিদূত দীপন

অভিধা (Appellation)
প্রত্যাদেশ (বাপৌরূ)বি ইঙ্গিত, ঐশিবাণী, দৈববাণী, দীপন, স্বর্গীয় বাণী, স্বর্গ হতে প্রেরিত ইঙ্গিত, অদৃশ্য দেবতাগণের ইঙ্গিত, চিহ্ন, লক্ষণ, সঙ্কেত, commandment, ‘وصية’ (ওয়াসিয়া), voidance, ‘وحي’ (ওয়াহিয়া), wink (পরি) আত্মদর্শন কার্যকলাপ সম্বন্ধীয় রূপক অমূল্যবাণী, প্রকৃতির চিরাচরিত নিয়মাবলী, মানবদেহ হতে প্রকাশিত শুভাশুভ লক্ষণ (প্র) . বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; দৈববাণী বিশেষ ২. ইসলামী পুরাণ অনুসারে; স্রষ্টার পক্ষ থেকে প্রেরিত ঐশিবাণী বিশেষ (শ্ববি) ইঙ্গিত, কম্পন, স্পন্ধন, সঙ্কেত (ইপ) অহি (.ﻮﺤﻰ), খবর (. ﺨﺑﺮ) (বাদে) গীর্বাণ, গীষ্পতি (ইংপ) orator, speaker (ইপৌচা) জিব্রাইল (.ﺠﺑﺮﺍﺌﻴﻞ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; সর্ব প্রকার আদেশ-উপদেশকে বাংলায় ‘প্রত্যাদেশ বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, আত্মদর্শন বিষয়ক মরমী বাণীকে রূপকার্থে ‘প্রত্যাদেশ বলা হয় (বাপৌছ) অবতার, ঐশিদূত ও দীপন (বাপৌচা) গীর্বাণ, বলন ও সুবোল (বাপৌউ) ঐশিবাণী, দৈববাণী ও প্রতিভাস (বাপৌরূ) প্রত্যাদেশ (বাপৌমূ) ইঙ্গিত {বাং. প্রতি+ বাং. আদেশ>}

প্রত্যাদেশের সংজ্ঞা (Definition of commandment)
সাধারণত; সর্ব প্রকার আদেশ-উপদেশকে প্রত্যাদেশ বলে।

প্রত্যাদেশের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of commandment)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, আত্মদর্শন বিষয়ক মরমী বাণীকে রূপকার্থে প্রত্যাদেশ বলে।

প্রত্যাদেশের প্রকারভেদ (Variations of commandment)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; প্রত্যাদেশ দুই প্রকার। যথা; ১. মৌখিক প্রত্যাদেশ ও ২. লিখিত প্রত্যাদেশ।

. মৌখিক প্রত্যাদেশ (Oral commandment)
মহামানব বা মহামনীষীগণ বিশ্ববাসীর কল্যাণার্থে রূপকার্থে যেসব উপদেশবাণী প্রকাশ করেন তাকে মৌখিক প্রত্যাদেশ বলে।

. লিখিত প্রত্যাদেশ (Written commandment)
জগদ্বিখ্যাত মহামনীষীগণ বিশ্ববাসীর কল্যাণার্থে রূপকার্থে যেসব মহামূল্যবাণ মহাগ্রন্থ প্রণয়ন করেন তাকেই লিখিত প্রত্যাদেশ বলে। যেমন; বেদ, ত্রিপিটক, বাইবেল, তোরাহ, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান ও লালন ইত্যাদি। আবার আগমনের দিক দিয়ে প্রত্যাদেশ চার প্রকার। যথা; ১. শ্বসনীয় প্রত্যাদেশ ২. কম্পনশীল প্রত্যাদেশ ৩. ভাবগত প্রত্যাদেশ ও ৪. ইঙ্গিতবাহী প্রত্যাদেশ।

. শ্বসনীয় প্রত্যাদেশ (Respirable commandment)
ডান ও বাম শ্বাসের মাধ্যমে মহামানবগণের নিকট আগত দৈব সঙ্কেতকে শ্বসনীয় প্রত্যাদেশ বলে।

. কম্পনশীল প্রত্যাদেশ (Quaky commandment)
শরীরের বিভিন্ন স্থানে কম্পনের মাধ্যমে প্রকাশিত দৈব সঙ্কেতকে কম্পনশীল প্রত্যাদেশ বলে।

. ভাবগত প্রত্যাদেশ (Ideologic commandment)
ভাব বা চিন্তা আকারে চিত্তপটে আবির্ভূত দৈবসঙ্কেতকে ভাবগত প্রত্যাদেশ বলে।

. ইঙ্গিতবাহী প্রত্যাদেশ (Ideologic commandment)
প্রেরকযন্ত্রের সাহায্যে প্রেরিত বেতারতরঙ্গকে ইঙ্গিতবাহী প্রত্যাদেশ বলে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, প্রত্যাদেশ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান প্রত্যাদেশ ও ২. উপমিত প্রত্যাদেশ।

. উপমান প্রত্যাদেশ (Analogical commandment)
সাধারণত; সর্ব প্রকার আদেশ-উপদেশকে উপমান প্রত্যাদেশ বলে।

. উপমিত প্রত্যাদেশ (Compared commandment)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, আত্মদর্শন বিষয়ক মরমী বাণীকে রূপকার্থে উপমিত প্রত্যাদেশ বলে।

প্রত্যাদেশ ভাষা নাকি ইঙ্গিত রূপে প্রকাশিত হয়? (Commandment language or as indication is published?)
সর্বপ্রথম প্রত্যাদেশ মহামানবগণের নিকট ইঙ্গিত আকারে প্রকাশিত হয়। অতঃপর; অক্ষর ও শব্দযোগে বাক্যাকারে লিপিবদ্ধ করার পর; সে প্রত্যাদেশই ভাষায় রূপান্তরিত হয়। প্রথমে শ্বসনীয়, কম্পনশীল ও ভাবগত এ তিন প্রকার ইঙ্গিত রূপে প্রত্যাদেশ স্বর্গধাম হতে মর্ত্যধামের মহামানব বা দেবতাগণের নিকট প্রকাশিত হয়। তারমধ্যে; শুধু ভাবকে ভাষায় প্রকাশ করা হয়। যাকে বলা হয় শিক্ষাদীক্ষা। কিন্তু শ্বসনীয় ও কম্পনশীল প্রত্যাদেশ অব্যক্ত রাখা হয়। যাকে বলা হয় ভেদ। ভেদ একমাত্র গুরু-শিষ্য পরম্পরার দ্বারা পরিচালিত হয়। কিন্তু ভাবগত প্রত্যাদেশকে গ্রন্থে লিখে প্রকাশ করা হয়। যেমন; বলন কাঁইজি বলেছেন;

ডুব না জেনে ডুব দিতে গিয়ে
            কত জনা প্রাণ হারায়
প্রেম-যমুনায় নাইতে গিয়ে
ডুবে মরিল ডাঙ্গায়।

গ্রন্থে যার নাই নিদর্শনা
অরসিকে ভেদ জানে না
ভেদের কথা কইতে মানা
শিষ্য বিনা অশিষ্যায়।

নিঠাঁইয়েতে সাঁই পাড়িতে
কত ভরা ডুবে ডাঙ্গাতে
কেহ কেহ পায় সামান্যেতে
বিশ্বাসী গুরুর কৃপায়।

জলের মাঝে রয় অজলা
অথৈ জলে লীলাখেলা
সুরসিকে মিলায় মেলা
ভাবিয়া কয় বলন তাই।”

ভাবগত প্রত্যাদেশকে ভাষায় রূপান্তরিত করা হয়। কিন্তু; শ্বসনীয় ও কম্পনশীল প্রত্যাদেশকে ভাষায় রূপান্তরিত করা হয় না। বরং; তা অব্যক্ত রাখা হয়। কারণ; শ্বসনীয় ও কম্পনশীল প্রত্যাদেশের মাধ্যমে সাধকের নিকট অগ্রিম সংবাদাদি প্রকাশিত হয়। শ্বসনীয় ও কম্পনশীল প্রত্যাদেশ দ্বারাই সাধক জানতে পারে চলমান গাড়িটি কোনো দুর্ঘটনা কবলিত হবে কী না? লোকটির বৃত্তিটি হবে কী না? রোগীটি মারা যাবে কী না? মহামানবগণ প্রাপ্ত প্রত্যাদেশের তিনভাগের একভাগ প্রকাশ করেন। অবশিষ্ট দুইভাগ নিজের নিকট অব্যক্ত রূপে সঞ্চিত রাখেন। অবশেষে; সাধকগণ তাদের প্রয়াণপূর্ব মুহূর্তে নিকটতম শিষ্য বা আপনজনদের তা শিক্ষা দিয়ে যান। পরিশেষে বলতে হয়; প্রত্যাদেশ যার যার নিজের মধ্যেই উৎপত্তি হয়। নিজের অঙ্গ-প্রত্যাঙ্গ বা ইন্দ্রিয়াদির দ্বারাই তা অনুভূত হয়। এটি; আত্মতত্ত্বের বাইরের কোনো বিষয়বস্তু নয়। অধিকাংশ সাম্প্রদায়িক প্রায়সই ভেবে থাকে যে; অলক্ষে অবস্থানকারী স্রষ্টাই হয়তো মহামানবগণের নিকট এ প্রত্যাদেশগুলো প্রেরণ করেন। প্রকৃত বিষয় হলো; পারম্পরিক স্রষ্টা সর্বদাই মানবদেহেই অবস্থান করেন। এজন্য; প্রত্যেক ব্যক্তি কিংবা প্রত্যেক মহামানবই কেবল মানবদেহের মধ্য হতেই প্রত্যাদেশ প্রাপ্ত হয়।

প্রত্যাদেশের গুণাগুণ (Attributes of commandment)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞান ও বাঙালী পুরাণ অনুসারে; প্রত্যাদেশের প্রধান গুণ চারটি। যথা;
১.    প্রত্যাদেশ অবশ্যই রূপক হতে হবে।
২.   প্রত্যাদেশ অবশ্যই আত্মদর্শন ভিত্তিক হতে হবে।
৩.   প্রত্যাদেশগুলো বিশ্ববাসীর কল্যাণমূলক হতে হবে।
৪.   প্রত্যাদেশগুলো সার্বজনীন ও সর্বকালীন হতে হবে।

প্রত্যাদেশের পরিচয় (Identity of commandment)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। কিছু কিছু সাম্প্রদায়িক মনীষীর মতে; স্বর্গীয় ইঙ্গিতকে প্রত্যাদেশ বলা হয়। সব সময় সব মানুষের নিকট প্রত্যাদেশ অবতারিত হতে থাকে। তবে; যারা পরম্পরা জ্ঞানধারী কোনো পাকা আধ্যাত্মিক গুরুর সংস্পর্শে অবস্থান করে; পরাবিদ্যা বা শ্বরবিজ্ঞান অর্জন করেছে তারাই সূক্ষ্ম প্রত্যাদেশগুলো অনুধাবন করতে পারে। যেমন; দিনরাত্র সর্বদাই বেতারকেন্দ্র হতে বেতারতরঙ্গ সম্প্রচারিত হতে থাকে। কিন্তু যাদের বেতারযন্ত্রটি সচল রয়েছে তারাই সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানমালা শুনতে/ দেখতে পায়। অন্যদিকে; যাদের বেতারযন্ত্র বিকল তারা বেতারকেন্দ্র হতে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানমালা শুনতে/ দেখতে পায় না। কেবল পাকা সাধক ভিন্ন সাধারণ মানুষ প্রত্যাদেশ অনুধাবন করতে পারে না। প্রত্যাদেশ দ্বারা অনেক মনীষী অদূর ভবিষ্যৎ ব্যাপারে কিছু কিছু প্রকাশ করে। যাকে সাধারণ মানুষ ভবিষ্যদ্বাণী বলে থাকে। অন্যদিকে; বড় আশ্চর্য হবার বিষয় হলো; সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, বৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা পুরাণে বর্ণিত প্রত্যাদেশ পরিভাষাটির দ্বারা কল্পিত ও অজানা স্বর্গীয় বাণীকেই বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীরা চিরদিনের জন্য আধ্যাত্মিক জ্ঞানে চির অন্ধ। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের যারা এখনও প্রত্যাদেশ পরিভাষাটির অর্থ ও ব্যাখ্যাই ভালোভাবে জানে না ও বুঝে না। তারা সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ বুঝবে কিভাবে?

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!