বরুণ

১৬/১১. বরুণ
Oceanus (ওসেনাস)/ ‘أسنوس’ (আসানুস)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কানাই পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা যোনি। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা কানাই। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা রজকিনী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখি ও  প্রস্তর। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বৃত্র, মাধাইহিবাচী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব, ব্রজপুর, মরারাক্ষস

অভিধা (Appellation)
বরুণ (বাপৌচা)বিণ আবরণ, আবৃতকারী, oceanus, ‘أسنوس’ (আসানুস) (প্র) বাঙালী পুরাণের বর্ণনা মতে; প্রচেতাঃ, সমুদ্রের অধিপতি, জলের দেবতা (শ্ববি) যোনি, sex, vagina, ফারজ (.ﻔﺮﺝ) (রূপ্রশ) কানাই, অযোধ্যা, গণ্ডগ্রাম, গোকুল, গোষ্ঠ, চুলা, নাগিনী, নৌকা, পাথর, ব্রজ, রজকিনী, স্রাবস্তী, হিবাচী (ইংপ) destroyer, origin (ইপ) মক্কা (.ﻤﻜﺔ) (ইদে) দাজ্জাল (.ﺪﺟﺎﻞ), হামান (.ﻫﺎﻤﺎﻦ), হারুত (.ﻫﺎﺭﻮﺓ), হেরা (ﺤﺭﺍ), হাজরে আসুদ (حجر أسود) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কানাই পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; বাঙালী পুরাণে জলরাশির দেবতাকে বরুণ বলা হয় . ভারতীয় শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, যোনিকে রূপকার্থে বরুণ বলা হয় (বাপৌছ) কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব, ব্রজপুর, মরা ও রাক্ষস (বাপৌচা) অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বরুণ, বৃত্র, মাধাই ও হিবাচী (বাপৌউ) অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখি ও  প্রস্তর (বাপৌরূ) রজকিনী (বাপৌমূ) কানাই Jস্ত্রী বরুণানী।

Oceanus [ওসেনাস] (GMP)n জলদেবতা, সাগর ও নদীর জলরাশির দেবতা, (Greek mythology) god of the stream that flowed around the earth in ancient mythology, ‘أسنوس’ (আসানুস) {}

বরুণের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of oceanus)
১.   “উতারিল তারে কোন পিয়ালা, জানা উচিত হয় নিরালা, অরুণ বরুণ জ্যোতি-জ্বালা, কোন যোগে সার্থক করে।” (পবিত্র লালন- ৫৩০/৩)
২.   “অমাবস্যা পর পূর্ণমাসী, তাতে মহাযোগ প্রকাশি, ইন্দ্রচাঁদ বাও বরুণাদি, সে যোগ বাঞ্ছা করে, তাই ভেবে লালন কয়, মানুষ সাধনার প্রমাণরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/৪)
৩.   ”অরুণ বরুণ বায়ু ক্ষিতি, এ চার রসে নিষ্ঠারতী, সে রসে জ্বালাও বাতি, ত্রি-সন্ধ্যা বারোমাস।” (পবিত্র লালন- ২৭৫/৩)

বরুণের সংজ্ঞা (Definition of Oceanus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; জলরাশির দেবতাকে রূপকার্থে বরুণ বলে।

বরুণের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of Oceanus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যোনিকে আবরণ বা বরুণ বলে।

বরুণের প্রকারভেদ (Variations of Oceanus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বরুণ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান বরুণ ও ২. উপমিত বরুণ।

. উপমান বরুণ (Analogical Oceanus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, জলরাশির দেবতাকে উপমান বরুণ বলে।

. উপমিত বরুণ (Compared Oceanus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যোনিকে উপমিত বরুণ বলে।

বরুণের পরিচয় (Identity of Oceanus)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কানাই পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; বাঙালী পৌরাণিক মনীষীগণ জলাধিপতিকে বরুণ বলে থাকেন। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে; যোনিকে বরুণ বলা হয়। বরুণ পরিভাষাটি; বাংলা আবরণ এর সংক্ষিপ্ত রূপ বিশেষ। অর্থাৎ; আবরণ হতে ‘আ’ ফেলে দিয়ে এর চিহ্নস্বরূপ ‘র’ বর্ণে ( ু) হ্রস্বুকার যুক্ত করেই আবরণ হতে ‘বরুণ’ পরিভাষাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। মৈথুনের সময়ে বরুণ শিশ্নকে আবরণ রূপে গলদকরণ বা আবেষ্টন করে। তাই; যোনির এমন নামকরণ করা হয়েছে।

প্রপক (Extensive)
বরুণ ঋষিদের একজন প্রধান দেবতা। তিনি দশ দিকপালের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও একজন লোকপাল। তিনি জলের দেবতা নামে খ্যাত। সূর্য তার নেত্র, সুবর্ণময় তাঁর রথ ও  প্রাসাদ। তাঁর অসংখ্য অনুচর ছিল। তিনি বারুণী নামে সুরা পান করতেন। এ সুরা সমুদ্র মন্থন হতে উত্তোলিত হতো। বেদে বরুণ সহস্র লোচন বলে কথিত আছে। বেদে অনেক স্থানে মিত্র ও বরুণ একত্রে মিত্রাবরুণ নামে পূজিত হয়েছে। মিত্র ছিলেন আলোকের দেবতা। বরুণ অর্থাৎ; আবরণ বা আবৃত করা। আবরণকারী আকাশকে আর্যরা বরুণ নামে পূজা করতো। ঋকবেদে ঋষিরা আকাশকে সমুদ্রের সঙ্গে কল্পনা করে জলময় মনে করতো। এজন্য; তারা ঋকবেদে আকাশ ও সমুদ্রের মিলন রেখাতেও বরুণের অবস্থিতি কল্পনা করে। বরুণ সূর্যের গমনের পথ বিস্তার করেন। তাঁর সহস্র ওষধি আছে। তিনি যমের ন্যায় পাপ পুণ্যের বিচারকর্তা। তিনি ধনাধিকারী, জলবিন্দুর মতো শ্বেতবর্ণ, গৌর মৃগের মতো বলবান। তিনি বৃষ্টি দ্বারা পৃথিবী, অন্তরীক্ষ ও স্বর্গকে আর্দ্র করেছেন। ঋষিরা প্রকৃতির বিস্ময়কর কার্য পরম্পরা দেখে বরুণ ও ইন্দ্র প্রমুখকে স্বতন্ত্র কল্পনা করেছিল। কিন্তু পরে তাঁদের ঐক্য দেখে ঈশ্বরের একত্ব অনুভব করে। এ একত্বের জন্য মিত্র ও বরুণের নাম পার্থক্য জগতের ভিন্ন ভিন্ন মঙ্গলজনক কাজ সম্পাদন করে। মহাভারতে লিখিত আছে; বরুণ কর্দম ঋষির পুত্র ও পুষ্করের পিতা। প্রায় একই সময়ে ঊর্বশীর কামনায় মিত্রাবরুণ এক কুম্ভ মধ্যে শুক্রপাত করেন। এ শক্তিপূর্ণ শুক্র নিক্ষিপ্ত কুম্ভ হতে প্রথমে অগস্ত্য ও কিছুকাল পরে বশিষ্টের জন্ম হয়। খাণ্ডববন দাহনের সময় অগ্নিকে সাহায্য করার জন্য; বরুণ অর্জুনকে চক্র প্রদত্ত গাণ্ডীব (ধনু), দুটি অক্ষয় তূণীর ও কপিধ্বজ রথ এবং কৃষ্ণকে একটি চক্র ও কৌমোদকী নামে গদা প্রদান করেন। মহাভারতে আরও বর্ণিত আছে; বরুণ চন্দ্রের কন্যা ও উতথ্যের স্ত্রী ভদ্রার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে হরণ করেন। তিনি বিশেষভাবে অনুরুদ্ধ হয়েও ভদ্রাকে ফিরিয়ে না দেওয়ায় মহর্ষি উতথ্য সব জলরাশি পান করে ফেলেন। তখন বরুণ মহাভীত হয়ে ভদ্রাকে ফিরিয়ে দেন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!