বসিধ

৮১/১০. বসিধ
Prophet (প্রফেট)/ ‘نبي’ (নবি)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা রজ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা জোয়ার। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অরুণ, নক্ষত্র, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষবসিধ, সরস্বতী ধর্মপ্রচারক

অভিধা (Appellation)
বসিধ (বাপৌচা)বি অবতার, দূত, চর, বাহক, সাংবাদিক, সারথি, prophet, ‘نبي’ (নবি) messenger (প্রাঅ) দৈবদূত, বার্তাবাহক, দৈববাণী বহনকারী (শ্ববি) যৌবনাবতার, যৌবনের সংবাদদাতা (রূপ্রশ) বসিধ, ঘটক, দম্বল, সারথি (ব্য্য) অরজা কুমারীদের যৌবনের সংবাদ নিয়ে আসে বলে শ্বরবিজ্ঞানে রজকে সাংবাদিক বা বসিধ বলা হয় (প্র) শ্বরবিজ্ঞানীদের মতে; স্বর্গীয় বাণীসহ প্রেরিত ঐশি মহাপুরুষ (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা). যে কোনো দূতকেই বসিধ বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; রজকে বসিধ বলা হয় (বাপৌছ) আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষবসিধ ও সরস্বতী (বাপৌচা) অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা (বাপৌউ) গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল (বাপৌরূ) জোয়ার (বাপৌমূ) রজ।

বসিধের সংজ্ঞা (Definition of prophet)
সাধারণত; যে কোনো দূতকেই বসিধ বলে।

বসিধের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of prophet)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজকে বসিধ বলে।

বসিধের প্রকারভেদ (Variations of prophet)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বসিধ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান বসিধ ও ২. উপমিত বসিধ।

. উপমান বসিধ (Analogical prophet)
সাধারণত; যে কোনো দূতকেই উপমান বসিধ বলে।

. উপমিত বসিধ (Compared prophet)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজকে উপমিত বসিধ বলে।

বসিধের পরিচয় (Identity of prophet)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।

শ্বরবিজ্ঞানে; সর্বপ্রকার স্বর্গীয় অবতারকেই বসিধ বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল রজকেই বসিধ বলা হয়েছে। যেমন;  নরদেহে সর্বশেষে দাড়ি অবতরণ করে; তেমনই; নারীদেহে সর্বশেষে রজ অবতরণ করে। এজন্য; রজের উক্তি হলো “আমি সর্বশেষ বসিধ এবং আমার পরে কোনো বসিধ নেই।” এর ব্যাখ্যা হলো; “আমি নারীদেহের জন্য সর্বশেষ বাহ্যিক বসিধ এবং আমার পরে আর কোনো বসিধ নেই।” বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে বলা প্রয়োজন। যেমন; কিশোর দেহে পর্যায়ক্রমে চুল, গোঁফ ও দাড়ি উদ্গত হয়; তেমনই; কিশোরী দেহেও চুল, স্ফীতাঙ্গ ও রজ আগমন করে। এ সূত্র হতে দাড়ি যুবকদের সর্বশেষ স্বর্গীয় বসিধ এবং রজ যুবতীদের জন্য সর্বশেষ স্বর্গীয় বসিধ। নরদেহকে বলা হয় অর্ধাঙ্গ এবং নারীদেহকে বলা হয় অর্ধাঙ্গী। আধা অঙ্গ ও আধা অঙ্গ মিলেই পূর্ণাঙ্গ মানুষ হয়। বিশ্বের অধিকাংশ পারম্পরিক মনীষীর মতে; সাঁই নারীদেহের সর্বশেষ দেবতা। নারীদেহ নিয়ে আলোচনা করলে সাধারণ পাঠককুল বা শ্রোতামণ্ডলী মন্দ বলতে পারেন। এজন্য; সাধারণত; আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ মানবদেহকে সম্বোধন করেই বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত সব বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার আলোচনা উপস্থাপন করে থাকেন। সাঁই রমণী দেহের সর্বশেষ দেবতা। এজন্য; এখানে; নারীদেহ নিয়ে আলোচনা করা ভিন্ন অন্য কোনো উপায় নেই।

সমীক্ষার জন্য আমরা একটি কন্যাসন্তান নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করতে চেষ্টা করছি। কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সর্বপ্রথম নাসিকাযোগে তার শ্বসনক্রিয়া আরম্ভ হয়। তারপর; মন সক্রিয় হয়। অতঃপর; পান-ভোজনের জন্য সক্রিয় হয় মুখ কিন্তু তখনও তার অন্যান্য ইন্দ্রিয়াদি সচল হয় না। ইন্দ্রিয়াদি সচল হওয়া বলতে ইন্দ্রিয়াদির সার্থক ব্যবহার করা বুঝানো হয়েছে। অতঃপর; কন্যাশিশুটি পর্যাক্রমে কান দ্বারা শোনে, চোখ দ্বারা দেখে ও হাত দ্বারা কোনকিছু ধরা আরম্ভ করে। প্রায় ছয়মাস হতে একবছর বয়সের মধ্যে তার প্রথম দাঁত উদ্গত হয়। এভাবে ইন্দ্রিয়াদি সক্রিয় হওয়াকে শ্বরবিজ্ঞানে একেকটি ঐশি দেবতার অবতরণ করা বলা হয়। এক হতে দুই বছরের মধ্যে শিশুটির পা ক্রমে ক্রমে সচল হতে থাকে। তখন সে একপা দু’পা করে হাঁটতে আরম্ভ করে। ক্রমে ক্রমে দেহটিও সুগঠিত হতে থাকে। অতঃপর; ৪ হতে ৭ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম দাঁতগুলো ক্রমে ক্রমে পড়ে গিয়ে দ্বিতীয় দাঁত উদ্গত হয়। ৭ হতে ১২ বছর বয়সের মধ্যে তার কোটিদেশও মোটাসোটা হতে থাকে। সাথে সাথে তার বুকের মাংসপেশী স্ফীত হয়ে স্ফীতাঙ্গ আকারে প্রকাশিত হতে থাকে।

দেহের বাহ্যিক সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুগঠিত হওয়ার পর কোনো এক শুভক্ষণে সর্বশেষ বাহ্যিক স্বর্গীয় অবতার রজ আগমন হয়। হিন্দু শ্বরবিজ্ঞানীগণ একে সরস্বতী এবং মুসলমান শ্বরবিজ্ঞানীগণ একে হাওয়া (ﺤﻮﺍﺀ) বলে অভিহিত করে থাকেন। এ রজই বিশ্বের সর্বপ্রকার শ্বরবিজ্ঞানের আদিমাতা। আবার এ রজকেই রূপক চরিত্রাকারে হিন্দুরা নারদ, মুসলমানরা আরবি ভাষায় নবি (نبي) এবং ফার্সিভাষায় পয়গাম্বর (ﭙﻴﻐﻤﺒﺮ) বলে থাকেন। বাংলাভাষায় একে ‘বসিধ বলা হয়। এ ঐশি দেবতা আগমন করে কৈশোরকালকে হত্যা করে কিশোরীকে যুবতীতে পরিণত করে থাকে। যারফলে; রমণীদের শুভযৌবনকাল আরম্ভ হয়। উপরোক্ত আলোচনা হতে বাহ্যিকভাবে দেখা যায় রমণীদেহে বসিধই সর্বশেষ ঐশি দেবতা। এটি;ই মুসলমান ঘরানার সর্বসম্মত অভিমত। এটাই মুসলমানদের সর্বশেষ স্তর। স্থূলভাবে আবার অনেকে এটাকে শরিয়তের সর্বশেষ স্তরও বলে থাকেন। এ বসিধের বক্তব্য হলো; “ﺍﻨﺎ ﺨﺎﺘﻡ ﺍﻟنبي ﻮ ﻻ نبي ﺒﻌﺿﻰ” উচ্চারণ; “আনা খাতামান নাবি ওয়া লা নাবিয়া বাদি” অর্থ; “আমিই সর্বশেষ বসিধ এবং আমার পরে কোনো বসিধ নেই।” বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বললে বলতে হয় “ﻘﺎﻞ ﺍﻟﺤﻴﺾ ﺍﻨﺎ ﺨﺎﺗﻢ ﺍﻟنبي ﻟﺠﺴﻢ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﻮ ﻻ نبي ﺒﻌﺿﻰ” উচ্চারণ; “কালাল হায়িজু আনা খাতামান নাবি লিজিসমিন নিসায়ি, ওয়া লা নাবিয়া বাদি” অর্থ; “রজ বলে যে; আমি নারীদেহে সর্বশেষে বসিধ এবং আমার পরে কোনো বসিধ নেই।” আরও বিস্তারিত জানার জন্য অত্র গ্রন্থের ৫ম খণ্ডের ঘোষক শিরোনাম পড়ে দেখুন।

পক্ষান্তরে; দেহতাত্ত্বিক, আত্মজ্ঞানী ও পারম্পরিক মহান মনীষীগণ বসিধকে সর্বশেষ স্বর্গীয় অবতার বলে কখনই স্বীকার করেন না। তাঁরা বলেন যে; বসিধ সাম্প্রদায়িকদের সর্বশেষ দেবতা হতে পারেন কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানীদের সর্বশেষ স্বর্গীয় অবতার হলেন সাঁই। কারণ; বসিধ আগমন করে যার আগমনের সুসংবাদ প্রদান করেন তিনিই হলেন সাঁই। তাঁরা আরও বলেন যে “বসিধ একজন স্বর্গীয় সাংবাদিক। তিনি কারো সংবাদ বহন করে না আনলে তাঁকে সাংবাদিক বলাও অনর্থক বৈ নয়।” তাঁদের মতে; বসিধ আগমন করে তিনদিন অবস্থানের পর তার নিগমন করার পরবর্তীপ্রহরেই সাঁই আগমন করে থাকেন। উল্লেখ্য যে; কাঁই সবার আগে অবতরণ করেন। সেজনই তো কাঁইকে আদি বা অগ্রজ বলা হয়। চরম বাস্তবতা হলো মানবদেহে সর্বশেষে আগমনকারী তিনজন দেবতার মধ্যে কাঁই সবার আগে অবতরণ করেন। তারপর; বসিধ অবতরণ করেন। অতঃপর; সর্বশেষে সাঁই অবতরণ করে থাকেন। এ হতেই সারাবিশ্বের আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ সাঁইকে সর্বশেষ দেবতা বলে থাকেন।

পক্ষান্তরে; বড় মজার বিষয় হলো মুসলমানরা এসব চরম বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে কেবল অনুমান ও অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত এবং চরম মনগড়া জ্যোতির্ময় এক বসিধ উদ্ভাবন করেছেন। এটা নিয়েই তারা বর্তমানে বহু দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের একদল বলেন; “বসিধ জ্যোতির সৃষ্টি”, আরেক দল বলেন; “বসিধ মাটির সৃষ্টি”, আরেক দল বলেন; “বসিধ হলো আদিরস”। তবে; বাউল, নাড়া, মরমী ও আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ বলেন; “বসিধ হলো রজ।” অন্যদিকে; হিন্দুরা বসিধকে সরস্বতী বা আদ্যাশক্তি বলে থাকেন। বর্তমানে তারা সরস্বতী পূজাও করে থাকেন। পরিষ্কার কথা হলো বসিধ হলো স্বয়ং রজ এবং রজ হলো নারীদের বাহ্যিক সর্বশেষ স্বর্গীয় অবতার। এর পরে আর কোনো ঐশি দেবতা নারীদেহ অবতরণ করেন না। পরিশেষে বলা যায়; বসিধ হলেন সাম্প্রদায়িকদের সর্বশেষ স্বর্গীয় অবতার কিন্তু সাঁই হলেন শ্বরবিজ্ঞানীদের সর্বশেষ স্বর্গীয় অবতার। বসিধ হলেন বাহ্যিক সর্বশেষ ঐশিদূত কিন্তু সাঁই হলেন গুপ্ত সর্বশেষ ঐশিদূত। বসিধ প্রকৃতির কারণেই অবতীর্ণ হয়ন কিন্তু সাঁইকে সাধনবলে আহরণ করতে হয়। তবে; সাঁইকে যখন আহরণ করা হয় তখন তাকে আর সাঁই বলা যায় না বরং তখন তাঁকে বলতে ‘অমির’।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!