বিশ্ব

৩৩/১৪. বিশ্ব
Microcosm (মাইক্রৌকজম)/ ‘مصغرا’ (মুসাগারাং)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা দেহ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা পৃথিবী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অশ্ব, গাড়ি, জাহাজ, তরী, বৃক্ষ হাতি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কানন, পাহাড়, বপু, বিপিন, ব্রজ ভুবন এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা দেবালয়, মন্দির, রথ, শাস্ত্র স্বর্গালয়

অভিধা (Appellation)
বিশ্ব (বাপৌছ)বি জগৎ, ব্রহ্মাণ্ড, চরাচর, ধরাধাম, microcosm, ‘مصغرا’ (মুসাগারাং) (শ্ববি) দেহ, খাঁচা, ধড়, পিঞ্জর, body, জাসাদ (.ﺠﺴﺪ), বদন (.ﺒﺪﻦ), chariot, ‘عربة’ (আরেবা) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; সমস্ত সৃষ্টিজগৎকে বিশ্ব বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানুষের স্থূল দেহকে রূপকার্থে বিশ্ব বলা হয় (বাপৌছ) দেবালয়, বিশ্ব, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয় (বাপৌচা) কানন, পাহাড়, বপু, বিপিন, ব্রজ ও ভুবন (বাপৌউ) অশ্ব, গাড়ি, জাহাজ, তরী, বৃক্ষ ও হাতি (বাপৌরূ) পৃথিবী (বাপৌমূ) দেহ।

বিশ্বের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of microcosm)
১.   “একটা মাটির বোমে বিশ্বটাকে করিবে খানখান, ওরে পাগল-মন, আগে থেকে থাকিও সাবধান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৬)
২.   “একদিন এ বিশ্ব-ভূবন করিবে খানখান, প্রভু মহীয়ান ছাড়রে মন জাতির গৌরব মান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৭)
৩.   “এক মিযানে বিশ্ব মাপন করছে সাঁই গোপনে, মিছে করি জাতি দ্বন্দ্ব যাই আসি সব একখানে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৪)
৪.   “এক সুন্দরী বিশ্ব পরে বেশ্যা রূপে ঘুরেফিরে, বলো সে সুন্দরীর কী নাম, গুরুর চরণে প্রণাম।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৫)
৫.   “চাঁদ হয়েছে চাঁদে উদয়, চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহণ, চাঁদেই বিশ্ব জ্যোতির্ময়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৬.   “আপনি গুরু আপনি শিষ্য, যিনি মনিব তিনি দাস্য, সৃজন করে সারা বিশ্ব, বাস করে সে এ সংসারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৬)
৭.   “আল্লাহ আল্লাহ কয়জন বলে, এ বিশ্ব ভূমণ্ডলে, ঈশ্বর গড কেন বলে, ভূপতি এক আল্লাহ হলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৫)
৮.   “কোমল কোঠা গোলক ধামে- রক্তিমা রঙ বৃষ্টি নামে, পূর্ণিমার প্রথমে আনাগোনা- বলন কয় বিশ্ব ঘুরে- বসে থাকে নিতাইপুরে, অটল বিনা পায় না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৩)
৯.   “চৌদ্দপায়ে বিশ্ব ঘুরে উনিশজনা সহচর, দশনরের সঙ্গে মিলন করে একসঙ্গে বরাবর, তেড়ে মারে তিনশত ষাট নর, সারা জগৎ তার সুনাম।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৫)
১০. “তিন পাগলে বিশ্ব গঠন ইন্দ্রিয় মন ও জ্ঞান, ও তার কে সাধু কে সন্ন্যাসী কেবা হয় যবন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৯)
১১.  “দু’জনে করে যুগল মিলন, সৃজন করে এ বিশ্ব ভুবন, ভাবিয়া কয় কাঁইজি বলন, সেই নারীর বড় ছলনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৫)
১২.  “দুই পাহাড়ের মধ্যখানে, সাঁইয়ের গোপন পূজাঘর, অষ্টজনে কাঁধে করে, বহে সারা বিশ্ব ’পর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৩)
১৩. “দেহ আত্মা মন ধন, মন হয় মানুষ-রতন, মনের চেয়ে নাই বড় ধন, বিশ্ব চলে মনের ’পরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৪)
১৪. “বড় জানতে বাসনা মনে, শুধাই কার কাছে, এ বিশ্ব গড়িয়া কাঁই, কোনখানেতে লুকাইছে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৩)
১৫. “‘ব’ তে বলাই নারদটিকি, ‘ল’ ললনা লীলাবতী, ‘ন’ নিরঞ্জন বিশ্বপতি, বিশ্বজুড়ে রয় বলন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯৬)
১৬.  “পাঁচ খুঁটা বাহান্ন পণ্যার, সংযোগ তেতারে তার, দুইজনে কাঁধে করে, বহে সারা বিশ্ব ’পর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪২)
১৭. “বিশ্বকর্মার সমান আচার, একনালে করেন বিচার, হিন্দু বৌদ্ধ ভদ্র সবার, জন্ম ধুলায় মিশে ধুলায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬০)
১৮. “বিশ্বজুড়ে কতশত জাতি, কত কী নামে ডাকাডাকি, প্রভু বিশ্বময়– ভাবেতে রয়, মুখে ডেকে না মিলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৫)
১৯.  “মিছে কড়ির বাহাদুরী, যত করবি ছল চাতুরি, একদিন এ বিশ্ব ছাড়ি, পরাণ পাখি যায় উড়ি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৭)
২০. “যে ব্রহ্মা সে আল্লাহ হয়, কেহ লড বলে সদাই, তাতে কার কী আসে যায়, এই বিশ্ব চরাচরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৭)
২১.  “শুকনা গাঙ্গে ফাও ডুবালি, পিতৃধন সব হারালি, সাঁই কাঁই পায়েতে ঠেললি, ভেবে দেখরে বিশ্বপতি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪১)
২২. “সঠিক পরিমাপ চিনতে হলে, থাকো সাধুর চরণতলে, জাত মারিলে শান্তি মিলে, বিশ্বময় ও ত্রিবেণে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪৪)
২৩. “সোনার মানুষ চলেফেরে, দুইবেলা দুইরূপ ধরে, তামাম বিশ্ব ঘুরে চোরে, বাস করিয়া প্রভাপুর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৩)

বিশ্বের সংজ্ঞা (Definition of microcosm)
সাধারণত; সমস্ত সৃষ্টিজগৎকে বিশ্ব বলে।

বিশ্বের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of microcosm)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানবের স্থূল আকারকে দেহ বা রূপকার্থে বিশ্ব বলে।

বিশ্বের প্রকারভেদ (Variations of microcosm)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বিশ্ব দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান বিশ্ব ও ২. উপমিত বিশ্ব।

. উপমান বিশ্ব (Analogical microcosm)
সাধারণত; সমস্ত সৃষ্টিজগৎকে উপমান বিশ্ব বলে।

. উপমিত বিশ্ব (Compared microcosm)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে মানবের স্থূল আকারকে দেহ বা উপমিত বিশ্ব বলে।

বিশ্বের পরিচয় (Identity of microcosm)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সাধারণত; সারা সৃষ্টি জগৎকে বিশ্ব বলা হয়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল মানবদেহকে বিশ্ব বলা হয়। আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ বলে থাকেন; “বিশ্ব একটি বৃহত্তম মানুষ এবং মানুষ একটি ক্ষুদ্রতম বিশ্ব।” অর্থাৎ; মানুষ বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রূপ এবং বিশ্ব মানুষের বৃহত্তম রূপ। আর এ সূত্র ধরেই আত্মজ্ঞানী মনীষীদের মুখে শুনতে পাওয়া যায়- “যা আছে ব্রহ্মাণ্ডে, তা আছে মানবভাণ্ডে।” এমন কথা পবিত্র কুরানে স্পটতই উল্লেখ আছে। যথা; “ وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ(২০) وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ(২১)”- অর্থ; “বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীর যত নিদর্শন, তোমাদের মধ্যেই রয়েছে- তোমরা কর না দর্শন।” আধ্যাত্মিক প্রবাদটি হলো; “যা আছে ব্রহ্মাণ্ডে, তা আছে মানবভাণ্ডে।”

অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানে; ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটির দ্বারা যে কেবল দেহরাজ্যকে বুঝায় এতে কোনো সন্দেহ নেই। অর্থৎ শ্বরবিজ্ঞানে; দেহকে ‘উপমিত বিশ্ব’ এবং সৃষ্টি জগৎকে ‘উপমান বিশ্ব’ ধরা হয়। কিন্তু বড় হাস্যকর বিষয় হলো সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অনুবাদক ও অভিধানবিদরা শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটির দ্বারা কেবল সৃষ্টিজগৎকে বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। সেজন্য; পাঠক-শ্রোতারা কোনমতেই ‘বিশ্ব’ রূপ উপমানপদের ‘দেহ’ রূপ উপমেয়পদটি কখনই অন্বেষণ করে পান নি, পাচ্ছেন না, এমনকি; ভবিষ্যতেও পাওয়ার আশা করা যায় না। উল্লেখ্য যে; যেহেতু; শ্বরবিজ্ঞানে; উপমানপদের দ্বারা উপমেয়পদের আলোচনা করা হয়। সেজন্য; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অনুবাদক ও অভিধানবিদদের অবশ্যই উপমানপদের উপমেয়পদ জানা একান্ত প্রয়োজন।

পরিশেষে পরিষ্কার করেই বলা যায় যে; শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটির দ্বারা কেবলই মানবদেহকে বুঝায়। তবে; কিছু কিছু ক্ষেত্রে ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটির দ্বারা যে সৃষ্টিজগৎকেও বুঝানো হয় এ কথাটিও একেবারে উড়িয়ে দেবার নয়। এখানে; ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটিকে সৃষ্টিজগৎ অর্থেই ব্যবহার করা হয়েছে। ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটিকে সৃষ্টি জগৎ রূপে ব্যবহার করার আরও কয়েকটি উদাহরণ নিচে তুলে ধরা হলো;

সাধারণ বিশ্ব অর্থে বিশ্ব পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology microcosm sense ordinary microcosm)
১.   “কাঁইয়ের বাণী ভিন্ন নয়রে বিশ্ব চরাচরে, সাম্প্রদায়িক এ ভেদাভেদ মানুষে সৃষ্টি করে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮৭)
২.   “জাগতিক জ্ঞানে মরে, তত্ত্বজ্ঞান চৈতন্য করে, তুলে তারে বিশ্ব ’পরে, সম্মান যশ জয়গান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২২)
৩.   “ফিৎরা দাও সবাই সবারে, কেহ যেন বাদ না পড়ে, কর স্বভাব বিতরণ বিশ্ব চরাচরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯১)
৪.   “বিশ্বজনীন যে সুখ্যাতি, সে ভেদেতে শিখাও গীতি, বলন কাঁইজির এ মিনতি, দিব্যজ্ঞানী কর মোরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৩)
৫.   “মা হইল যবনের বালা, শত ধামেতে রঙ্গলীলা, যায় আসে এক জন্মনালা, বিশ্ববাসী সতী বলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯৪)
৬.   “যেজন ডুবুরী ভালো, মাছের ঝিম সে চিনল, তার শুভ হলো যাত্রা, সে নদীর মাছ ধরে, সে খ্যাতি পেল বিশ্বজোড়া।” (পবিত্র লালন- ৩৪৯/৪)
৭.   “সবে কয় কন্যা সতী, মাসে ধরে নতুনপতি, তাইতো; জীবের এ দুর্গতি, দেখি বিশ্ব-ভুবনে (গুরু গো)।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৪)

তবে এমন ব্যবহার অতি নগণ্য। কারণ; শ্বরবিজ্ঞানে; ‘বিশ্ব’ পরিভাষাটিকে সর্বদা দেহ অর্থেই ব্যবহার করা হয়। সাধারণ গীতিকাব্যে এর ব্যবহারের কথা ভিন্ন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!