বিষ

৭৬/২. বিষ
Toxin (টক্সিন)/ ‘ذيفان’ (যিফান)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মূত্র পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা মূত্র। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা গরল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা চৈনিন এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিস্বাদজল। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত মূত্ররজ প্রভৃতি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তারই ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
বিষ (বাপৌউ)বি গরল, হলাহল, কালকুট, নাশক, দেহে প্রবেশ করার পর অসুস্থতা বা তিরোধান ঘটে এমন পদার্থ, toxin, ‘ذيفان’ (যিফান) (আল) হিংসা, দ্বেষ, অত্যন্ত বিরক্তিকর ব্যক্তি বা বস্তু (শ্ববি) মূত্র, চোনা, প্রস্রাব, পেসাব, বাওয়ালা (.ﺒﻮﻞ), ইউরিন (urine) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মূত্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . দেহে প্রবেশ করার পর প্রাণীর প্রয়াণ ঘটায় এমন পদার্থকে বিষ বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; মূত্রথলি হতে প্রবাহিত জলকে গরল বা রূপকার্থে বিষ বলা হয় (বাপৌছ) বিস্বাদজল (বাপৌচা) চৈনিন (বাপৌউ) বিষ (বাপৌরূ) গরল (বাপৌমূ) মূত্র।

বিষের ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of toxin)
১.    “গোঁসাইর লীলা চমৎকারা, বিষেতে অমৃত পোরা, অসাধ্যকে সাধ্য করা, ছুঁলে বিষ ওঠে ধেয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৮৭/২)
২.   “বিষের বড়ি দিতে কইও, হাট হতে কিনিয়া (ময়না), বন্ধুর স্মরণ করব বলন, ঘুমাইয়া ঘুমাইয়া।” (বলন তত্ত্বাবলী)

বিষের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of toxin)
১.   “অতৃপ্ত নয়নের আশা, লজ্জা ভয় রমণীর ভূষা, যে প্রেমের বিষে লাগল নিশা, কাকে বলি বুঝিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৭২/৩)
২.   “আমার বিষয় আমার বাড়িঘর, এ ভাবনায় দিন গেলরে তোর, বিষয়বিষ খাবি- ধন হারাবি, শেষে কাঁদলে কী শুনবে তাই।” (পবিত্র লালন- ৯০৮/৩)
৩.   “আমায় দংশিল গৌরাঙ্গ ফণী, বিষ নামে না ও সজনী, দেহ বিষে জর্জর মন কাঁপে থরথর, লালন বলে বিষে অঙ্গ, হলো কালো।” (পবিত্র লালন- ৫৬৩/৪)
৪.   “আসমানি আইন পরশ রতন, চিনলি না মন দিন থাকতে, সুধার লোভে গরল খেয়ে, মরলি বিষের জ্বালাতে।” (পবিত্র লালন- ১৮৬/১)
৫.   “কতজন সুধার আশায়, ফণীর মুখে হাত দিতে যায়, বিষের আতস লেগে গায়, শেষে তার মরণদশা হয়রে।” (পবিত্র লালন- ৯৪৪/২)
৬.   “কার্য দ্বারা জ্ঞান হয় যে; অটলচাঁদ নেমেছে ব্রজে, নইলে সে বিষম বিষে, কালীদহে বাঁচত না।” (পবিত্র লালন- ৪৯৯/২)
৭.   “কালকূটে কালনাগ তারা, কালীদহে রয়েছে ভরা, বিষে করল জাররা জাররা, তাতে তার প্রাণ যায়।” (পবিত্র লালন- ৭৭৬/৩)
৮.   “কালীদহে কমল তুলতে, দিলে কেন গোপালরে যেতে, মরে সে সাপের হাতে, বিষ লেগে গোপালের গায়।” (পবিত্র লালন- ৭৭৬/২)
৯.   “কিসে হয় নাগিনী বশ, সাধব কবে অমৃতরস, সিরাজ সাঁইজি কয় বিষেতে নাশ হলে লালন।” (পবিত্র লালন- ১৪২/৪)
১০. “গোঁসাইর লীলা চমৎকারা, বিষেতে অমৃত পোরা, অসাধ্যকে সাধ্য করা, ছুঁলে বিষ ওঠে ধেয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৮৭/২)
১১.  “গৌর-রূপের কালে যারে দংশায়, সে বিষ কী বুঝে ওঝায়, ক্ষণেক জ্বলে ক্ষণেক সাজায়, ধন্বন্তরীর ঔষধ খায়রে ফিরে।” (পবিত্র লালন- ৩০৯/২)
১২.  “ধরতে চাও মূল-চন্দ্র যেজন, গরলচন্দ্রের করো অন্বেষণ, লালন কয় দেখরে মন, বিষামৃতে মিলনে।” (পবিত্র লালন- ৪৪৩/৪)
১৩. “বিষয়-বিষে চঞ্চল মন দিনরজনী, মনেরে বুঝালে বুঝে না ধর্ম কাহিনী।” (পবিত্র লালন- ৬৯৭/১)
১৪. “বিশ্বস্তর সে বিষ পান করে, ভাঁড়ুই করে বিছা হজম, কাকে কী সইতে পারে, লালন বলে সাধক যারা, বিষ খেয়ে জীর্ণ করে।” (পবিত্র লালন- ৬৯৩/৪)
১৫. “বিষামৃত আছেরে মাপাজোখা, কেবা শোনে কেবা বাজায়, যায় না জীবের মনের ধোঁকা।” (পবিত্র লালন- ৬৯৮/১)
১৬.  “বিষামৃত আছে মিলন, জানতে হয় তার কিরূপ সাধন, দেখো যেন গরল ভক্ষণ, করো না হায়রে।” (পবিত্র লালন- ৯২০/৩)
১৭. “বিষামৃত আছে মিলন, জানতে হয় স্বরূপ সাধন, সুধা ভেবে গরল করে পান, মরো না ঘোরে।” (পবিত্র লালন- ৭০১/৩)
১৮. “বিষের ছুরি মাইরা গেলি, আমারে ছাড়িয়ারে (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭১)
১৯.  “মান ভাঙ্গাতে সাধাসাধি কী, বিষমুখীরে বুঝাও সখী, লালন বলে এ মান কিসের দেখি, থৈ মিলে না রাধার মান সাগরে।”(পবিত্র লালন- ৮৯৬/৩)
২০. “যমুনার জলে আমি, স্নান করতে যাব না, মাথায় আছে কালো কেশ, তাও রাখব না, কালো কাজল ভালো নয়, যেজন নয়নে দেয়, কালসাপে দংশিলে, বিষে অঙ্গ জ্বলে যায়।” (পবিত্র লালন- ৬৯১/২)
২১.  “যে জানে উলটমন্ত্র, খাটায় সে তন্ত্র, গুরু-রূপের মন্ত্র, বিষ ধরে সাধন করে, ভালো যার করণরীতি সাঁই দরদী, দর্শন দিবে তারে।” (পবিত্র লালন- ৮৪৭/৩)
২২. “রূপের কালে আমায় দংশিলে, বিষ উঠল ব্রহ্মমূলে, কেমনে সে বিষ নামাই, বিষ গাঁঠরি করা- না যায় হরা, কী করবে এসে কবিরাজ গোঁসাই।” (পবিত্র লালন- ১৩০/৩)
২৩. “শিয়রে শমন বসে, কখন যেন বাঁধে কষে, রইলি ভুলে বিষয় বিষে, দিশে হলো না।” (পবিত্র লালন- ৯৮১/২)
২৪. “সাধুকাঠের লাঙল বাঁধো ক্ষ্যান্ত কাঠের ইষ, থাকবে না কোন বিষ, লালন বলে ওরে চাষা, কামের চাষ ছেড়ো না।” (পবিত্র লালন- ৪৪৪/৩)
২৫. “সামান্য জ্ঞানে কী মন, তাঁরে পাবিরে, যেরূপে বিষ জুদা করে সুধা, রসিকজনা পান করে।” (পবিত্র লালন- ৯৪৪/১)
২৬. “সে পথে আছে সদাই, বিষম কাল নাগিনীর ভয়, যদি কেউ আন্দাজি যায়, অমনি ওঠে ছোঁ মারে, পলকে বিষ ধেয়ে ওঠে, ব্রহ্ম রন্ধ্রেরে।” (পবিত্র লালন- ৮৪৭/২)
২৭. “হলে বাণে বাণক্ষেপণা, বিষের উপার্জনা, অধঃপথে গতি টলে পড়ে যারা, পঞ্চবাণের ছিলে- প্রেমাস্ত্রে কাটলে, তবে হয় মানুষের করণ সারা।” (পবিত্র লালন- ৭৮৮/৩)

মন্দ অর্থে বিষ পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology toxin sense for evil)
১.   “একবার উঠি একবার বসি বিষের বিছানায়, সারানিশি জেগে কাটে দারুন ব্যথায়, নয়ন-জলে বুক ভেঁসে যায়, পোড়াবক্ষ জুড়ায় না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৩)
২.   “কালা মধুপুর বিজনে বসি, রোজ বাজায় বিষের বাঁশী, লীলার লোভে মাসে আসি, প্রেম জাগায় রাধার মনে।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৩.   “পিতা মাতা সব হারাইলাম তোরে লইয়া বুকে, এখন লাঞ্চনা গঞ্জনা শুনি পাড়া পড়শির মুখে, বিষের ছুরি মাইরা গেলি, আমারে ছাড়িয়ারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭১)
৪.   “পোহায়ে গেছে নিশি, শ্যাম তুমি হয়েছ দোষী, বাজাইও না বিষের বাঁশী, লালন কয় কিশোরী আছে মান করে।” (পবিত্র লালন- ৯০২/৪)

বিষের সংজ্ঞা (Definition of toxin)
সাধারণত; দেহে প্রবেশ করার পর প্রাণীর প্রয়াণ ঘটায় এমন পদার্থকে বিষ বলে।

নীরের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of toxin)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মূত্রথলি হতে প্রবাহিত জলকে গরল বা রূপকার্থে বিষ বলে।

বিষের প্রকারভেদ (Variations of toxin)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বিষ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান বিষ ও ২. উপমিত বিষ।

. উপমান বিষ (Analogical toxin)
সাধারণত; দেহে প্রবেশ করার পর প্রাণীর প্রয়াণ ঘটায় এমন পদার্থকে উপমান বিষ বলে।

. উপমিত বিষ (Compared toxin)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মূত্রথলি হতে প্রবাহিত জলকে গরল বা মূত্র বা উপমিত বিষ বলে।

বিষের পরিচয় (Identity of toxin)
এটি ‘বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী’ এর ‘মূত্র’ পরিবারের অধীন একটি ‘বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; দেহে প্রবেশ করার পর প্রাণীর প্রয়াণ ঘটায় এমন পদার্থকে বিষ বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; মূত্রথলি হতে প্রবাহিত জলকে মূত্র বা রূপকার্থে বিষ বলা হয়। বিষ পান করলে দেহের যেমন ক্ষতিসাধিত হয়; মূত্র পান করলেও তেমনই; ক্ষতি হয়। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে মূত্রকে বিষ বলা হয়। অথচ; বড় হাস্যকর ব্যাপার হলো সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী ও বক্তারা শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত বিষ পরিভাষাটির দ্বারা কেবল হলাহলকেই বুঝেন বা বুঝিয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!