বৃত্র

 ১৬/১২. বৃত্র
Sheath (শীথ)/ ‘غمد’ (গামেদা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কানাই পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা যোনি। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা কানাই। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা রজকিনী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখি ও  প্রস্তর। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বরুণ, মাধাইহিবাচী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব, ব্রজপুর, মরা রাক্ষস

 অভিধা (Appellation)
বৃত্র (বাপৌচা)বি আবরক, ঢাকনা, পল্লব, পিধান, অক্ষিপল্লব, পাত্রের ঢাকনা, sheath, ‘غمد’ (গামেদা) (ব্য্য) আবৃত পরিভাষার বিকৃত রূপ বিশেষ। বাংলা ‘আবৃত’ পরিভাষার ‘আ’ ফেলে দিয়ে এরই চিহৃস্বরূপ ‘ত’ বর্ণের সাথে ‘র’-ফলা যুক্ত করে বৃত্র পরিভাষাটি সৃষ্টি করা হয়েছে (প্র) বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; শক্তিশালী অসুর (শ্ববি) যোনি, sex, vagina, ফারজ (.ﻔﺮﺝ) (রূপ্রশ) কানাই, অযোধ্যা, গণ্ডগ্রাম, গোকুল, গোষ্ঠ, ধোপানী, নাগিনী, নৌকা, পাথর, ব্রজ, রজকিনী, রজকী, রঞ্জকী, ‘ﻏﺴﺎﻠﺔ’ (গাসালা), স্রাবস্তী, হিবাচী (ইংপ) destroyer, origin (ইপ) মক্কা (.ﻤﻜﺔ) (ইদে) দাজ্জাল (.ﺪﺟﺎﻞ), হামান (.ﻫﺎﻤﺎﻦ), হারুত (.ﻫﺎﺭﻮﺓ), হেরা (ﺤﺭﺍ), হাজরে আসুদ (حجر أسود) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কানাই পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; বাঙালী পুরাণে শক্তিশালী এক অসুরকে বৃত্র বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, যোনিকে রূপকার্থে বৃত্র বলা হয় (বাপৌছ) কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব, ব্রজপুর, মরা ও রাক্ষস (বাপৌচা) অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বরুণ, বৃত্র, মাধাই ও হিবাচী (বাপৌউ) অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখি ও  প্রস্তর (বাপৌরূ) রজকিনী (বাপৌমূ) কানাই।

বৃত্রের সংজ্ঞা (Definition of sheath)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; শক্তিশালী এক অসুরকে বৃত্র বলে।

বৃত্রের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of sheath)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যোনিকে বৃত্র বলে।

বৃত্রের প্রকারভেদ (Variations of sheath)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বৃত্র দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান বৃত্র ও ২. উপমিত বৃত্র।

. উপমান বৃত্র (Analogical sheath)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শক্তিশালী এক অসুরকে উপমান বৃত্র বলে।

. উপমিত বৃত্র (Compared sheath)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যোনিকে উপমিত বৃত্র বলে।

বৃত্রের পরিচয় (Identity of sheath)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর কানাই পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। এটি; বাংলা ‘আবৃত’ পরিভাষার সংক্ষিপ্ত রূপ। ‘আবৃত’ পরিভাষা হতে ‘আ’ ফেলে দিয়ে তার চিহ্নস্বরূপ ‘ত’ এর নিচে র-ফলা দিয়ে বৃত্র পরিভাষাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। মৈথুনের সময়ে বৃত্র শিশ্নকে পুরোপুরী আবৃত করে বা গিলে ফেলে। এজন্য; এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। পরিশেষে বলা যায় যে; বাঙালী পুরাণে ব্যবহৃত বৃত্র বলতে যোনি বা যোনিপথ উভয়ই বুঝানো হয়।

প্রপক (Extensive)
বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; প্রবল পরাক্রমশালী অসুর বিশেষ। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা ইন্দ্রের প্রতি বিদ্বেষবসতঃ তিন মাথাবিশিষ্ট বিশ্বরূপ নামে এক পুত্রের সৃষ্টি করেন। এ পুত্র এক কঠোর তপস্যায় নিমগ্ন হন। এ কঠোর তপস্যা দেখে ইন্দ্র বিশেষ চিন্তিত হয়ে ওঠেন। অতঃপর; তাঁর তপস্যা ভঙ্গ করার জন্য উর্বর্শী, মেনকা, রম্ভা ও ঘৃতাচী প্রভৃতি অপ্সরাদের নিযুক্ত করেন। কিন্তু এতে বিশ্ব রূপের কোনো চিত্তচাঞ্চল্য সৃষ্টি হলো না। তখন নিরুপায় হয়ে ইন্দ্র অন্য উপায়ে বিশ্বরূপকে বধ করার চিন্তা করতে লাগলেন। একদিন ইন্দ্র নিজে বিশ্ব রূপের নিকট গিয়ে দেখেন যে; তিনি তপস্যায় ধ্যানমগ্ন রয়েছেন। এ কঠোর তপস্যা বলে তিনি একদিন ইন্দ্রত্বলাভ করবেন। এ ভয়ে ইন্দ্র তাঁকে বধ করবার জন্য আমোঘ বজ্র নিক্ষেপ করলেন। বজ্রাহত হয়ে বিশ্বরূপ ভূপাতিত হয়ে পড়লেন। তখন ইন্দ্র তক্ষা নামে এক ঐশি শিল্পীর সাহায্যে বিশ্ব রূপের মস্তকত্রয় ছেদন করলেন। ইন্দ্র হস্তে তাঁর পুত্রের এ মর্মান্তিক মৃত্যু সংবাদ পেয়ে বিশ্বকর্মা অত্যন্ত ক্রদ্ধ ও দুঃখিত হয়ে আরেকটি পুত্র সৃষ্টি করতে সংকল্প করলেন। অষ্টরাত্র ব্যাপী হোম করার পর প্রদীপ্ত অগ্নিকুণ্ড হতে দীপ্তিমান বিশাল এক সুপুরুষের আবির্ভাব হলো। বিশ্বকর্মা এ পুত্রের নাম দিলেন বৃত্র। বৃত্র পিতাকে বললেন, তিনি দুঃখ মোচনে সম্পূর্ণ সমর্থ। তিনি ইন্দ্র, যম বা অন্য যে কোনো দেবতার সাথে বিরোধ করতে সমর্থ। বিশ্বকর্মা তাঁকে পুত্রহন্তা ইন্দ্রকে হত্যা করে পুত্রশোক অপনোদন করতে বললেন। অতঃপর; এ কাজের জন্য তিনি তাঁকে শূল, গদা, বাণ ও ধনুক ইত্যাদি অস্ত্র প্রদান করলেন। ইন্দ্র বৃত্রাসুরের এ যুদ্ধ অভিযানের সংবাদ পেয়ে অত্যন্ত ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে; তাঁর সমস্ত সৈন্য সমাবেশ করলেন। মানস সরোবরের উত্তর তীরস্থ পর্বতে ইন্দ্র ও বৃত্রের মধ্যে একশত বছর ধরে এক ভীষণ ও ভয়াবহ যুদ্ধ চলল। ইন্দ্রের পক্ষে ছিলেন বরুণ, বায়ু, যম ও বিভাবসু। পরে ইন্দ্রসহ সবাই রণভঙ্গ দিয়ে পলায়ন করলেন।

এরপর; বৃত্র পিতাকে এ বিজয়বার্তা জানালে পিতা বললেন; জয়লাভ হলেও এখনও ইন্দ্রের মৃত্যু হয় নাই। পুনরায় শতবছর যুদ্ধ করার পর; ব্রহ্মা সন্তুষ্ট হয়ে তাঁর কাছে এলে; বৃত্র প্রার্থনা করলেন; লৌহ, কাষ্ঠ, শুষ্ক ও আর্দ্রদ্রব্য ও অন্যান্য অস্ত্র দ্বারা যেন তাঁর মৃত্যু না ঘটে। আর যুদ্ধে যেন তাঁর বলবৃদ্ধি হয়। ব্রহ্মা তাঁকে তাঁর প্রার্থিত বর প্রদান করলেন। অতঃপর; ইন্দ্র ও বৃত্রাসুরের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ আরম্ভ হলো। এ যুদ্ধে ইন্দ্র বিভিন্নভাবে নিগৃহীত হতে লাগলেন। অবশেষে; বস্ত্রগুলো ও কবচ বিরহিত করে ইন্দ্রকে নিজের মুখের মধ্যে নিক্ষেপ করে গ্রাস করে ফেললেন। এ ব্যাপারে দেবতাগণ ভীত হয়ে দেবগুরু বৃহস্পতির পরামর্শ গ্রহণ করতে উপস্থিত হলেন। তখন; বৃহস্পতি বললেন; বৃত্রের কোষ্ঠ মধ্যে ইন্দ্র জীবিত অবস্থায় রয়েছেন। এ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করতে হবে। তখন; দেবতাগণ বিভিন্ন চিন্তা ও পরামর্শের পর জৃম্ভিকার সৃষ্টি করে বৃত্রের দেহে প্রবেশ করলেন। তাতে বৃত্রসুর জৃম্ভন আরম্ভ করলে; তাঁর মুখব্যাদান হওয়াতে ইন্দ্র বিজৃম্ভমান বৃত্রের মুখ হতে নিষ্ক্রান্ত হয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন। ইন্দ্র বেরিয়ে এসে পুনরায় বৃত্রাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ আরম্ভ করলেন। এ ভীষণ যুদ্ধে ইন্দ্র পুনঃ পরাজিত হয়ে পলায়ন করলেন। অতঃপর; বৃত্রাসুর স্বর্গরাজ্য অধিকার করলেন। এর প্রতিকারের জন্য ইন্দ্র অন্যান্য দেবতাগণের সঙ্গে মহাদেবের নিকট উপস্থিত হলেন। অতঃপর; মহাদেবের পরামর্শক্রমে তাঁরা সবাই ব্রহ্মার সাথে বিষ্ণুর নিকট গেলেন। অতঃপর; বৃত্রাসুরের মরণ কবল হতে হৃত স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধারের উপায় বের করতে বললেন। তখন; বিষ্ণু বললেন এ অসুরকে পরাজিত করতে হলে; প্রথমে কপট উপায়ে ইন্দ্রের সাথে তাঁর মিত্রতা স্থাপন করতে হবে। মিত্রতাসূত্রে ইন্দ্রের প্রতি বৃত্রসুরের দৃঢ়বিশ্বাস জন্মালে বিষ্ণু গুপ্তভাবে বজ্রের মধ্যে প্রবেশ করবেন। অতঃপর; বজ্রপ্রহারে ইন্দ্র তাঁকে বিনাশ করবেন। তখন দেবতাগণ বৃত্রকে সন্তুষ্ট করে ইন্দ্রের সাথে মিত্রতা স্থাপনের বিভিন্ন প্রকার প্রিয়বাক্যে তাঁকে পরিতুষ্ট করতে লাগলেন। দেবতাগণ বললেন যে; দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপিত হলে ত্রিলোকের প্রজারা সুখে ও শান্তিতে বাস করতে পারবেন। এজন্য; তাঁর ও ইন্দ্রের মধ্যে একটা সন্ধি হওয়া উচিত। তখন বৃত্র এ সন্ধিতে মিত্রতা স্থাপন করতে সম্মত হলেন যে; ইন্দ্র যদি সব দেবতার সঙ্গে শুষ্ক বা আর্দ্র বস্তু দ্বারা বা কাঠ, প্রস্তর কিংবা বজ্র দ্বারা দিনে কিংবা রাত্রে তাঁর নিধনসাধন না করেন; তবে দু’জনের মধ্যে সন্ধিস্থাপন হবে। ইন্দ্র বৃত্রের কাছে এসে এ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেন। এর মধ্যে ইন্দ্রের যে কপটতা ছিল তা বৃত্র অনুধাবন করতে পারলেন না। একদিন উপযুক্ত সময়ে বৃত্র যে বর পেয়েছিলেন; তা ইন্দ্রের স্মরণ হলো। তখন এক সন্ধ্যালগ্নে দিবস ও রাত্রের সন্ধিক্ষণে; সমুদ্রের পর্বত প্রমাণ ফেনার সাথে বৃত্রের প্রতি বজ্রনিক্ষেপ করে ইন্দ্র মিথ্যাচারে তাঁর শ্রেষ্ঠ শুক্রকে নিপতিত করলেন। এরফলে; ইন্দ্রের ব্রহ্মা হত্যার পাপ হলো (দেবীভাগবত)

বৈদিক বিবরণে বৃত্রের নাম অনেক স্থলেই দেখা যায়। এখানে; বৃত্র সম্বন্ধে পৌরাণিক যে কাহিনীটি বর্ণিত হলো; তা বৈদিক বৃত্রের বিবরণের রূপক বিবরণ মাত্র। বৃত্র অর্থ আবরণ। জলকে ঘিরে রাখে বলে বৃত্র জলের কারানিবাস। ঋকবেদের অনেক স্থানে বৃত্র শত্রু, অমির, অরি, রিপু ও দস্যু বলে বর্ণিত হয়েছেন। তাই; ইন্দ্র বজ্রধারী। বজ্রহস্তে মানবের প্রতিকূলসাধক ও অমঙ্গলকর আদিম শত্রুদের ধ্বংস করেন। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে; প্রাণীদের উপকারী, স্বর্গীয় বৃষ্টি বর্ষণকারী বৃত্র হলেন একটি পৌরাণিক চরিত্র। তাকে হত্যা করার জন্য ইন্দ্র বজ্রগ্রহণ করেছেন। ইন্দ্র মরুৎদের সাহায্যে বৃত্রকে বধ করে পৃথিবীকে বৃষ্টি দ্বারা অভিষিক্ত করছেন। বৃত্র মেঘ দ্বারা আকাশ আচ্ছন্ন করে অন্ধকার সৃষ্টি করতেন। মেঘের অন্য নাম বৃত্র বা অহি। এ মেঘকে বজ্র দ্বারা আঘাত করে পৃথিবীতে বৃষ্টিপাত করান। বৃত্র অনাবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের দানব। ক্রমাগত যুদ্ধ করে ইন্দ্র তাঁকে পরাজিত করেই আকাশ হতে বৃষ্টিপাত আনয়ন করেন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!