মধুচন্দ্রিমা (১৪)

৯৬/০. মধুচন্দ্রিমা
Honeymoon (হানিমুন)/ ‘المعسولة’ (আলমাসুলা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা সৃষ্টিকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা কাঁই। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ও ব্রহ্মা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভূ ও হর

অভিধা (Appellation)
মধুচন্দ্রিমা (বাপৌছ)বি বিবাহের পর নবদম্পতির আনন্দবিহার ও অবকাশ যাপন, ইংরেজি honeymoon পরিভাষাটির অনূদিত পরিভাষা, honeymoon, ‘المعسولة’ (আলমাসুলা) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা বিশেষ (সংজ্ঞা). বিবাহের পর নবদম্পতির বিশেষ আনন্দবিহার ও অবকাশ যাপনকে মধুচন্দ্রিমা বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; কাঁই-দর্শন লাভের জন্য অর্যমা প্রহরে করা একটি বিশেষ সাধনকে রূপকার্থে মধুচন্দ্রিমা বলা হয় (বাপৌছ) আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভূ ও হর (বাপৌচা) অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ও  ব্রহ্মা (বাপৌউ) ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য (বাপৌরূ) কাঁই (বাপৌমূ) সৃষ্টিকর্তা {বাং.মধু+ বাং.চন্দ্রিমা}

মধুচন্দ্রিমার সংজ্ঞা (Definition of honeymoon)
সাধারণত; বিবাহের পর নব দম্পতির বিশেষ অবকাশ যাপনকে মধুচন্দ্রিমা বলে।

মধুচন্দ্রিমার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of honeymoon)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কাঁই-দর্শনলাভের জন্য অর্যমা প্রহরে করা একটি বিশেষ সাধনকে রূপকার্থে মধুচন্দ্রিমা বলে।

প্রচলিত মধুচন্দ্রিমা (Honeymoon) হচ্ছে নব দম্পতিদের দ্বারা উদযাপিত এক প্রকার সময়। নব দম্পতি ছাড়াও সম্পর্কের একটি মধুর সময়কে উপলক্ষ করেও মধুচন্দ্রিমা উদযাপিত হতে পারে। বিয়েকে উদযাপন করাই এর উদ্দেশ্য। মধুচন্দ্রিমা প্রায় সময়ই হয় প্রেমময় ও উত্তেজনাপূর্ণ এবং পশ্চিমে এটি একটি বিশেষ মুহুর্ত হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে বিবাহ পরবর্তী একটি ঐতিহ্যগত অনুষ্ঠান হিসেবে মধুচন্দ্রিমা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকম। ইউরোপে নব দম্পতিদের কাছে মধুচন্দ্রিমার গুরুত্ব অনেক বেশি, এবং মার্কিনীদের তুলনায় তাদের মধুচন্দ্রিমা উদযাপনে ভ্রমণের হারও বেশি। মধুচন্দ্রিমা উপলক্ষে ভ্রমণের হার সবচেয়ে বেশি জার্মানিতে। সেখানে প্রায় ৯১% নব দম্পতি বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমা উদযাপন উপলক্ষে বেড়াতে যান।

উপস্থাপনা (Representation)- ১
“হানি আর মুন- মানে চাঁদ আর মধু। কিন্তু হানিমুনের উদ্ভবকালে চাঁদ আর মধুর অর্থ ছিল অন্য। সাধারণত; মহিলাদের রজ চক্রটি ২৮ দিন বা ৪ সপ্তাহের হয়। আর চান্দ্রমাসের সাইকেলও ২৮ দিনের (কয়েক ঘন্টা বেশী হবে)। প্রাচীন কালে একটা ছেলের সাথে একটা মেয়ের বিয়ের পর পরই তাদের অন্য কোথাও রাত কাটানোর আগে তাদের ২৮ দিনের জন্য কোনো নির্জন স্থানে পাঠিয়ে দেয়া হতো যেখানে দ্বিতীয় কোনো পুরুষ নেই। স্বামী ছাড়া অন্য কোনো পুরুষ না থাকার মানে মেয়েটা অন্য কারো সংস্পর্শে আসবে না। অন্যান্য মিন্সট্রেল পিরিয়ড যখন ২৮ দিনের, তাই এই ২৮ দিন পর তারা ফেরত আসার পর যখন মেয়েটা অন্তঃসত্বা বলে প্রমাণ হবে, তখন নিশ্চিতভাবেই বোঝা যাবে তার শরীরে স্থান করে নেয়া সন্তানটি তার স্বামীর, কারণ সেই ২৮ দিন সময়ের মধ্যে সে দ্বিতীয় কোনো পুরুষের সংস্পর্শে আসে নি। চাঁদ বেচারা মধ্যে দিয়ে অবিশ্বাসীদের প্রতীকে আটকে গেল। আর মধুর কাহিনীটা হলো এই ২৮ দিন সময় কাটানোর সময় নব-দম্পতিকে হানি-মীড বা মধু দিয়ে বানানো এক ধরণের পানীয় পান করতে হতো, বিশেষ করে পুরুষদের। কারণ; মধু যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। এখন যে দায়িত্বটা অনেকটাই ভায়াগ্রার। তার মানে মধু খেলে শতভাগ সম্ভাবনা থাকে মেয়েটার সেই ২৮ দিনের মধ্যেই অন্তঃসত্বা হবার। মধ্যযুগীয় (medieval) ইউরোপে নারীরা দৃশ্যত স্বাধীন (যৌন স্বাধীনতা) থাকলেও বিয়ের সময় কুমারী প্রমাণ করাটা খুব জরুরী ছিল। আর এত ঘেরাটোপের মধ্যে সেই সমাজ এতটাই কলুষিত ছিল যে; একটা মেয়ের সন্তানের পিতা কে  সেটা কখনই নিশ্চিত ভাবে জানার কোনো উপায় ছিল না। তাই; সেই অবিশ্বাস থেকেই অন্তত প্রথম সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করার জন্য হানিমুন বা মধুচন্দ্রিমার উদ্ভব।” (বাংলা চটি. ফেসবুক)

পর্যালোচনা (Review)- ১
‘বাংলা চটি’ এর উপস্থাপিত গল্পটি যুক্তিযুক্ত নয়। কারণ; এ গল্পটি মধুচন্দ্রিমার সাথে কাল্পনিক কাহিনীগতভাবে সম্পৃক্ত। আধ্যাত্মিক বা আত্মদর্শন কারণ রূপে সম্পৃক্ত নয়। তবে; একে মধুচন্দ্রিমার কাল্পনিক কাহিনী (theological story) রূপে গ্রহণ করা যায়।

উপস্থাপনাঃ (Representation)- ২
” According to Pliny the Elder (Roman author, naturalist, and natural philosopher), one part of old honey and three parts of water are combined to prepare the mead which was left in the sun for 40 days. With age, the mixture contained the flavor of old wine. As time passed by, couples believed that the daily consumption of mead, during their honeymoon period, would increase their chances of giving birth to sons.”

পর্যালোচনা (Review)- ২
প্লিনি দ্যা এল্ডার এর উপরোক্ত বক্তব্যও এক প্রকার মিথ (Myth)। এটি;ও মধুচন্দ্রিমার সাথে কাল্পনিক কাহিনীগতভাবে সম্পৃক্ত। আধ্যাত্মিক বা আত্মদর্শন কারণ রূপে সম্পৃক্ত নয়। তবে; একেও মধুচন্দ্রিমার কাল্পনিক কাহিনী Mythological story রূপে গ্রহণ করা যায়।

টীকাঃ
Pliny the Elder (প্লিনি দ্যা এল্ডার)ঃ
(রোমান লেখক, প্রকৃতিবাদী ও প্রাকৃতিক দার্শনিক)

সমাধানঃ (Solution)
উপরোক্ত সব বর্ণনা কেবল রূপক তত্ত্ব বা কাল্পনিক Mythology। আর মধুচন্দ্রিমা Honeymoon এর উদ্ভবের ইতিহাস যে যা-ই বলুক এর ইতিহাস আরও পুরোনো। এটি; মূলত আত্মদর্শন বা আত্মতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর উদ্ভব সম্পর্কে আমরা কেবল এতটুকু বলতে চাই যে; আত্মদর্শন বা আত্মতত্ত্ব দর্শনের উদ্ভব যখন হয়েছিল তখনই এ মধুচন্দ্রিমার উদ্ভবও হয়েছিল। তবে; বিশ্বের একেক অঞ্চলে একেক ভাষায় একেক সময়ে এর ক্রমবিকাশ লক্ষ্য করেছেন গবেষকগণ।

আলোচনায় মতান্তর থাকা আলোচনারই অলঙ্কার। যেসব আলোচনায় কোনো মতান্তর নেই সেগুলোকে মৃত আলোচনাও বলা যায়। কাল্পনিকপ্রবণ গবেষকরা একেকজন একেক দেশে এর উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ একেক সময়ে স্থাপন করেছেন। যেমন;

১.    কেউ বলেছেন; যুক্তরাজ্যে আধুনিক মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৫৪৬ খ্রিস্টাব্দে।
২.   কেউ বলেছেন; গ্রেটব্রিটেনে আধুনিক মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে।
৩.   কেউ বলেছেন; ইউরোপে আধুনিক মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে।
৪.   কেউ বলেছেন; ইংল্যান্ডে আধুনিক মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে।
৫.   কেউ বলেছেন; উত্তর আমেরিকায় মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে।
৬.   কেউ বলেছেন; ইউরোপ ও ফ্রান্সে মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে।
৭.   কেউ বলেছেন; ভারতবর্ষে আধুনিক মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে।

আবার অনেকে বিগত চার হাজার বছর পূর্বেও স্থাপন করেছেন। এ মতের প্রবক্তারা বলেছেন যে; “4,000 years ago in Babylon, it was an accepted practice that for a month after the wedding, the bride’s father would supply his son-in-law with all the mead or beer he could drink. In ancient Babylon, the calendar was lunar-based – based on the cycle of the moon. The month following any wedding was called the “honey month” which evolved into “honeymoon”.” অর্থ; “প্রায় হাজার বছর পূর্বে ব্যবিলনে এটি একটি গ্রহণযোগ্য অভ্যাস ছিল যে; বিয়ের পরে একমাসের জন্য নববধূর পিতা তার জামাতার পানের জন্য মদ ও মদপানীয় সরবরাহ করতেন। প্রাচীন ব্যবিলনে পঞ্জিকা ছিল চান্দ্রভিত্তিক, ভিত্তি ছিল চন্দ্র-চক্রের ওপর। তখন বিবাহের মাসকে ‘মধু মাস’ বলা হতো। যা হতে ‘মধুচন্দ্রিমা’ প্রসূত হয়েছে।”

মধুচন্দ্রিমাপরিভাষাটির বিশ্লেষণ (Analysis of the honeymoon terminology)
বাংলা ‘মধু’ ও ‘চন্দ্রিমা’ (চন্দ্র) এ দুটি পরিভাষার সমন্বয়ে বাংলা ‘মধুচন্দ্রিমা’ পরিভাষাটির উদ্ভব। এর ইংরেজি অনুবাদ; ‘Honeymoon’। আর ‘Honeymoon’ পরিভাষাটি  ইংরেজি Honey ও ইংরেজি Moon এ পরিভাষাদ্বয়ের সমন্বয়ে গঠিত। অর্থাৎ; বাংলায় যেমন; মধু ও চন্দ্র ইংরেজিতেও তেমনই; মধু ও চন্দ্র।

Honey [হানি] (GMP)n মধু, মউ, মৌ, সুধা, সুরা, মদ, মকন্দর, মিষ্টদ্রব্য, ফুলের মিষ্ট রস, মৌমাছি ফুল হতে যে মিষ্টরস আহরণ করে মৌচাকে সঞ্চয় করে রাখে, যড়হবু বিণ মধুর মতো স্বাদযুক্ত (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {}

Moon [মুন] (GMA)n চাঁদ, চন্দ্র, শশী, নিশাকর, প্রীতি উৎপাদনের বস্তু (প্র) শ্বরবিজ্ঞানীদের মতে; চাঁদ, পদ্ম ও ফুল শ্বরবিজ্ঞানের প্রত্যয় বিশেষ- পরিভাষাগুলো প্রত্যায়ের মতো যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষার পরে বসে কিন্তু অর্থের পরিবর্তন ঘটায় না (শ্ববি) সাঁই, বিষ্ণু, গুরু, গোঁসাই, স্বরূপ, মীন, সোম (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {}

উল্লেখ্য যে; শ্বরবিজ্ঞানে; অমির বা পীযূষকে ‘মধু’ বলা হয়। এর প্রকৃত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা সৃষ্টিকর্তা। আর এটি; মানব দেহের কালোবর্ণের এক প্রকার রস বিশেষ। যেমন; এ রস পুরুষদেহে উদ্ভব না হলে শুক্র সৃষ্টি হয় না; তেমনই; এ রস নারীদেহে উদ্ভব না হলে ডিম্বক সৃষ্টি হয় না। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে; একে সৃষ্টিকর্তা বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে; অমৃত বা সুধাকে ‘চাঁদ’ বলা হয়। এর প্রকৃত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পালনকর্তা। আর এটি; মানবদেহের সাদাবর্ণের এক প্রকার রসবিশেষ। এটি;ই যোগী, সাধু ও সন্ন্যাসীদের সাধনীয় রস। আরও উল্লেখ্য যে; বাংলা ভাষায় ‘মধুচন্দ্রিমা’ ও ইংরেজি ভাষায় ‘Honeymoon’ এ পরিভাষাদ্বয়ের অর্থ এক ও অভিন্ন। এবার প্রশ্ন হতে পারে যে; বিবাহের পর নবদম্পতি বাড়ির বাইরে কোনো নির্জন স্থানে বেড়াতে যাবে, ঘুরতে যাবে, নাইওর যাবে, ভ্রমণে যাবে, পর্যটনে যাবে, পরিদর্শনে যাবে ইত্যাদি ভাব বুঝাতে অন্য কোনো পরিভাষা গ্রহণ না করে বাংলা ভাষায় মধুচন্দ্রিমা এবং ইংরেজি ভাষায় ‘Honeymoon’ নির্বাচন করা হলো কেন? এ হতেই বুঝা যায় এ পরিভাষাটির সুগভীর আত্মতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা রয়েছে। আরও আনুধাবন করা যায় যে; কেবল নবদম্পতিই কেন ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করতে যাবে? বয়স্ক-দম্পতি, পৌঢ়-দম্পতি ও বৃদ্ধদম্পতি কেন ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করতে যাবে না?

অধিকাংশ শ্বরবিজ্ঞানীর মতে; এমন প্রশ্নের উত্তর হলো; কেবল নবদম্পতির নিকটই শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ‘মধু’ ও ‘চন্দ্র’ নামক উপাস্যদ্বয় বিদ্যমান থাকে। সেজন্য; তারা ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করতে গিয়ে উক্ত উপাস্য দ্বয়ের সাথে প্রত্যক্ষ দর্শনলাভ করে মানবজীবন ও বিবাহিত জীবন ধন্য করবে। আর বয়স্ক-দম্পতি- এর মধ্যে উপাস্যদ্বয় থাকলেও তাদের সাথে সহজে সাক্ষাৎলাভ করা যায় না। সেজন্য; তাদের ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করতে যাওয়া ততোটা গুরুত্ব বহন করে না। এবং পৌঢ়-দম্পতি ও বৃদ্ধদম্পতি- এর মধ্যে উক্ত উপাস্যদ্বয় বিদ্যমান থাকে না। সেজন্য; তাদের ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ; পূর্বকালের মনীষীগণ ‘মধুচন্দ্রিমা’ দ্বারা কেবল সাঁইদর্শন ও কাঁই-দর্শনকেই বুঝতেন এবং বুঝাতেন। কিন্তু বর্তমানকালে সে-ই সুমহান ‘মধুচন্দ্রিমা’ একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। আত্মদর্শনের মূল শিক্ষাই হলো; নিজকে চেনা, গুরু চেনা, শুক্রনিয়ন্ত্রণ করা, ছোট পরিবার গঠন করা, সাঁই ও কাঁই-দর্শন লাভ করা। অন্যান্য সাধনগুলো সংসারে থেকে সমাপ্ত করা সম্ভব হয়। অন্যদিকে; সাঁই ও কাঁই-দর্শন সাধনদ্বয় সংসারে থেকে সমাপ্ত করা সুকঠিন। এ সাধনদ্বয় সমাপ্ত করার জন্য একান্ত নির্জনস্থান, নবদম্পতি, সুশিক্ষা ও একজন মানুষগুরুর আত্মদর্শন শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই; পূর্বকালের রূপকার মনীষীগণ ‘মধুচন্দ্রিমা’ এর মতো এমন কৃত্রিম ভ্রমণের সনাতনী সংস্কার উদ্ভাবন করেছিলেন। হয়তো কোনো অঞ্চলে আগে আর কোনো অঞ্চলে পরে এ সংস্কারটির উদ্ভব হয়েছিল। এটা হতেই পারে।

অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো; সেই পরম উপকারী ‘মধুচন্দ্রিমা’ বর্তমানে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে বাধ্য হয়েছে। এটি; বর্তমানে অনাথ, অসহায় ও সাধারণ মানুষের নাগালের অনেক বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে বড়লোক শ্রেণির কিছু সৌখিন মানুষই ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করে থাকেন। সর্বোপরি বলা যায় নাটক ও চলচ্চিত্রের নায়ক/ নায়িকারাই অধিক ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপন করে থাকেন। যেমন; বর্তমানে রূপক তত্ত্ব বা কাল্পনিক Mythology গল্প কাহিনীর চাপে ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপনের মূলশিক্ষা ভূলুণ্ঠিত ও পদদলিত হয়েছে; তেমনই; অনাথ, অসহায় ও সাধারণ মানুষের চিন্তা-চেতনা হতেও অনেক দূরে চলে গেছে। এ মুহূর্তে ‘মধুচন্দ্রিমা’ উদযাপনের প্রকৃতশিক্ষা বা এর Theology এর ব্যাপক প্রচার-প্রসার করার জন্য সুশীল সমাজ ও সমাজের বোদ্ধাদের এগিয়ে আসা একান্ত প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।

. মধুচন্দ্রিমা উদ্ভবের ইতিহাস (The originating history of the honeymoon terminology)
মধুচন্দ্রিমার লিখিত ইতিহাস খুব পুরনো নয়। যুক্তরাজ্যে আধুনিক মধুচন্দ্রিমার প্রচলন হয় ১৫৪৬ সালে। তখন কেবল যেসব আত্মীয় বিয়ের উৎসবে যোগ দিতে পারেননি, তাদের বাড়িতে জামাই-বউ বেড়িয়ে আসতেন ক’টা দিন। অবশ্য এই রীতি ভেঙে কেবল স্বামী-স্ত্রী মিলে ‘দূরে কোথাও’ বেড়ানোর প্রচল আরম্ভ করতে খুব বেশি দেরি হয় নি। এর কিছুদিন পর পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে ব্রাইডাল ট্যুর বা ‘voyage àla façon anglaise’, অর্থ; ইংরেজ ধরণের ভ্রমণ। সে সময়ে ফ্রেঞ্চ রিভেরিয়া আর ইতালি ছিল মধুচন্দ্রিমার তীর্থস্থান (এখনও ইতালি, ফ্রান্স অনেকের পছন্দের তালিকার শীর্ষে)। এদেশে মধুচন্দ্রিমার ইতিহাস বেশ পুরনো না হয়েও পুরনো। ইংলিশ স্টাইল ভয়েজ নতুন হলেও নবপরিণীতাকে নিয়ে ক’টা দিন দূরে কোথাও কাটানোর প্রথা অনেক আদিবাসী গোত্রেই রয়েছে বহু আগে থেকেই! পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে সদ্য বিবাহিত দম্পতিদের ছুটি কাটাতে বেড়াতে যাবার ঐতিহ্যের সূচনা হয়েছিলো ১৯ শতকে গ্রেট ব্রিটেনে। এই ধারণাটি এসেছে ভারতীয় উপমহাদেশের ভারতীয় অভিজাতদের কাছ থেকে। সমাজের উঁচুপদের বা বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকরা যে সব আত্মীয়বর্গ বিবাহে উপস্থিত হতে পারেন নি তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে বিবাহপরবর্তী একটি ভ্রমণে বের হতেন। কিছু ক্ষেত্রে তা হতো বন্ধু ও পরিবারের সদস্য সহকারে। এই প্রথা খুব শীঘ্রই ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং ১৮২০-এর দশকে ফ্রান্সে এর নাম হয়, ফরাসি: ‘voyage àla façon anglaise’, অর্থ; ইংরেজ ধরণের ভ্রমণ (সংগৃহীত)

. মধুচন্দ্রিমার ওপর বাইবেলের উক্তি (Bible quote on Honeymoon)
When a man is newly wed, he need not go out on a military expedition, nor shall any public duty be imposed on him. He shall be exempt for one year for the sake of his family, to bring joy to the wife he has married. অর্থ; “যখন একজন পুরুষ নতুন বিয়ে করে তখন তার সামরিক অভিযানে বা তার ওপর অর্পিত জনসাধারণের জন্য কোনো কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজন নেই। তাকে তার পরিবার ও বিবাহিত স্ত্রীর জন্য আনন্দ বয়ে আনার জন্য জীবনের একটি বছর উৎসর্গ করতে হবে।” (বাইবেল- অধ্যায়- ২৪/৫)

মধুচন্দ্রিমা কখন কোথায় কিভাবে উদযাপন করবেন? (Where, when and how to honeymooners)
সার্থকভাবে মধুচন্দ্রিমা উযযাপন করতে হলে দম্পতিকে যেসব টুকিটাকি করতে হবে তা সংক্ষিপ্তাকারে নিচে বর্ণনা করা হলো।

প্রস্তুতি (Preparation)
অনেক নতুন দম্পতির কাছেই মধুচন্দ্রিমা হলো বিয়ের দীর্ঘ ব্যস্ততার পর এক পশলা শান্তির বাতাস। তাই; মধুচন্দ্রিমা যতটা পরিকল্পনা মতো করা যায় ততোই ভালো। একটি পারফেক্ট হানিমুনের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন পরিকল্পনার। হানিমুন নিয়ে বিবাহ প্রত্যাশী সব তরুণ-তরুণীরই স্বপ্ন থাকে। মধুচন্দ্রিমার পরিকল্পনা করে রাখুন ছয় মাস আগে। বিয়ের ডামাডোলে এগুলো করার সুযোগ খুবই কম পাওয়া যায়। তাই; পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গে কিছু কাজ; যেমন; ফ্লাইট বুকিং, হোটেল বুকিং ইত্যাদি করে রাখা ভালো।

খোঁজখবর (Inquiries)
কোনো এলাকায় যাবেন সেখানকার পিক সিজন আর অফ পিক সিজন কোনটা, কোনো ট্রাভেল এজেন্ট ভালো, কারা কম খরচে সবচেয়ে ভালো ট্রাভেল অফার করছে- সব যাচাই করার জন্য ইন্টারনেটের সাহায্য নেয়াটাই ভালো। এমনকি; বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পেয়েও যাবেন হানিমুনের চমৎকার সব টিপস।

ব্যয় নির্ধারণ (Budget)

বিয়ের বাজেট থেকে আলাদা করে রাখুন মধুচন্দ্রিমার বাজেট। যদি বিয়ে আর মধুচন্দ্রিমার বাজেটের উৎস এক হয়, তাহলে মধুচন্দ্রিমার অংশটুকু অবশ্যই আলাদা করে ফেলুন। কোনো অবস্থাতেই এতে হাত দেয়া যাবে না। কারণ; বিয়ের মতো মধুচন্দ্রিমায়ও অনেক অজানা খরচ চলে আসতে পারে হুটহাট করে। পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য হাতে সেই টাকাটা রাখা প্রয়োজন। অনলাইনে বা ট্রাভেল এজেন্টদের কাছে গিয়ে জেনে নিন সবচেয়ে ভালো আর কম খরচের ট্রাভেল প্যাকেজ কোনটি। মধুচন্দ্রিমার বাজেটের ওপর পরিকল্পনা করতে পারেন আপনার গন্তব্য, থাকার জায়গা, খরচের ক্ষেত্র- সবকিছুই। তাই; পরিকল্পনায় সবার আগেই রাখুন বাজেট।

যুগলভ্রমণ (Pairs traveling)
হানিমুন ট্রিপের জন্য সময় বের করুন ওই পরিকল্পনা পর্যায়েই। নতুবা অফিসের ঝামেলা, বিয়ের ঝামেলা, আত্মীয়দের দাওয়াতের আবদার মেটাতে গিয়ে হানিমুনের সময় বের করাটা বেশ কষ্টসাধ্য। পরিকল্পনার সঙ্গে আরও দু-তিনটি দিন যোগ করে ফেলুন আগেই। পথে বিপদ-আপদের কথা মাথায় রেখেই হোক বা মধুচন্দ্রিমা আরেকটু দীর্ঘায়িত করার সুখ-স্বপ্নেই হোক। হাতে যদি সময় কম থাকে, কোনোভাবে, তাহলে একটা মিনি-মুন দিয়ে ফেলুন। একে আবার অনেকে প্রি-হানিমুনও বলেন। করপোরেট ঝামেলায় এখন যাদের ছুটি মেলে না, তারা দুই-তিন দিনের শর্ট ট্রিপে বেড়িয়ে আসেন আশপাশের কোনো জায়গা থেকে। হানিমুন করেন সময়-সুযোগ বুঝে আরও বেশ খানিক মাস পরে। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আপনার ভ্রমণের সময় কোনটি। অফ সিজনে কোনো গন্তবে পৌঁছার  চেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার আর কিছুই হতে পারে না। আগেই জেনে নিন পিক সিজন কোনটা। না হলে সেখানে গিয়ে সময়টা একঘেয়ে হয়ে পড়বে। আর আপনি মনে মনে চাইবেন এই ট্রিপটা যেন জলদি শেষ হয়। তাই; ইন্টারনেটে বা ট্রাভেল এজেন্টদের কাছ থেকে জেনে নিন, গন্তব্যের পিক আর অফ পিক সিজন কোনটা।

কাগজপত্র (The papers)

দেশের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে দেখে নিন আপনার পাসপোর্টের  মেয়াদ আছে কত দিন। কিছু কিছু দেশ অবশ্য পাসপোর্টে মেয়াদ দু’-এক মাস পেরিয়ে গেলেও ভিসা দিতে কার্পণ্য করে না। তবু কী প্রয়োজন ঝামেলার। পাসপোর্ট রিনিউ করতে তেমন ঝামেলায় পড়তে হয় না ইদানিং। আর সবুজ পাসপোর্টে বিড়ম্বনার কথা ন্যূনাধিক সবারই জানা! সব কাগজপত্র আপনার হ্যান্ডব্যাগে রাখুন। কোনো অবস্থাতেই কাস্টমসের হাতে দিয়ে বসে থাকবেন না। কারণ; কোনো লাগেজ হারিয়ে গেলে আপনার কাগজপত্রই সেই লাগেজ খুঁজে নিতে সাহায্য করবে। এখানে; কাস্টমসের সহযোগিতা কম পাবেন। আর কাগজপত্রে স্ত্রীর নাম যা আছে সেটাই দিন। তাতে কাস্টমসে ভিসার ঝামেলা কমে যাবে অনেকখানি। এবার প্রস্তুতির শেষ টিপসটা দিই। হানিমুন গন্তব্য রূপে এমন জায়গা নির্বাচন করুন, যেখানকার সোশ্যাল সিকিউরিটি ভালো, অপরাধের মাত্রা কম। না হলে যে কোনো ধরনের অপরাধের শিকার হতে পারেন আপনি। অথবা একটু জনবহুল জায়গায় যান যেখানে অপরাধ ঘটার আশঙ্কা কম থাকে।

সঙ্গীদ্রব্য (Packing)
আর দশটা ট্রিপের থেকে পৃথক হানিমুন প্যাকিং। কারণ; কমফোর্টেবল আর আকর্ষণীয় সব জামাকাপড় ঠাঁই পায় এর লাগেজে। তাই; গোছগাছের ধরনটাও একটু আলাদা হওয় তো উচিতই। সবার প্রথমে হ্যান্ডব্যাগে কাগজপত্র! পাসপোর্ট, ফ্লাইট টিকিট, ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স, হোটেল রিজার্ভেশন, ক্রেডিট কার্ড, মেডিকেল কাগজপত্র- সবই এতে থাকতে পারে। রুচিমতো আকর্ষণীয় বসন নিজে থেকেই নিবেন। কারণ; হানিমুনের ছবিতে নিজেকে রূপকথার রাজকুমার-রাজকুমারী দেখাতে কেউ কার্পণ্য করবেন না। তবে; সাজেশন হলো গর্জিয়াস কাপড়গুলো যেন অস্বস্তিকর না হয়। আর পরিবেশের সঙ্গে মানানসই হয়। সুন্দরবনে গিয়ে কেউ লাল শাড়ি, শরীরভর্তি গয়না আর হাই হিল পরবেন না এটা তো স্বাভাবিকই। আর কিছু কমন মেডিসিন ও স্কিনকেয়ারের দ্রব্যাদি রাখুন আপনার ফার্স্ট এইড কিটে। যেমন;  সানব্লক, চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করলে অতিরিক্ত একটি চশমা বা লেন্স, মাল্টিভিটামিন, পেইন কিলার, নিয়মিত কোনো ঔষুধ গ্রহণ করলে সেই ঔষুধ, অ্যালোভেরা জেল, অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম, স্যালাইন, অ্যালাজিব্র ঔষুধ, ব্যান্ড এইড, জল বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট (হ্যালো ট্যাব), ঠাণ্ডার ঔষুধ ইত্যাদি। তবে; যত স্বল্প বসনবাসনে ঘুরে আসতে পারেন ততো ভালো। কারণ; বাড়তি আয়তন আর ওজনের ব্যাগ প্রায়ই ঝামেলার কারণ হয় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে। তবে; যাত্রার আগে আপনার লাগেজের বেশ খানিকটা জায়গা অবশ্যই খালি রাখুন। কারণ; অনেক স্মৃতি আর স্যুভেনির জমা করে ফিরতে হবে তো!

ঘোরাঘুরি (Travel)
প্রস্তুতিপর্ব শেষ এবার ঘোরাঘুরি। এজন্য; কোনো বিধিনিষেধ নেই, ইচ্ছেমতো ঘুরুন। তবে; খেয়াল রাখুন আপনি নিজের মতো বা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঘুরছেন না। আপনার সঙ্গে রয়েছেন বিশেষ একজন, যার সবকিছুর দায়িত্ব এখন থেকে আপনার। তাই; পরিকল্পনার পর্যায় থেকেই তার মতামতের মূল্য দিন। হানিমুনের জন্য গন্তব্য দুজনে মিলে ঠিক করুন। আর পুরো ট্রিপে জীবন সঙ্গিনীকে তার প্রয়োজনীয় কমফোর্ট লেভেলটা দিন। কারণ; সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে; হানিমুন হলো নব দম্পতির জন্য আইস ব্রেকিং লেভেল। এই আইস যদি হানিমুনেও না ভাঙে আর ভাঙবে কবে? আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন কতটা সময় নিজেদের আর কতটা ঘোরাঘুরির। কারণ; অধিক ভ্রমণ আপনাদের ক্লান্ত করবে। দেখা যায়, নতুন টুরিস্টরা খুব সহজেই লোকাল ট্রাভেল এজেন্টদের ফাঁদে পা দেয় অধিক জায়গা ঘোরার ঝোঁকে। এখানেও; সেই একই কথা যাওয়ার আগে একটু পড়াশোনা ও প্ল্যান করে নিন। কোথায় কোথায় ঘুরবেন! এ ক্ষেত্রে হোটেলের রিসেপশন থেকেও তথ্য নিতে পারেন শেষ পর্যায়ে গিয়ে। যেখানেই যান না কেন, দু-একটা বই বা ল্যাপটপে কিছু ভালো মিউজিক ও মুভি নিয়ে যান। (সূত্রতথ্যঃ, আল মারুফ, ক্যানভাস)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!