মন্দির

৩৩/১৫. মন্দির
Temple (টেম্পল)/ ‘معبد’ (মুয়াব্বাদ)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা দেহ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা পৃথিবী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অশ্ব, গাড়ি, জাহাজ, তরী, বৃক্ষ হাতি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কানন, পাহাড়, বপু, বিপিন, ব্রজ ভুবন এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা দেবালয়, বিশ্ব, রথ, শাস্ত্র স্বর্গালয়। এ পরিভাষাটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহজরায়ু উভয় বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তারই ছদ্মনাম পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য; এর প্রকৃত দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা প্রত্যেক পাঠক-পাঠিকার একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
মন্দির (বাপৌছ)বি দেবালয়, পূজাগৃহ, ভজনালয়, বিহার, বেদী, মঠ, আশ্রম, আড্ডা, গৃহ, ভবন, বাড়ি, temple, ‘معبد’ (মুয়াব্বাদ) (প্র) বাঙালী পুরাণ মতে; প্রভুর প্রতি মনোস্থির করার পবিত্র স্থান বিশেষ (শ্ববি) দেহ, খাঁচা, ধড়, পিঞ্জর, body, জাসাদ (.ﺠﺴﺪ), বদন (.ﺒﺪﻦ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; বাঙালী পুরাণ মতে; প্রভুর প্রতি মন স্থির করার পবিত্র স্থানকে মন্দির বলা হয়. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানুষের স্থূল দেহকে রূপকার্থে মন্দির বলা হয় (বাপৌছ) দেবালয়, বিশ্ব, মন্দির, রথ, শাস্ত্র ও স্বর্গালয় (বাপৌচা) কানন, পাহাড়, বপু, বিপিন, ব্রজ ও ভুবন (বাপৌউ) অশ্ব, গাড়ি, জাহাজ, তরী, বৃক্ষ ও হাতি (বাপৌরূ) পৃথিবী (বাপৌমূ) দেহ {বাং. মন+ বাং. স্থির >}

মন্দিরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of temple)
১.   “বলো বলো কে দেখেছ, গৌরাঙ্গ চাঁদেরে, সে চাঁদ গোপীনাথ মন্দিরে গেল, আর তো এলো না ফিরে।” (পবিত্র লালন- ৬৮২/১)
২.   “মন্দিরে যাও সবার আগে, প্রার্থনা করিতে ভাগে, তাতে কিবা দয়াল জাগে, থাক সুখে আনন্দময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৩৬)(মুখ; মন তোর পূজা হলো ছাই সাঁইখানা নিলামে যায়, সাঁই দরশন না পাইলে কী হবে এ নাম ফাটাই”)

মন্দিরের সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of temple)
১.   “গুরু ধরে জ্যান্ত মরে, বসাও গুরু হৃদমন্দিরে, সিরাজ সাঁইয়ের চরণ ভুলে, লালন মিছে বেড়াও ঘুরে।” (পবিত্র লালন- ৪৭৫/৪)
২.   “নিহারায় চেহারা বন্দি, করো একান্তি, সাড়ে চব্বিশ জেলায় করো ফন্দি, পালাবে কোন শহরে, ত্বরায় দারোগা হয়ে, বন্দি করো স্বরূপ-মন্দিরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/২)

জরায়ু অর্থে মন্দিরপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology temple sense for uterus)
১.   “ত্রিপিটক ইঞ্জিল কুরান, জানগে বেদ রূপের সন্ধান, সদাই স্বরূপ কর ধিয়ান, নিজ-নিজ হৃদমন্দিরে।(বলন তত্ত্বাবলী- ৬৭)
২.   “ধ্যানযোগে তোমায় দেখি, তুমি সখা আমি সখী, মম হৃদমন্দিরে থাকি, স্বরূপ দাও গো দর্শন।” (পবিত্র লালন- ২৩৬/৩)
৩.   “শহর বেড়া অগাধ দোরে, তার মাঝখানে ভাবমন্দিরে, সে নিগম জায়গায়, পবনদ্বারে- চৌকি ফিরে, এমন ঘরে চোর আসে যায়।” (পবিত্র লালন- ১৯৮/২)

মন্দিরের সংজ্ঞা (Definition of temple)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; প্রভুর প্রতি মনোস্থির করার পবিত্র স্থানকে মন্দির বলে।

মন্দিরের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of temple)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জীবের স্থূল আকারকে দেহ বা রূপকার্থে মন্দির বলে।

মন্দিরের প্রকারভেদ (Variations of temple)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মন্দির দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান মন্দির ও ২. উপমিত মন্দির।

. উপমান মন্দির (Analogical temple)
বাঙালী পুরাণ মতে; প্রভুর প্রতি মনোস্থির করার পবিত্র স্থানকে উপমান মন্দির বলে।

. উপমিত মন্দির (Compared temple)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জীবের স্থূল আকারকে দেহ বা উপমিত মন্দির বলে।

মন্দিরের পরিচয় (Identity of temple)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। এ পরিভাষাটি একেক অঞ্চলের একেক শ্বরবিজ্ঞানে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হয়। সেজন্য; এটি; সাধারণ পাঠক-পাঠিকার তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণভাবে; হিন্দুদের উপাসনার পবিত্র স্থানকে মন্দির বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল মানব দেহকেই মন্দির বলা হয়। আর মানবদেহ বলতে পুরুষদেহ ও নারীদেহ উভয়ই বুঝায়। কারণ; পুরুষ অর্ধাঙ্গ ও নারী অর্ধাঙ্গী। আধা অঙ্গ ও আধা অঙ্গ মিলেই এক অঙ্গ হয়। এ কারণে আত্মজ্ঞানী, মরমী ও পৌরাণিক সাহিত্যিকরা পুরুষদেহ ও নারীদেহকে একত্রেই একজন মানুষ কল্পনা করে থাকেন। স্থূলদৃষ্টিতে যদিও পুরুষদেহ ও নারীদেহ ভিন্ন ভিন্ন। এ সূত্র মতে; পুরুষ-নারী দাম্পত্যে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে অর্ধ মানুষ রূপে অবস্থান করে। বিবাহের পর তারা পূর্ণাঙ্গ মানুষ রূপ লাভ করে থাকে। পূর্ণাঙ্গ এ মানবদেহের মধ্যেই প্রভু বা পালনকর্তার বাস। পালনকর্তাকে রূপকার্থে- নারায়ণ, নিরঞ্জন, নিমাই, প্রভু, বিষ্ণু, রাম, সাঁই, হরি ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। যুগে যুগে মহাসাধকগণ দেহ নামক এ মন্দিরে যজ্ঞ করেই পরম প্রভুর দর্শনলাভ করে মানবজন্ম ধন্য করেছেন। আজ পর্যন্ত কোনো গ্রন্থে কেউ বলতে সাহস করে নি যে; মানব দেহের বাইরে প্রভু বাস করেন। বরং সবাই বলেছেন যে; প্রভু মানবদেহের মধ্যেই বাস করেন। জনৈক কবি ফার্সিতে বলেছেন;

“মান্না গুঞ্জম দর জমিন আসমা,
লেকে গুঞ্জম দর কুলুবি মু’মিনা।”

মুসলমানদের হাদিসের মধ্যে আছে; “ﻘُﻟُﻭْﺐُ ﺍﻟْﻤُﺆْﻤِﻨِﻴْﻦَ ﻋَﺭْﺶُ ﺍﻟﻟَّﻪِ ﺘَﻌَﺎﻟٰﻰ” উচ্চারণ; “কুলুবুল মু’মিনিনা আরশুল্লাহি তা’য়ালা” অর্থ; “বিশ্বাসীদের হৃদয়াদিই মহান কাঁইয়ের আসন” (আলহাদিস)। আবার কুরানে আছে; “ نَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ” উচ্চারণ; “নাহনু আক্বরাবু ইলাইহি মিন হাবলিল ওয়ারিদ” অর্থ; “আমরা মোটাশিরা হতেও আরও নিকটবর্তী” (কুরান, ক্বাফ- ১৬)। আবার অন্যত্র বলা হয়েছে- “وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ” উচ্চারণ; “ওয়া ফি আনফুছিকুম আফালা তুবসিরুন” অর্থ; “তোমাদের মধ্যেই অবস্থিত কিন্তু তোমরা দেখ না”- (কুরান, জারিয়াত- ২১)। এসব বাণীই প্রমাণ করে যে; মহান প্রভুর বাস এই মানবদেহে। এই মানবদেহে উপাসনা করেই প্রভুর দর্শনলাভ করতে হয়। এখন আমরা বলতে পারি শ্বরবিজ্ঞানে দেহধামকেই মন্দির বলা হয়। আর পুরুষদেহ ও নারীদেহকে একত্রে দেহধাম বলা হয়।

মন্দিরের দেহতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা (The theological explanation of the temple)

সুমহান রূপকারগণ এই মানবদেহের ভজন-সাধনের জন্য একটি নির্জন স্থান কল্পনা করে থাকেন। এ সূত্র ধরে মানব দেহের অনুরূপ মাটির ঘর নির্মাণ করেন। সে ঘরে তারা প্রত্যাহিক আরাধনা-উপাসনা করে থাকেন। এই কল্পিত বা উপমান ঘরকেই মন্দির, মসজিদ, বেদি, বিহার, দেবালয়, দেবধাম ইত্যাদি বলা হয়। অথচ বড় হতাশ হবার বিষয় হচ্ছে সাম্প্রদায়িকরা কালক্রমে মানবদেবরূপ প্রকৃত মন্দিরটি ভুলে গিয়ে বর্তমানকালে কেবল মাটি, ইঁট, পাথর বা বাঁশ দিয়ে নির্মিত মন্দিরের ভক্ত হয়ে পড়েছে। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা ঐ কৃত্রিম মন্দিরেই আরাধনা করছে। সেখানে তারা না পাচ্ছে প্রভুর দর্শন আর নাই পাচ্ছে জন্মমুক্তি। অন্যদিকে; এসব হতাশা ও বিভ্রান্তি হতে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীবৃত্তি। বর্তমানকালে বিজ্ঞান, দর্শন ও যুক্তিবিদ্যার অনেক উন্নতি হয়েছে। শ্বরবিজ্ঞানের অনেক সূত্র ও অনেক টীকা আবিষ্কার হয়েছে। তাই; সবিনয় অনুরোধ সাম্প্রদায়িক যে কোনো বিষয়-আশয় বিজ্ঞান, দর্শন ও যুক্তি দ্বারা যাচাইবাছাই না করে গ্রহণ করা কোনো মানুষেরই উচিত নয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!