রতী

৮৭/১২. রতী
Venus (ভিনাস)/ ‘الزهرة’ (আজ্জোহরা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা শুক্র। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ধন। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন রুটি। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রাধা, সীতা সুন্দরী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা স্বর্গীয় ফল

অভিধা (Appellation)
রতী (বাপৌচা)বিস্ত্রী শুক্র, শুক্রাণু, বীর্য, ধাতু, বিন্দু, venus, ‘الزهرة’ (আজ্জোহরা), semen, ‘.ﻤﻧﻰ’ (মনি), ‘.ﻧﻂﻔﺔ’ (নুত্বফা) (প্র) বাঙালী পৌরাণিক কামদেবতা মদনের স্ত্রী ও দক্ষের কন্যা। কামাকাঙ্ক্ষার দেবী। তাঁর অন্য নাম কামী, প্রীতি, মায়াবতী, কেলীকলা ও সুভঙ্গী ইত্যাদি (শ্ববি) গোবিন্দ, জল, বারি, পিতৃধন  অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ইদে).ﺍﺪﻢ’ (আদম), ‘.عزى’ (উয্যা), ‘.ﺠﻦ’ (জিন), ‘ফা.ﭙﺮﻯ’ (পরি), ‘الزكاة’ (আজ্ঝাকাত), ‘.ﻟﻮﻄ’ (লুত্ব), ‘ﻴﺯﻴﺪ’ (ইয়াজিদ) ‘.ﺯﻟﻴﺠﺎ’ (জুলেখা), ‘. ‘ﺯﻫﺭﺍﺓ’ (জোহরা), ‘.بلقيس’ (বিলকিস) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা). পুরাণের মদনের স্ত্রীকে রতী বলা হয় . মৈথুনে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে শুক্র বা রূপকার্থে রতী বলা হয় (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা ও স্বর্গীয় ফল (বাপৌচা) দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন ও রুটি (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র।

Venus বিণস্ত্রী রতীদেবী, কামদেবী, প্রেমদেবী, সুন্দরী, স্বর্গবেশ্যা, অপ্সরা, কিন্নরী, ‘الزهرة’ (আজ্জোহরা), ‘الزهره’ (আজ্জাহারা), ‘كوكب الزهرة’ (কাওকবা আজ্জোহরা) (প্র) সৌরজগতের শুক্রগ্রহ বিশেষ {}

(প্র). বাঙালী পৌরাণিক কামদেবতা মদনের স্ত্রী ও দক্ষের কন্যা। কামাকাঙ্ক্ষার দেবী। তাঁর অন্য নাম কামী, প্রীতি, মায়াবতী, কেলীকলা, সুভঙ্গী ইত্যাদি।

. কাম বা কামাকাঙ্ক্ষার দেবী। এঁর অন্যান্য নাম; কামী, প্রীতি, কামপত্নী, কামকলা, কামপ্রিয়া, রাগলতা, মায়াবতী, কেলীকলা, সুভঙ্গী ইত্যাদি। ইনি কামদেবের স্ত্রী ও দক্ষের কন্যা। কালিকা পুরাণে আছে- প্রজাপতি দক্ষ নিজের কন্যা রতীকে দেখিয়ে কামদেবতাকে বললেন; এ আমার দেহজাত কন্যা এবং গুণে তোমার অনুরূপ! ধর্মত তোমার সহচারিণী এবং কার্যত তোমার বশবর্তিনী হবে। দক্ষ এ কথা বলে নিজের শরীর হতে স্বেদজলসম্ভূতা কন্যাকে রতী নাম দিয়ে কামদেবের হাতে সমর্পণ করলেন। এ কামপত্নীকে দেখে দেবতাগণ এঁর প্রতি অত্যন্ত অনুরক্ত হলেন। মহাদেবের কোপে কামদেব ভষ্মীভূত হলে রতী প্রাণপ্রিয় স্বামীকে পুনর্জীবিত করবার জন্য মর্ত্যলোকে মায়াবতী রূপে জন্মগ্রহণ করেন।

রতীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of venus)
১.   “আগে গুরুরতী কর সাধনা, ভব বন্ধন কেটে যাবে, আসা যাওয়া রবে না।” (পবিত্র লালন- ৬৯/১)
২.   “ভবের ভাই বন্ধু জ্ঞাতি, কেউ হয় না সঙ্গের সাথী, লালন বলে গুরুরতী, কর সাধনা।” (পবিত্র লালন- ৯৮১/৪)(মুখ; হক্ব নাম বলো রসনা, যে নাম স্মরণেরে মন, যাবে যম যাতনা।”)
৩.   “মন হয়েছে পবনগতি, উড়ে বেড়ায় দিবারাতি, লালন বলে সে গুরুরতী, রয় না মন সুহালে।” (পবিত্র লালন- ৪৪২/৪)(মুখ; চাতক স্বভাব না হলে, অমৃত- মেঘের সে বারি, কথায় কী মিলে।”)
৪.   “রসরতী অনুসারে, নিগূঢ়ভেদ জানতে পারে, রতী ও মোতি ঝরে মূল খণ্ড হয়।” (পবিত্র লালন- ৮৮৬/২)(মুখ; শুদ্ধপ্রেম রসিক বিনা, কে তারে পায়, যার নাম আলেক-মানুষ আলেকে রয়।”)

রতীর কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of venus)
১.   “অন্ধকারে রতীদানে, ছিল পতির রূপদর্পণে, হলো পতির সঙ্গে গতি, হলো নীরে নীরে পদ্মময়।” (পবিত্র লালন- ৮৯৮/৩)
২.   “অরুণ বরুণ বায়ু ক্ষিতি, এ চাররসে নিষ্ঠারতী, সে রসে জ্বালাও বাতি, ত্রিসন্ধ্যা বারোমাস।” (পবিত্র লালন- ২৭৫/৩)
৩.   “আকাশ পাতাল মিলে দেহরতী, উপাসনায় চাই সে মোতি, যদি চেতনগুরু পাই- তারে শুধাই, লালন বলে ঘুচাই মনের দিশে।” (পবিত্র লালন- ৩৬১/৪)
৪.   “আগে উদয় কামরতী, রস আগমন তারই সাথী, সে রসে হয়ে স্থিতি, খেলছে মানুষ প্রেমদাতা।” (পবিত্র লালন- ৮৮৬/২)
৫.   “আড়াপদ্মের কোড়া ধরে, ভৃঙ্গরতী চলেফেরে, সে পদ্ম কোন পদ্মের পরে, বিকশিত হয় কখন।” (পবিত্র লালন- ৪৬২/৩)
৬.   “আদম বলো কোন নূরে হয়, মা হাওয়া সেকি নূর নয়, কয় রতী নূর ঝরে কোথায়, এর ভেদ খুলে বলো।” (পবিত্র লালন- ৬০৮/৪)
৭.   “কাম থেকে যে নিষ্কামী হয়, কামরতী হয় শক্তির আশ্রয়, লালন ফকিরে- ফাঁকে ফিরে, কঠিন দেখেশুনে।” (পবিত্র লালন- ২৪২/৫)
৮.   “কোন রসে কোন রতীর খেলা, জানতে হয় এবেলা।” (পবিত্র লালন- ৩৬৪/১)
৯.   “ক্ষীর মোতি সুধা রতী, দুগ্ধ মান মহান অতি, দেখিতে পাবিরে সেইখানে- সপ্তবিংশে হয়রে উদয়, কালোশশীর পরিচয়, বলন কয় দিব্যজ্ঞানে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৭)
১০. “গয়া কাশী মক্কা মদিনা, বাইরে খুঁজলে ধান্ধা যায় না, দেহরতী খুঁজলে পাবি মনা, সব তীর্থের ফল গিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৯১/৩)
১১.  “গুরুকে ভজনা করো মন, ভ্রান্ত হইও না, সদাই থেক সচেতন, অচেতনে ঘুম যেও না, মন তোর আসা যাওয়ায় দিন ফুরাল, গুরুরতী ঠিক হলো না।” (পবিত্র লালন- ৩৯০/১)
১২.  “গুরুর সাথে করলে নিষ্ঠারীতি, জলের সাথে হয় পিরিতি, বাঁধে নয়নে দেহরতী, সুজন সুদিন ঘাটে গেলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৬)
১৩. “তথায় ক্ষীরোদ রতীরসে, মানুষ অথৈসাগরে ভাসে, রত্নবেদীর ঊর্ধ্বপাশে, কিশোর কিশোরী রয়।” (পবিত্র লালন- ৪৮৭/৩)
১৪. “দ্বিদলে করিয়া স্থিতি, রতী কর উর্ধ্বগতি, পঞ্চবাণ অষ্টাঙ্গ নীতি, বলন কাঁইজি বলে তাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৭)
১৫. “না হলে শ্রী রূপের অনুগত, না জানলে রসরতীর তত্ত্ব, লালন কয় আইন মতো, নিরীক্ষ কিসে হয়।” (পবিত্র লালন- ৭০০/৪)
১৬.  “নিগূঢ় প্রেমরস রতীর কথা, জেনে মুড়াও মনের মাথা, কেন লালন ঘুরিস বৃথা, শুদ্ধ সহজ পথ ভুলে।” (পবিত্র লালন- ৭৯৪/৪)
১৭. “নির্মলপ্রেম করে সাধন, শম্ভু-রসে স্থিতিতে করো গমন, সামান্য নয় রতী নিরূপণ, সিরাজ সাঁইজি কয়রে লালন, শ্যামাঙ্গ গৌরাঙ্গ হয়।” (পবিত্র লালন- ৬৫১/৪)
১৮. “পঞ্চতত্ত্ব পঞ্চপ্রীতি, মোতি রতীর উর্ধ্বগতি, ভাগ্যরাতি কল্যাণরাতি, বলন বলেন সাঁইরাতি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৬)
১৯.  “পেলে সে অরুণ কিরণ, কমলিনির হয় প্রফুল্ল বদন, তেমনি, রতী– সাধন গতি, নিও আকর্ষণে টেনে।” (পবিত্র লালন- ২৪২/৩)
২০. “বাঞ্ছা থাকলে সিদ্ধি মুক্তি, তারে বলে হেতুভক্তি, নির্হেতু ভক্তের রতী, সবেমাত্র দিননাথের পায়।” (পবিত্র লালন- ৭৫০/৩)
২১.  “বারো চৌদ্দেতে যাইয়া-স্থিতি হয় রতীতে গিয়া, সারি সারি রয় দাঁড়াইয়া- ত্রিশ হাজার হইতে পার- ত্রিবেণীর কোমলকোঠায়- বসে থাকে দয়াল গোঁসাই, গুরু নামের দিয়া দোহাই- হইয়া যায় নদী পার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩১)
২২. “মৃণালদণ্ডের উত্তাপাদি, নিয়ন্ত্রন করো রাখ রতী, বলন কয় শাসন দূর্গতি, ঘটলে জনম বৃথা যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬২)
২৩. “যথা নীরের হয় উৎপত্তি, সে আবেশে জন্মে শক্তি, মিলন হয় যুগলরতী, ভাসে তখন নীর আকারে এসে।” (পবিত্র লালন- ৯০৯/২)
২৪. “যাবি যদিরে রতীরণে, ভজ সাধুর চরণ কোণে, দৃঢ় বিশ্বাস রাখি মনে, সহজে পার হয়ে যাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৮)
২৫. “যেমন অটলসাধনকে পাহাড় বলে গ্রন্থে বর্ণনা, তেমনই; রতীপাতকে মরণ বলে রয়েছে ঘোষণা, রূপকার্থে লেখাজোখা, সর্বগ্রন্থে প্রমাণ আছে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৯)
২৬. “রতীর গিরা ফসখা মারা, শুধুই কথার ব্যবসা করা, তার কী হয় সে রূপ নিহারা, মিছে গোল বাঁধায়।” (পবিত্র লালন- ৭২১/২)
২৭. “রসরতীর নাই নিরূপণ, আন্দাজি করি সাধন, কিসে হয় প্রাপ্তি সে ধন, ঘুচে না মনের ঘোলা, উজানে কী ভেটেনে পড়ি, ত্রিবেণীর তীর নালা।” (পবিত্র লালন- ৩৬৫/৪)
২৮. “রসিক যারা সচেতন, রসরতী টানে উজান, রূপ উদয় পেলে, লালন গোঁড়া- লেংটি এড়া, মিছে বেড়ায় রূপ ভুলে।” (পবিত্র লালন- ২৯৩/৪)
২৯. “লালন বিনয় করে সিরাজের পায়, স্বামী মারলে নালিস করব কোথায়, স্বামী মোর প্রাণপতি- কী দিয়ে রাখব রতী, কেমনে হব সতী, চরণে।” (পবিত্র লালন- ২৬৬/৪)
৩০. “শতদল কিংবা হাজার দল, তাতে রসরতী করে চলাচল, চলে বিদ্যুৎগতি- দ্বিদলে স্থিতি, ষড়দলে বারাম যুগান্তরে।” (পবিত্র লালন- ৩১৫/৩)
৩১. “শুদ্ধপ্রেম রসিক হলে, রসরতী উজান চলে, ভিয়ানে সদ্য ফলে, অমৃতমিছরি ওলা, লালন বলে আমার কেবল, প্রেমজল তোলা ফেলা।” (পবিত্র লালন- ৩৬৫/৫)
৩২. “শুদ্ধপ্রেম সাধল যারা, কামরতীকে রাখল কোথা, বলো রসিক রসের মুয়াফিক্ব, ঘুচাও আমার মনের ব্যথা।” (পবিত্র লালন- ৮৮৮/১)
৩৩. “শূন্য জ্যোতিকা হতে সৃষ্টি বাতাসের গতি, বায়ু জ্যোতি ঢেউ খেলিয়া হলো প্রেমরতী, সাঁই দিবারাতি ডিম্বগতি- নামে অপরূপ মতি, শূন্যের ওপর থাকে ঘর বান্ধিয়া বৃন্দাবন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯)
৩৪. “শোণিত শুক্র চম্পকলি, প্রকৃত স্বরূপ কারে বলি, চম্পকলির অলি যেজন, ভৃঙ্গরতী করো নিরূপণ, গুরু ভেবে কয় লালন, কিসে যাবে তারে ধরা।” (পবিত্র লালন- ৬০৩/৪)
৩৫. “ষোল আনা রাখতে রতী, ধরতে হয় ভাব প্রকৃতি, গুরু দেয় পূর্ণরতী, হৃদকমলে বসে।” (পবিত্র লালন- ৪০৭/৩)
৩৬. “সামর্থ্যকে পূর্ণ জেনে, বসে আছো সে গুমানে, যে রতীতে জন্মে মোতি, সে রতীর বা কী আকৃতি, যারে বলে সুধাপতি, ত্রিলোকের সে নিহারা।” (পবিত্র লালন- ৬০৩/৩)
৩৭. “সহজে সে রাইরতী দান, শ্যামরতীর কই হয় প্রমাণ, লালন বলে তার সন্ধান, পায় কী গুরু বিনে।” (পবিত্র লালন- ৭০৫/৪)
৩৮. “সিরাজ সাঁইজির বচন, জন্ম-মৃত্যু ফাঁদরে লালন, তুই এড়াবি কিসে, আপনাপন রতী করলে ঊর্ধ্বগতি, সে যাবে বেঁচে।” (পবিত্র লালন- ৫৯/৫)
৩৯. “সেই পঞ্চরস অমৃতসুধার বাণিজ্য মেলায়, দুগ্ধ রতী সুধা মধু কত যে ভেঁসে বেড়ায়, বলন কাঁইজি ভেবে বলে, ত্রিবেণীর দরজা খুলে, পঞ্চরস নিও তুলে জনমভরি (ও ভোলা মন)।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪১)

অটল অর্থে রতীপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for semen keeper)
১.   “অখণ্ড উদ্ভাসরতী, রসিকের প্রাণরসের পতি, লালন ভেবে কয় সম্প্রতি, দেখ খুঁজে দেহখানা।” (পবিত্র লালন- ৭৪৮/৪)
২.   “অনাত্ম নিবৃত্তি হলে, নিষ্ঠারতী তারে বলে, কাম ব্রহ্মাণ্ড সাকার মূলে, উদয় হয় গুরুমূর্তি।” (পবিত্র লালন- ৭৭/৩)
৩.   “আগে মন হও প্রকৃতি, প্রকৃতি স্বভাব ধরে, সাধন করে হও ঊর্ধ্বরতী।” (পবিত্র লালন- ৭৭/১)
৪.   “আত্মতত্ত্ব যে জেনেছে, সাঁইদর্শন সে পেয়েছে, মানবজনম সার্থক হয়েছে, বলন কয় সে রতীধর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৩)
৫.   “খায় তার নামের সুধা, খেলে যায় ভবক্ষুধা, গরলকে ভেবে সুধা, পান করে না তারা, সদাই থাকে নিষ্ঠা-রতী, হয় মরার মরা অতি, তুলে মণিমুক্তা রত্নহীরা, অর্থলোভী লায়েক্ব যারা।” (পবিত্র লালন- ৬৫৮/৩)
৬.   “পাগল মন ঊর্ধ্বরতী শিখো, নিষ্ঠা সাধু কাছে, ভাঙ্গিয়া সেই ননির হাঁড়ি, মনের মত খাও বসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৮)
৭.   “প্রবর্ত্যরে কাজ আগে সার, মেয়ে হয়ে মেয়ে ধরো, সাধনদেশে নিশান গাড়, চালান রবে ষোল আনা, রেখ শ্রীগুরুতে নিষ্ঠারতী, ভজন পথে রেখ মতি, আঁধার ঘরে জ্বলবে বাতি অন্ধকার রবে না।” (পবিত্র লালন- ৬৯/৩)
৮.   “প্রেমদানিতে রয় লুকাইয়া হইয়া রতীধর, কামেতে দণ্ড দিয়া প্রকাশ হয় ধরার পর, জীব তরাতে সেতুর ’পর- নিজ কর্মে রয় বরাবর, রহে বাতাসের ’পর শাস্ত্রে কয় জীবের জীবন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯)
৯.   “বৈদিক এক সাধন আছে, তারে রাখ আগে পিছে, সে সাধন করতে গেলে, শুরু হয় ঊর্ধ্বরতী।” (পবিত্র লালন- ৭৭/৪)
১০. “মনে রাখলে লীলার বাসনা, ঊর্ধ্বরতী সাধন হয় না, শান্তরতীও মুক্তি দেয় না, বলন কাঁইজি ভেবে কয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৪)
১১.  “মহতে কয় পূর্বে থাকলে সুকৃতি, দেখেশুনে গুরুপদে রয় নিষ্ঠারতী, সে পুণ্য মোর থাকত যদি, তবে কী হতাম এমন মরা।” (পবিত্র লালন- ৬১/৩)
১২.  “রসিকের ভঙ্গিতে যায় চেনা, দেখ তার শান্তচিত্ত ঊর্ধ্বরতী, মায়া বরণ কাঞ্চা সোনা।” (পবিত্র লালন- ৮৫৮/১)
১৩. “সুঁই ছিদ্রে চালায় হাতি, বিনা তেলে জ্বালায় বাতি, সদাই থাকে নিষ্ঠারতী, ঠাঁই অঠাঁইয়ে সব জায়গায়।” (পবিত্র লালন- ৫৬০/২)

রতীর সংজ্ঞা (Definition of venus)
বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; মদনের স্ত্রীকে রতী বলে।

রতীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of venus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নরদেহের শুক্রকে রতী বলে।

রতীর প্রকারভেদ (Variations of venus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রতী দুই প্রকার। যথা; ১. অপক্বরতী ২. পক্বরতী।

. অপক্বরতী (Greenish venus)
সাধারণত; কিশোরদের দাড়ি গোঁফ উদ্গত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রতীকে অপক্বরতী বলে।

. পক্বরতী (Ripe venus)
সাধারণত; পুরুষের দাড়ি ও গোঁফ উদ্গত হওয়ার পরবর্তী রতীকে পক্বরতী বলে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রতী দুই প্রকার। যথা; ১. শান্তরতী ও ১. ঊর্ধ্বরতী।

. শান্তরতী (Abstemious)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; দাম্পত্য পরিত্যাগ করে রতী নিয়ন্ত্রণকারীকে শান্তরতী বলে।

. ঊর্ধ্বরতী (Ascetic)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; দাম্পত্য অটুট রেখে রতী নিয়ন্ত্রণকারীকে ঊর্ধ্বরতী বলে।

রতীর উপকার (Benefits of venus)
১.    রতী অত্যন্ত জৈবিক শক্তিসম্পন্ন উপাদেয় বস্তু।
২.   এটি; বংশগতির ধারা রক্ষা করে।
৩.   এটি; শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে নিরোগ করে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে রতী দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান রতী ও ২. উপমিত রতী।

. উপমান রতী (Analogical venus)
সাধারণত; পুরাণে মদনের স্ত্রীকে উপমান রতী বলে।

. উপমিত রতী (Compared venus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নরদেহের শুক্রকে উপমিত রতী বলে।

রতীর পরিচয় (Identity of venus)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। দেবতাগণের কামবাসনা নেই। এজন্য; তারা রমণক্রিয়াও করেন না। যারফলে; তাদের শুক্রপাতও নেই। শুক্রপাতহীনতা দেবতাগণের স্বভাব। সাধকগণ দেবতাগণের শুক্রপাতহীনতা স্বভাবটি অর্জন করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেন। অবশেষে শুক্রপাত বন্ধ করে বা শুক্র নিয়ন্ত্রণ করে দেবতার স্বভাব গ্রহণ করেন। দেবতার স্বভাব গ্রহণ করে সাধকগণ জীবকুল বা লোককুল হতে দেবতাকুলে উন্নীত হন। অতঃপর; সাধকগণ ঈশ্বরের গুণাবলী অর্জন করে দেবতাকুল হতে ঈশ্বরকুলে পদার্পণ করে থাকেন। ব্রহ্মবিদ্যায় বিশেষ ব্যুৎপত্তিলাভকারী ঈশ্বর কুলে উন্নীত শ্রেষ্ঠ জনহিতৈষী ব্যক্তিকে মহামানব বলা হয় যেমন; লালন। শুক্র নরদেহের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিশালী পদার্থ। কাম ক্রিয়া বা মৈথুনের দ্বারা এ মহামূল্যবান পদার্থটি অবহেলায় ও অনাদরে প্রতিনিয়তই নষ্ট করে ফেলে অবোধ প্রকৃতির নরগণ। তারা শুক্রপাত করেই চরমতৃপ্তি বা চরমপুলক লাভ করে থাকে। এ শুক্রের মধ্যেই জীবনীশক্তিরূপ পরম-সত্তা কাঁই সুপ্তাবস্থায় অবস্থান করেন। শুক্রের মধ্যে সুপ্ত বা লুকায়িত এ জীবনীশক্তিকেই আরবিভাষার শ্বরবিজ্ঞানে; ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ) বলা হয়।

মৈথুনের সময় একবার যে শুক্র নিঃসৃত হয়; তারমধ্যে; প্রায় ১৮ হতে ২০ লক্ষ শুক্রকীট বা মনুষ্যশক্তি অবস্থান করে। শুক্র অত্যন্ত শক্তিশালী সুপেয় ও অত্যন্ত জৈবিক শক্তিসম্পন্ন জীবজ বা প্রাণীজ খাদ্য। এটা কোনো ক্রমেই যত্রতত্র নষ্ট করবার বস্তু নহে। এটা স্রষ্টা প্রদত্ত স্বর্গীয় সুপেয় পদার্থ। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ একত্র হয়েও এক ফোটা শুক্র প্রস্তুত করতে সক্ষম নয়। বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক গ্রন্থেই এর রক্ষণাবেক্ষণের কঠোর বিধিব্যবস্থা রূপকার্থে আলোচনা করা হয়েছে। যদিও সাধারণ লোকজন মৈথুনে শুক্রপাতেই চরমপুলক লাভ করে থাকে কিন্তু সাধুগণ শুক্র রক্ষাতে অমৃত সুখলাভ করে থাকেন। অধিক শুক্রক্ষরণে মানুষের আয়ু হ্রাস পেতে থাকে, পক্ষান্তরে; শুক্র রক্ষায় আয়ু বাড়তে থাকে। মৈথুনে শুক্ররক্ষা করার অভ্যাস করলে জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প কোনো পদ্ধতির প্রয়োজন হয় না। দাম্পত্য জীবনে নর-নারী উভয়ের সুস্বাস্থ্যই অটুট থাকে। যারফলে; অনেক অর্থও সাশ্রয় হয়। মৈথুনে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করাকেই আত্মদর্শনে অটল বলে। বৈতরণী অতিক্রম করে সাঁইরাজ্যে বা কাঁইরাজ্যে প্রবেশ করে জীবের পালনকর্তা সাঁই এবং জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁইয়ের সাথে শুভ সাক্ষাৎলাভ করতে হলে সর্বপ্রথমে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে হয়।

শুক্রপাত করাই পশুত্ব এবং শুক্রনিয়ন্ত্রণ করাই দেবত্ব। কারণ; অবলা পশুরা শুক্র নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতি জানে না, আবার তারা শুক্র নিয়ন্ত্রণ করলে, দ্রুত তাদের বংশবৃদ্ধিও হবে না। যারফলে; জীবের খাদ্য ক্রমে ক্রমে হ্রাস পেতে থাকবে। কারণ; জীব জীবের খাদ্য। আবার তারা সন্তান লালনপালনের জন্য ততো উদ্বিগ্নও থাকে না। অবলা পশুপাখির খাদ্যের অভাব তেমন লক্ষ্য করা যায় না। তেমনই; তাদের সুখেরও চিন্তা নেই। তেমনই; তাদের দীর্ঘায়ুরও চিন্তা নেই, নেই তাদের সুস্বাস্থ্যের প্রবল আকাঙ্ক্ষা। তারা মৈথুনে শুক্রপাত করতে পারে। তারা তাদের অমূল্য প্রাণধন নষ্ট করতে পারে কিন্তু সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ যার বিবেক বুদ্ধি ও বিচারশক্তি রয়েছে, যার দীর্ঘায়ু কামনা ও সুস্বাস্থ্য কামনা রয়েছে। সে কিভাবে অবহেলায় অনাদরে যত্রতত্র অমূল্য প্রাণধন বা নরদেহের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বলসম্পন্ন শুক্রসম্পদ নির্বিচারে নষ্ট করতে পারে। যুগে যুগে বিজ্ঞ সাধুগণ এ শুক্রসম্পদ সংরক্ষণের জন্য অসংখ্য গ্রন্থ নির্মাণ করে গেছেন কিন্তু নির্বোধ মানুষ সেসব মহান শিক্ষা ত্যাগ করে পুনরায় পশুত্বভাব গ্রহণ করেছে।

একমাত্র শুক্র নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই সাধকগণ জীবকুল হতে দেবতাকুলে উন্নীত হন। শুক্র নিয়ন্ত্রণকারী অটল পুরুষকে শ্বরবিজ্ঞানে; দেবতা বলা হয়। অটলপুরুষকে মহাপুরুষও বলা হয়। কেউ কেউ অটল পুরুষকে ব্রজের জ্যান্ত কৃষ্ণও বলে থাকেন। শুক্র নিয়ন্ত্রণকারী পুরুষগণের চরিত্র ভদ্র, সভ্য, ভব্য, মধুর ও অত্যন্ত সুন্দর হয়। সর্ব সময় চিত্তে প্রশান্তি লক্ষ্য করা যায়। একজন অটল পুরুষকে দেখলেই শান্তশিষ্ট সুবিজ্ঞ ও জ্ঞানী বলে মনে হয়। সাধারণত এমন অটল পুরুষকেই মহামানব বলা হয় (তবে; ব্রহ্মবিদ্যায় বিশেষ ব্যুৎপত্তিলাভকারী ঈশ্বর কুলে উন্নীত শ্রেষ্ঠ জনহিতৈষী ব্যক্তিকে মহামানব বলে। যেমন; লালন)। অটল-মানুষ আর মানুষ থাকে না। তিনি তখন দেবতা রূপে অবলাকুলে পরিচিত হন। এমন দেবতাকে বনের বাঘ ও জলের কুমির সবাই শ্রদ্ধা করে। এমনকি; আকাশের মেঘ তাকে ছায়া করে, বাতাস তার কথায় চলাফেরা করে এবং আকাশের উড়ন্ত পক্ষীকুলও তাকে ভক্তি করে। এ অটলশক্তির বলে আত্মশুদ্ধির পর মানবকুল হতে দেবতাকুলে পদার্পণ করলেই তাকে সাধু বলা হয়। সাধু সিদ্ধিস্তরে গিয়ে সাঁইদর্শন করতে পারলে তাকে সাঁইজি বলা হয়। এমন অটলত্ব অর্জনকারী ও সাঁইদর্শনকারী সিদ্ধ পুরুষগণই শতাধিক বছর আয়ুলাভ করে থাকেন এবং বাকসত্য শক্তিলাভ করেন। মনে মনে যা ভাবে তা-ই হয়, সাধকের এমন শক্তিকে বাক্সত্য শক্তি বলে। মোট কথা- শুক্রনিয়ন্ত্রণ বা অটল হচ্ছে সিদ্ধির অসি

প্রামাণ্য গ্রন্থ (Authoritative books)
১.   ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমী, ৭ম পুনর্মুদ্রণ, জ্যৈষ্ঠ ১৪১২/জুন ২০০৫।
২.   পৌরাণিক অভিধান- নবম প্রকাশ, পৌষ- ১৪১২, দাস অফসেট প্রসেসর, ২৫ গুলু ওস্তাগার লেন, কলকাতা-৭০০ ০৩৬।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!