শুক্রাচার্য

৫৮/১৫. শুক্রাচার্য
Seminiferous (সেমিনিফেরাস)/ ‘المنوية’ (আলমুনায়্যিয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বলাই পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা শিশ্ন। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা বলাই। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বৈঠা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা আঁচল, খুঁটি, গাছ, চরণ, দৈত্য, লাঠি হাত। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনস্থী, আঙ্গুল, কর্ণ, জগাই, জনক বিম্বল এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কামগুরু, কিরীটী, বণিক, বাবা, বামন, মরা শ্রীচরণ

অভিধা (Appellation)

শুক্র (বাপৌমূ)বি শুক্রগ্রহ, শুকতারা, চক্ষুপীড়া বিশেষ (পরি) বীর্য, রেত, রতী, ধাতু, বিন্দু, জ্যোতি (প্র) দৈত্যগুরু ভার্গব (শ্ববি) কালী, দুর্গা, বুড়ী, বেশ্যা, রতী, সীতা, সুন্দরী।

শুক্রাচার্য (বাপৌচা)বি শুক্রবহনকারী আচার্য, শুক্রবাহী আচার্য, শুক্রলালনপালন করে যে আচার্য, seminiferous, ‘المنوية’ (আলমুনায়্যিয়া), seminal, spermatic, spermarian, dickhead, ‘جنس’ (জান্নাসা) (প্র) দৈত্যগুরু ও ভৃগুমুনির পুত্র। সেজন্য; তিনি ভার্গব নামেও পরিচিত। তাঁর অন্য নাম উশনা। তিনি দৈত্যরাজ বলির গুরু এবং দৈত্যদের পুরোহিত ও গুরু ছিলেন। তিনি শ্বেতবর্ণ ও শ্বেতবস্ত্রধারী। তিনি ছিলেন সর্বশাস্ত্র প্রবক্তা (আপ্রশ) শিশ্ন, বাঁড়া, মেঢ়্র, হোল, penis, জকর (.ﺬﻜﺭ) (আঞ্চ) সোনা, পোতা, ধন (শ্ববি) বলাই, কামদেব, নারদ, বিম্বল, মদন, মন্মথ, মহাদেব, মাধব, রাবণ, লাঠি, শিব, হাত, পা, গাছ, রশি (ইদে) আসা (.ﻋَﺼَﺎ), জাকারিয়া (.ﺯﻜﺭﻴﺎ), শিমার (.ﺸﻤﺭ), হাবিল (.ﺤﺎﺒﻞ), মারুত (.ﻤﺎﺭﻮﺕ) (ইংপ) finger (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বলাই পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . পুরাণের দৈত্যগুরু ও দেব পুরোহিতকে শুক্রাচার্য বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; বলাই বা বিম্বলকে শুক্রচার্য বলা হয় (বাপৌছ) কামগুরু, কিরীটী, বণিক, বাবা, মরা ও শ্রীচরণ (বাপৌচা) অনস্থী, আঙ্গুল, কর্ণ, জগাই, জনক, বিম্বল ও শুক্রাচার্য (বাপৌউ) আঁচল, খুঁটি, গাছ, চরণ, দৈত্য, লাঠি ও হাত (বাপৌরূ) বৈঠা (বাপৌমূ) বলাই {বাং.শুক্র+ বাং.আচার্য}

শুক্রাচার্যের সংজ্ঞা (Definition of seminiferous)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; দৈত্যগুরু ও দেব পুরোহিতকে শুক্রাচার্য বলে।

শুক্রাচার্যের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of seminiferous)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বলাই বা বিম্বলকে শুক্রাচার্য বলে।

শুক্রাচার্যের প্রকারভেদ (Variations of seminiferous)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শুক্রাচার্য দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান শুক্রাচার্য ও ২. উপমিত শুক্রাচার্য।

. উপমান শুক্রাচার্য (Analogical seminiferous)
সাধারণত; পৌরাণিক সাহিত্যে বর্ণিত দৈত্যগুরু ও দেব পুরোহিতকে উপমান শুক্রাচার্য বলে।

. উপমিত শুক্রাচার্য (Compared seminiferous)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বলাই বা বিম্বলকে উপমিত শুক্রাচার্য বলে।

শুক্রাচার্যের পরিচয় (Identity of seminiferous)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বলাই পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; শুক্রধারী আচার্যকেই শুক্রচার্য বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; শুক্রজীবী বিম্বল বা বলাইকেই শুক্রাচার্য বলা হয়। বিম্বল শুক্রপাত করে তাই সে কাপুরুষ, শুক্র নিয়ন্ত্রণ করে তাই জিষ্ণু এবং শুক্ররক্ষা করাই তাঁর সাধনা বলেই তিনি শুক্রাচার্য। অর্থাৎ; দৈতগুরু শুক্রচার্য রক্তমাংসে গড়া কোনো মানুষ নন বরং সে হলো পুরুষজাতির শিশ্ন। শিশ্ন শুক্রের আগমনে উত্থিত হয় এবং শুক্রপাত দ্বারা পতিত হয়। তাই; বলা হয় শিশ্ন শুক্রধারী, শুক্রবাহী ও শুক্রজীবী। এ কারণেই শিশ্নকে শুক্রাচার্য বলা হয়। ‘শুক্র বহন করে যে আচার্য’ এমন ব্যাসবাক্য হতেই শুক্রাচার্য পরিভাষাটির উদ্ভব। শুক্রাচার্য পরিভাষাটির দ্বারা শ্বরবিজ্ঞানে কেবল পুরুষজাতির শিশ্নকে বুঝায়।

অন্যদিকে; বড় আশ্চর্য হবার বিষয় হলো সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত শুক্রাচার্য পরিভাষাটির দ্বারা কেবল কল্পিত ও অজানা পৌরাণিক একটি চরিত্রকেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা চিরদিনের জন্য আধ্যাত্মিক জ্ঞান বা আত্মতত্ত্বের জ্ঞানে চিরান্ধ। শ্বরবিজ্ঞানে; বর্ণিত কোনো রূপক চরিত্রের বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা সাম্প্রদায়িকরা এখন পর্যন্ত অবগত হতে সক্ষম হয় নি। কারণ; তারা আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব ও শ্বরবিজ্ঞানকে কখনই ভালো চোখে দেখে না।

প্রপক (Extensive)
শুক্রাচার্য দৈত্যগুরু ও ভৃগুমুনির পুত্র। সেজন্য; তিনি ভার্গব নামেও পরিচিত। তাঁর অন্য নাম উশনা। তিনি দৈত্যরাজ বলির গুরু এবং দৈত্যদের পুরোহিত ও গুরু ছিলেন। তিনি শ্বেতবর্ণ ও শ্বেতবস্ত্রধারী। তিনি ছিলেন সর্বশাস্ত্র প্রবক্তা। শুক্রাচার্য দৈত্যরাজ বলির যজ্ঞে উপস্থিত ছিলেন। নারায়ণ বামন রূপে বলিকে ছলনা করতে এসে ত্রিপাদ-ভূমি প্রার্থনা করেন। অতঃপর; শুক্রাচার্য বিষ্ণু মায়ায় বিমুগ্ধ হয়ে বলিকে রক্ষা করার জন্য ত্রিপাদ-ভূমি দানে বলিকে বিরত করতে চান। বিরত না হয়ে বলি যখন জল নিয়ে দান করতে উদ্যত হন, তখন শুক্রাচার্য মক্ষিকা রূপে ভৃঙ্গারে প্রবেশ করে জল রোধ করেন। বামন তা জানতে পেরে ভৃঙ্গারের মধ্যে কুশ বিদ্ধ করতে উদ্যত হন।

এরূপে তারমধ্যে; কুশ প্রবেশ করাতে মক্ষিকারূপী শুক্রের একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়। শুক্রচার্য জ্ঞাত সঞ্জীবনী বিদ্যার প্রভাবে মৃতদের পুনর্জীবিত করতে পারতেন। দেবগুরু বৃহস্পতির পুত্র কচ এই বিদ্যালাভ করবার জন্য শুক্রের শিষ্য ও তাঁর কন্যা দেবযানীর ভক্ত হন। কচকে দৈত্যরা বারবার হত্যা করতো, আর দেবযানীর অনুরোধে শুক্রাচার্য প্রতিবার কচকে পুনর্জীবিত করতেন। শেষবারে দৈত্যরা কচকে দগ্ধ করে তাঁর ভস্ম সুরার সাথে মিশ্রিত করে শুক্রকে পান করতে দেন। শুক্র তা পান করে। তখন দেবযানীর কাতর অনুরোধে শুক্র উদরস্থ কচকে মৃতসঞ্জীবনী বিদ্যা দান করেন। অতঃপর; কচকে বলেন যে; যে যেন তার উদর হতে নিষ্ক্রান্ত হয়ে তাঁর অর্জিত মৃতসঞ্জীবনী বিদ্যা দ্বারা শুক্রকে জীবিত করেন। তাঁর নিজের দেহ বিভক্ত করার ফলে কচ বহির্গত হন এবং শুক্রাচার্য দেহত্যাগ করেন। কচ বহির্গত হয়ে মৃতসঞ্জীবনী বিদ্যা দ্বারা শুক্রকে জীবিত করেন। শুক্রের পুত্র ষণ্ড ও অমর্ক হিরণ্যকশিপুর আদেশে তৎপুত্র প্রহলাদের শিক্ষাগুরু রূপে নিযুক্ত হন। রাজা যযাতি দেবযানীকে বিবাহ করেন। তাঁর অন্য স্ত্রী শর্মিষ্ঠার ওপর পক্ষপাতমূলক অনুরাগ ছিল বলে দেবযানী নিজেকে অপমানিত মনে করেন। এতে ক্রুদ্ধ হয়ে শুক্রাচার্য যযাতিতে অভিশাপ দিয়ে জরাগ্রস্ত করেন।

অন্যদিকে; হরিবংশ গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে যে একবার অসুররা দেবতাগণকে পরাজিত করে ত্রিলোক অধিকার করে নেন। দীর্ঘ দশযুগ ত্রিলোক বলির অধিকারে থাকবার পর বিষ্ণু বলিকে ছলনাপূর্বক স্বাধিকারচ্যুত করে ইন্দ্রকে ত্রিলোকের অধিপতি করেন। তখন অসুররা গুরু শুক্রাচার্যের নিকট এর প্রতিকার প্রার্থনা করেন। অতঃপর; শুক্রাচর্য দেবতাগণের খর্ব করার জন্য মহাদেবের আরাধনায় রত হন। মহাদেবের কাছে তিনি এমন মন্ত্র প্রার্থনা করেন, যা দেবগুরু বৃহস্পতি অজ্ঞাত। এবং যার দ্বারা দেবতাগণের পরাজয় এবং অসুরদের জয় অবশ্যম্ভাবী। মহাদেব আদেশ দিলেন, শুক্রাচার্য যদি হাজার বছর ব্রহ্মচারী অধোমুখী হয়ে থেকে কুণ্ডের ধূমপান করে তপস্যা করতে পারেন, তবেই তাঁর প্রার্থনা অনুযায়ী মন্ত্র বা বর তিনি পাবেন। অতঃপর; শুক্রাচার্য এই সাধনা আরম্ভ করেন। তাঁর এই অনুপস্থিতির সুযোগ গ্রহণ করে দেবতাগণ অসুরদের আক্রমণ করেন। বিষ্ণু শুক্রাচার্যের মাতার শিরচ্ছেদন করেন। এ কারণে শুক্রের পিতা ভৃগু ক্রুদ্ধ হয়ে বিষ্ণুকে অভিশাপ দেন যে; এই স্ত্রী-বধজনিত পাপের জন্য তাকে সাতবার মনুষ্যলোকে জন্মগ্রহণ করতে হবে। অতঃপর; তিনি শুক্র-জননীকে পুনর্জীবিত করেন। কিন্তু সব দেবতা বিশেষতঃ ইন্দ্র ভীষণ শঙ্কিত হয়ে পড়েন। কেননা পরে শুক্রাচার্য তাঁর কাঙ্খিত বর মহাদেবের কাছ থেকে প্রাপ্ত হন। তখন ইন্দ্র শুক্রকে প্রলুব্ধ করার জন্য নিজ কন্যা জয়ন্তীকে শুক্রের নিকট প্রেরণ করেন। জয়ন্তী পরম ভক্তিভরে শুক্রের সেবা করতে থাকেন।

এদিকে দীর্ঘকাল তপস্যা করার পর শুক্রচার্য তাঁর প্রার্থিত বর পেলেন এবং ইন্দ্রকন্যা জয়ন্তীর ইচ্ছা অনুসারে তিনি অদৃশ্য হয়ে যান। তার দশ বছর পর তিনি জয়ন্তীকে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করেন। জয়ন্তীর মায়ায় বশীভূত হয়ে অসুররাও শুক্রাচার্যকে আর পেল না। এই সুযোগে দেবগুরু বৃহস্পতি শুক্রাচার্যের রূপ-ধারণ করে অসুরদের কাছে এলেন। অসুররা তখন তাঁকে প্রকৃত শুক্রাচার্য ভেবে সংবর্ধনা করল। অতঃপর; শুক্রাচার্য দশবছর জয়ন্তীর মায়ায় আবদ্ধ হয়ে কাটালেন। তখন জয়ন্তীর গর্ভে দেবযানী নামে তাঁর এক কন্যা সন্তান হলো। দশবছর পরে তাঁর মোহ কেটে গেলে তিনি অসুরদের কাছে ফিরে এলেন। কিন্তু ছদ্মবেশী শুক্রাচার্যের প্ররোচনায় অসুররা প্রকৃত শুক্রাচার্যকে বিতাড়িত করল। তখন শুক্রাচর্য এ অপমানের জন্য অসুরদের অভিশাপ দিলেন। তাঁকে অপমান করার জন্য অসুররা অচিরেই জ্ঞান-ভ্রষ্ট ও বিনষ্ট হবে। অভিশপ্ত অসুররা বৃহস্পতির মায়া বুঝতে পেরে দলবদ্ধভাবে শুক্রাচার্যের কাছে গিয়ে তাঁর কোপ শান্ত করেন।

অন্যদিকে; মহাভারত কাব্যে বর্ণিত আছে- অসুররা দেবতাগণের আক্রমণ হতে রক্ষা পাবার জন্য শুক্রাচার্যের মাতার (ভৃগুপত্নী) আশ্রমে আশ্রয় নিয়েছিল। দেবতাগণও সেখানে প্রবেশ করতে পারেন নি। সেজন্য; বিষ্ণু তাঁর চক্র দিয়ে ভৃগুপত্নীর শিরচ্ছেদ করেন। বিষ্ণু শুক্রাচার্যের মাতাকে বধ করার জন্য শুক্রাচার্য ক্রমে ক্রমে দেবতা বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। একদিন তিনি যোগবলে কুবেরকে বদ্ধ করে তাঁর সমস্ত ধন অপহরণ করেন। কুবেরের অভিশাপ শুনে মহাদেব শূল হস্তে শুক্রাচার্য নিধনে এগিয়ে আসেন। তখন শুক্রাচার্য তাঁর শূলের অগ্রভাগে আশ্রয় নেন। তখন মহাদেব শুক্রাচার্যকে বধ করে গ্রাস করে ফেলেন। তারপর; মহাদেব মহাহ্রদের জল মধ্যে দশকোটি বছর তপস্যা করলেন। তখন তাঁর উদরে অবস্থানরত শুক্রাচার্যেরও উৎকর্ষলাভ হলো। এর শুক্রাচার্য মুক্তির জন্য মহাদেবের কাছে পুনঃপুন প্রার্থনা করতে লাগলেন। মহাদেব তাঁকে বললেন; আমার শিশ্ন দিয়ে তুমি নির্গত হও। শিশ্ন পথে নির্গত হওয়ায় তাঁর নাম হলো শুক্র।

পর্যালোচনা (Review)

সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের নিকট একেক শাস্ত্রে এর একেক প্রকার নাম ও বর্ণনা পাওয়া যায়। যেমন; কোনো গ্রন্থে শুক্র আবার কোনো গ্রন্থে শুক্রাচার্য। যেহেতু; শুক্র নারী চরিত্র; সেহেতু; এখানে; পুরুষ চরিত্র হওয়ার জন্য শুক্রাচার্য হওয়া একান্ত যুক্তিযুক্ত। তখন এর ব্যাসবাক্য হবে “শুক্র বহন করে যে আচার্য।”

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!