সম্পদ

৭৯/২. সম্পদ
Assets (এ্যাসেটস)/ ‘ﺛﺭﻮﺓ’ (ছারুয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর যৌবন পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা যৌবন। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ঢেউ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কল্লোল হিল্লোল এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঊর্মী শ্বফল্ক

অভিধা (Appellation)
সম্পদ (বাপৌউ)বি সম্পত্তি, ধন, ঐশ্বর্য, বিভব, পুঁজি, assets, ‘ﺛﺭﻮﺓ’ (ছারুয়া), riches, wealth, সারওয়া (.ﺛﺭﻮﺓ), মাফখারা (.ﻤﻔﺨﺭﺓ) (আল) সংস্থান, উৎকর্ষ, গৌরব, মহিমা, মর্যাদা (রূপ্রশ) সুস্থতা, যৌবন (ইংপ) glory, proud (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর যৌবন পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . যে কোনো অর্থ, ভূমি, সহায় ও সম্বলকে সম্পদ বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; মানুষের যৌবনকে সম্পদ বলা হয় (বাপৌছ)   ঊর্মী ও শ্বফল্ক (বাপৌচা) কল্লোল ও হিল্লোল (বাপৌউ) সম্পদ (বাপৌরূ) ঢেউ (বাপৌমূ) যৌবন।

সম্পদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of assets)
১.   “ধোঁকাবাজি করে সদাই, শিষ্যের সম্পদ লুটে খায়, কামিনীকাঞ্চন ডানে বাঁয়, বাস করে ভুস্বর্গপুরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৪)
২.   “ভূমি কড়ি নয় সম্পদ, শুধু ডেকে আনে বিপদ, দেখাতে পারে না সুপথ, দেখ নামে মাত্র ধনবান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮২)
৩.   “সম্পদ কেবা খাইয়া মরে, কারটা কেউ বলে না, গোপনে ধ্বংস করে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮১)
৪.   “সম্পদে বাড়ায় না দাম বাড়ায় বিলাসিতা নাম, ঐ সম্পদ সুযোগ পেলে ধনীর ভূপাতিত করে মান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮২)

সম্পদের ওপর একটি পূর্ণ বলন (A full Bolon on the assets)
সম্পদ কেবা খাইয়া মরে
কারটা কেউ বলে না
গোপনে ধ্বংস করে।

তলে তলে কলা খাইয়া
রয় ওপরে সাধু সাজিয়া
শেষে রয় গা ঢাঁকা দিয়া
ঐ সম্পদে বড়াই করে।

লোকের কাছে পড়লে ধরা
আলোচনায় আসে তারা
সম্পদ মান করে খাড়া
লুকাতে কেউ পারে না রে।

যেই সম্পদে চোরা সাজে
আসবে না রে কোন কাজে
বলন কয় সংসার মাঝে
মনই সকল চুরি করে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮১)

সম্পদের সংজ্ঞা (Definition of assets)
১.    সাধারণত; যে কোনো অর্থ, ভূমি, সহায় ও সম্বলকে সম্পদ বলে।
২.   সাধারণত; ধন, ঐশ্বর্য, উৎকর্ষ, গৌরব, মর্যাদা, সম্বল ও সংস্থান ইত্যাদিকে সম্পদ বলে।

সম্পদের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of assets)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানুষের যৌবনকে সম্পদ বলে।

সম্পদের প্রকারভেদ (Variations of assets)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সম্পদ দুই প্রকার। যথা; ১. স্থাবর সম্পদ ও ২. অস্থাবর সম্পদ।

. স্থাবর সম্পদ (Immovable assets)
যৌবন, শুক্র, জ্ঞান, সুস্বভাব, সুস্বাস্থ্য, সাঁই ও কাঁইকে স্থাবরসম্পদ বলে।

. অস্থাবর সম্পদ (Movable assets)
সাধারণত; অর্থ, ভূমি, সন্তান, পদমর্যাদা ও রূপলাবণ্যকে অস্থাবরসম্পদ বলে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সম্পদ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান সম্পদ ও ২. উপমিত সম্পদ।

. উপমান সম্পদ (Analogical assets)
সাধারণত; যে কোনো অর্থ, ভূমি, সহায় ও সম্বলকে উপমান সম্পদ বলে।

. উপমিত সম্পদ (Compared assets)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানুষের যৌবনকে উপমিত সম্পদ বলে।

সম্পদের উপকার (Benefits of assets)
১.   স্থাবর সম্পদ মানুষকে স্থায়ী সুখ ও শান্তি প্রদান করে।
২.   এগুলো মানুষকে মহানুভবতা ও অমরত্ব দান করে।
৩.   অস্থাবর সম্পদ মানুষকে অস্থায়ী বা সাময়িক সুখ ও বিলাসিতা প্রদান করে।

সম্পদের অপকার (Disservice of assets)
১.   অস্থাবর সম্পদ মানুষের বিলাসিতা ও আত্ম অহংকার সৃষ্টি করে।
২.   এসব সম্পদের মোহ মনুষ্যত্বকে জলাঞ্জলি দিয়ে মানুষকে কখনও কখনও পুশুত্বের দুয়ারে উপনীত করে।
৩.   এসব সম্পদের মোহ মানুষকে সমাজে ঝগড়া, বিবাদ, দ্বন্দ্ব-কলহ কিংবা যুদ্ধ বিগ্রহসহ সৃষ্টিকুলের হত্যা, হনন, বধ ও বলির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়।

সম্পদের পরিচয় (Identity of assets)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর যৌব পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। যে কোনো অর্থ, ভূমি, সহায় ও সম্বলকে সম্পদ বলা হয়। অস্থাবর সম্পদের আলোচনা বিভিন্নভাবে সাধারণ গ্রন্থাদিতে ব্যাপক রূপে করা হয়। তদুপরি অস্থাবর সম্পদের মধ্যে একমাত্র সন্তান ব্যতীত অন্যান্য উপাদানাদি আধ্যাত্মিক সাহিত্য বা শ্বরবিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর অন্তর্ভূক্ত নয়। এজন্য; আমরা অত্র গ্রন্থে শুধু স্থাবর সম্পদের আলোচনা করতে চেষ্টা করব। যৌবন, শুক্র, জ্ঞান, বিদ্যা, সুস্বভাব, সুস্বাস্থ্য, সাঁই ও কাঁই ইত্যাদি অধ্যাত্মিক-বিজ্ঞান বা শ্বরবিজ্ঞানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিষয়বস্তু। তারমধ্যে; শুক্র, জ্ঞান, বিদ্যা, সাঁই ও কাঁই ইত্যাদি উপাদান ভিন্ন ভিন্ন অনুচ্ছেদে নাতিদীর্ঘ আলোচনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে; মানুষের স্থাবর সম্পদ হলো জ্ঞান ও সুস্বভাব। জ্ঞান ও সুস্বভাবরূপ হস্তান্তরহীন স্থায়ী সম্পদ। এ সম্পদ একবার হস্তগত করতে পারলে মানব জীবনে প্রকৃতসুখ, শান্তি ও উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করা যায়। সুস্বাস্থ্য মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। জীববিজ্ঞানীগণ বলে থাকেন “স্বাস্থ্যই সম্পদ”। এখানে; আমরা শুধু যৌবনের ওপরই কিঞ্চিৎ আলোচনা করার চেষ্টা করব।

যৌবনের সময়সীমা ব্যাপারে বাংভারতীয় সাধু, সন্ন্যাসী এবং আরবীয় অলি আব্দালগণ সর্বসম্মতিক্রমে একমত। সাধু, সন্ন্যাসী ও অলি আব্দালগণ এগার হতে চল্লিশ (১১ হতে ৪০) বছর অর্থাৎ; (৪০-১০) = ৩০ বছরকালকে মানুষের যৌবনকাল বলে নির্ধারণ করেছেন। তারমধ্যে; ১১ হতে ২০ বছর অর্থাৎ; প্রথম ১০ বছর পর্যন্ত যৌবন বাড়তে থাকে, ২১ হতে ৩০ বছর অর্থাৎ; দ্বিতীয় ১০ বছর পর্যন্ত যৌবন স্থির থাকে এবং ৩১ হতে ৪০ বছর অর্থাৎ; তৃতীয় ১০ পর্যন্ত যৌবন হ্রাস পেতে থাকে। ১১ হতে ৪০ বছর পর্যন্ত যৌবনকালকে যৌবনসেতুও বলা হয়। যেহেতু; সেতুতে ক্রমে ক্রমে ওঠে আবার ক্রমে ক্রমে নামতে হয়; তেমনই; যৌবনও ক্রমে ক্রমে বাড়ে আবার ক্রমে ক্রমে ভাটির দিকে যেতে থাকে বলেই যৌবনকে সেতুর সাথে তুলনা করা হয়।

যৌবনসেতুকে আরবীয় অলি (ﻮﻟﻰ) ও গাউসগণ (ﻏﻮﺙ) সিরাতুল মুস্তাক্বিম (ﺼﺮﺍﻄ ﺍﻟﻤﺴﺗﻗﻴﻢ) এবং ফার্সি দরবেশগণ (ﺪﺭﻭﻴﺶ) পুলসিরাত (ﭙﻝﺼﺭﺍﻄ) বলে অভিহিত করে থাকেন। আধ্যাত্মিক পাণ্ডিত্যের জন্য যৌবনের প্রতি এক (১) বছরকে হাজার (১,০০০) বছর ধরা হয়। যারফলে; যৌবনের ত্রিশবছর সমান ত্রিশ হাজার বছর বা (৩০দ্ধ১,০০০ = ৩০,০০০) হয়। সেজন্য; আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে; বলা হয়েছে যৌবনসেতু ত্রিশ হাজার বছরের পথ। দশ হাজার (১০,০০০) বছর সময় লাগে এ সেতুতে উঠতে, দশ হাজার (১০,০০০) বছর সময় লাগে এ সেতুটি পাড়ি দিতে এবং দশ হাজার (১০,০০০) বছর সময় লাগে এ সেতুটি হতে নামতে। এ সেতুটির নিম্নদেশে নরক বা নিরয় বা জাহান্নাম (.ﺠﻬﻧﻢ) বা দোজখ (ফা.ﺪﻮﺰﺥ) অবস্থিত। সঠিকভাবে পাড়ি দিতে না পারলে কেটে টুকরা টুকরা হয়ে নিচে পড়ে যেতে হয়। অতঃপর; এক জীবনের জন্য নরকবাসী হতে হয় অথবা সঠিকভাবে বৈতরণী পাড়ি দিয়ে বৈকুণ্ঠ বা স্বর্গধামে অবশ্যই পৌঁছতে হয়।

কেটে কেটে নিচে পড়ার ব্যাখ্যা (Explanation of fall below the cut-off )
এ দেহগাড়িতে কয়েক কোটি মানুষ একত্রে বাস করে। রমণ বা মৈথুনে টলনের মাধ্যমে একটি একটি করে কেটে কেটে জরায়ুতে পতিত হয় আবার দশমাস বা প্রায় ৩০০ দিনের ব্যবধানে বেরিয়ে আসে এ অনুপম বসুন্ধরায় বা রঙ্গিন পৃথিবীতে। অর্থাৎ; কেউই কখনও চিরতরে মরে না। শুধু কায়ান্তর বা রূপান্তর হয় মাত্র।

নরক ভোগ করার ব্যাখ্যা (Explanation to enjoy the heck)
প্রতি জন্মেই পুনঃ মায়াময় সংসারে আবদ্ধ হয়ে দুর্বিসহ দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে থাকা। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের অভাবে আবার পুনর্জন্ম গ্রহণ করা আবার মায়াময় সংসারে আবদ্ধ হয়ে দুর্বিসহ দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে থাকা। এভাবে অনন্তকাল পর্যন্ত চলতে থাকা।

সঠিকভাবে বৈতরণী পাড়ি দিয়ে বৈকুণ্ঠ বা স্বর্গে যাওয়ার ব্যাখ্যা (Explanation go through the styx to heaven or Olympus properly)
সৎকর্ম ও সৎস্বভাব দ্বারা সামাজিক অপকর্ম না করে আত্মসংযম করা। শুক্র নিয়ন্ত্রণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ করে ১১ হতে ৪০ বছর অর্থাৎ; যৌবনের ৩০টি বছর সুচতুরভাবে পুনর্জন্মগ্রহণ না করে একেশ্বর রূপে অবস্থান করে ৪১ ঊর্ধ্ব বয়সে পদার্পণ করা। কোনো অপকর্ম না করে ও পুনর্জন্মগ্রহণ না করে কোনমতে একবার ৪১ ঊর্ধ্ব বয়সে পদার্পণ করতে পারলে সাধারণত; সামাজিক অপকর্ম ও শুক্রপাতরূপ নরহত্যা দ্বারা পুনর্জন্মরূপ পুনরুত্থানের হাত হতে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যায়।

পরিশেষে বলা যায় পৃথিবীতে অনেক প্রকার সম্পদ রয়েছে। শ্বরবিজ্ঞানে; যৌবনকেও সম্পদ বলা হয়। অনেক প্রকার সম্পদই রয়েছে যা একবার হাতছাড়া হলেও তা আবার কর্ম ও সাধনা দ্বারা হস্তগত করা যায়। কিন্তু যৌবন এমন এক প্রকার সম্পদ যে; তা একবার চলে গেলে আর ফিরে পাওয়া যায় না। যেমন; জনৈক মরমীকবি লিখেছেন;

“যৌবন জোয়ার একবার আসেরে বন্ধু, চলে গেলে আর আসে না।”

শ্বরবিজ্ঞানে; এ কারণেই যৌবনের গৌরব করা হয়তো চির নিষিদ্ধ। অর্থাৎ; যারা বুদ্ধিমান তাদের অস্থাবর সম্পদের মোহ করা কখনই উচিত নয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!