সময়

০৮/০২.সময়
Time (টাইম)/ ‘ﻮﻘﺖ’ (ওয়াক্ত)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর আয়ু পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা আয়ু। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বেলা। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা পরমায়ু এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কাল

অভিধা (Appellation)
সময় (বাপৌরূ)বি কাল, বেলা, মুহূর্ত, ক্ষণ, দণ্ড, ঘণ্টা, দিন, সপ্তা, পক্ষ, মাস, ঋতু, বছর, দিনকাল, সুদিন, নির্দিষ্টকাল, যুগ, শতাব্দি, time, ‘ﻮﻘﺖ’ (ওয়াক্ত) (আল) অবসর, অবকাশ, সুযোগ (শ্ববি) আয়ু, জীবন, জনম, বয়স, age, হায়াত (.ﺤﻴﺎﺖ), ওমর (.ﻋﻤﺮ) (ইপ) জামানা (.ﺯﻤﺎﻧﻪ), সা‘য়াত (.ﺴﺎﻋﺔ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর আয়ু পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; কালের প্রবাহকে বাংলায় ‘সময় বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানুষের আয়ুকে রূপকার্থে ‘সময় বলা হয় (বাপৌছ) কাল (বাপৌচা) পরমায়ু (বাপৌউ) সময় (বাপৌরূ) বেলা (বাপৌমূ) আয়ু।

সময়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of time)
১.   “অসময়ে কৃষি করে, মিছামিছি খেটে মরে, গাছ যদি হয় বীজের জোরে, ফল ধরে না।” (পবিত্র লালন- ৯২১/৩)
(মুখ; সময় গেলে সাধন হবে না, দিন থাকতে তিনের সাধন কেন করলি না”)
২.   “আগমে নিগমে তাই কয়, গুরু রূপে দিন-দয়াময়, অসময়ে সখা সে হয়, অধীন হয়ে যে তারে ভজবে।” (পবিত্র লালন- ৩৯৮/৩)
(মুখ; গুরুপদে নিষ্ঠা মন যার হবে, সঁপে দিলে সর্বস্ব তার, অমূল্য-ধন হাতে সে পাবে”)
৩.   “আছে দিন-দুনিয়ার অচেনা-মানুষ একজনা, কাজের বেলায় পরশমণি, অসময়ে তাঁরে কেউ চেনে না।” (পবিত্র লালন- ৮৩/১)
৪.   “আমার মনরে তুই হলি কেন পেরেশান, অসময়ে কৃষি করে জমিনে ডাকলি বান।” (পবিত্র লালন- ১৩৪/১)
৫.   “আর কী বসব এমন সাধ বাজারে, জানি না কোন সময়, কী দশা হয় আমাররে।” (পবিত্র লালন- ১৭০/১)
৬.   “জগৎগুরু অপারলীলা- দেখবি তার রূপ রঙ্গিলা, করিসনে আর অবহেলা- সময় তোর অধিক নাই- উত্তরা বায় ধরলে পাড়ি- মানুষগুরু হয় কাণ্ডারী, বলন কয় ভয় কী তারই- কালসমন দূরে পালায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)
(মুখ; গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়”)
৭.   “জ্যামে কাটে অর্ধেক সময়, বিপণে কোন ব্যবসা নাই, পুঁজিপাট্টা সব হারালাম, বলন কয় দুর্দশা” (বলন তত্ত্বাবলী)
৮.   “থাকতে বাতি উজালাময়, দেখতে যার বাসনা হৃদয়, লালন কয় কোন সময়, অন্ধকার হয় বসতি।” (পবিত্র লালন- ২২২/৪)
(মুখ; এ বড় আজব কুদরতি, আঠারো মুক্বামের মাঝে, জ্বলছে একটি রূপের বাতি”)
৯.   “দেহ ব্যাধি সিদ্ধির, পদ্মপত্রে যেমন নীর, জীবন তেমন রয় অস্থির, কোন সময় কিবা ঘটে।” (পবিত্র লালন- ২৯৬/৪)
(মুখ; কিসে ত্রাণ পাবি সংকটে, বৈতরণীর তটে, গুরুর চরণতরী তারণ করবে, অকপটে”)
১০. “বলন কাঁইজি কয় বারতা, শূন্য হবে কোমলকোঠা, সেদিন কার দিবি ছুতা, সময় থাকতে দে বাঁধাল।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০২)
(মুখ; ঘরের কোণে ধনের খনি তবু কেন হস কাঙ্গাল, পরের ধনে বাবুগীরি করিস না রে মন বাঙ্গাল”)
১১.  “মাটির একটা ধড় গড়িয়া, তিন তারে রাখে বান্ধিয়া, সময় হলে যায় উড়িয়া, বাজে না দোতারার তাল।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২২০)
(মুখ; ভবে কার মায়ায় মজিলিরে অবোধ মন বাঙাল, মায়ারশি টেনে ছিঁড়ে প্রাণ অজানায় দিবে উড়াল”)
১২.  “সময় গেলে সাধন হবে না, দিন থাকতে তিনের সাধন কেন করলি না” (পবিত্র লালন- ৯২১/১)
১৩. “সময় বুঝে বাঁধাল বাঁধলি না, জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা।” (পবিত্র লালন- ৯২২/১)
১৪. “সময়ে হয় সকলি সখা, অসময়ে কেউ দেয় না দেখা, যার পাপে সে ভোগে একা, চার যুগেরে।” (পবিত্র লালন- ৪৯৩/৩)(মুখ; তুমি কার আজ কেবা তোমার, এ সংসারে, মিছে মায়ায় মজিয়ে মন, কী করোরে”)

সময়ের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of time)
১.   “অনন্ত রং করণকারা, তিনজনা প্রহরী খাড়া, বলন কয় করো তাড়া, সময় থাকতে উপাসন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫)
২.   “আইন মুয়াফিক্ব নিরীক্ষ দিতে মন, কেন এত আড়িগড়ি এখন, পত্তন যে সময়– লেখা হয় জমায়, নিহার করে দেখ নাই ভেবে।” (পবিত্র লালন- ২৩২/৩)
৩.   “আমি বলি শ্রীচরণ, মনে যদি হয় কখন, নেচে ওঠে হায়- দুষ্ট সে সময়, বৈদিক টানে।” (পবিত্র লালন- ৭৪৬/৩)
৪.   “আয়ু যোগে আত্মা চলে, নাহি মিলে সময় গেলে, দিন থাকতে ভেদ জানিলে, সমনের কিসের ভয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২)
৫.   “আল্লাহর নাম মুখে বলো, সময় তো বয়ে গেল, মালিকুল মউত বলবে চল, সেকি করবে ভয়।” (পবিত্র লালন- ১৭৯/২)
৬.   “একজনে দুই কায়া ধরে, কেউ পুণ্য কেউ পাপ করে, কী হয় তার রোজহাশরে, হিসাবের সময়।” (পবিত্র লালন- ৮৯৪/৩)
৭.   “এখনও আছে সময়, সাধলে কিছু ফল পাওয়া যায়, যদি লয় মনে, সিরাজ সাঁইজি বলেরে লালন, ভ্রমে ভুলিসনে।” (পবিত্র লালন- ৩৩৪/৪)
৮.   “কেবা করে চৌকিদারি, কেবা করে দফাদারি, হিসাব রাখে কোন কাছারি, কত কী শুল্ক তারই কোন সময়।” (পবিত্র লালন- ৭৯/৩)
৯.   “গুরুবস্তু চিনলি না মন, অসময়ে কী করবি তখন, বিনয় করে বলছে লালন, যজ্ঞের ঘৃত কুত্তায় খেলরে।” (পবিত্র লালন- ১৪৬/৪)
১০. “না জেনে সে যোগ নিরূপণ, রসিক নাম ধরা কেমন, অসময়ে চাষ করলে তখন, কৃষি হয় কিসে।” (পবিত্র লালন- ৩২৩/২)
১১.  “ভেবে বুঝে এককুল ধরো, দোটানায় কেন ঘুরে মরো, লালন কয় মন তোর, কুভাব যাবে কোন সময়।” (পবিত্র লালন- ৩৫৭/৪)
১২.  “মহামায়ায় ভুলে রইলি, আজকাল বলে দিন ফুরালি, করো ঐ নাম কৃতাঞ্জলি, যদি সময় হয় তাতে।” (পবিত্র লালন- ২৩৩/২)
১৩. “যে করে এ আসমানি কারবার, না জানি কোথায় বাড়ি ঘর, কোন সময় কখন- কোথায় আগমন, চাঁদ চকোরে খেলে কখন এসে।” (পবিত্র লালন- ৩৬১/৩)
১৪. “রাধে তোর কী হয় নিমাই, সত্য করে বল গো আমায়, এমন বালক সময়, এ বোল কে শিখাল তোরে।” (পবিত্র লালন- ৬৭২/৩)
১৫. “লালন সাঁইজি কয়, মনরে তোর পোড়া কপাল, এখনও তোর সময় আছে, দেশের মানুষ দেশে চল।” (পবিত্র লালন- ৬১৭/৪)
১৬.  “সময় থাকতে দেখলি না রূপ, মিছে মায়ায় করছ তুরুপ, পাশা ছেড়ে এলি ফিরে, হাতের পাঁচের কিবা আশ।” (পবিত্র লালন- ৭৮৯/২)
১৭. “সময় থাকতেরে মন, করো অন্বেষণ পতিতপাবন, সিরাজ সাঁইজি কয়রে লালন, বাঁচরে এখন পাপাতঙ্কে।” (পবিত্র লালন- ২৬২/৪)
১৮. “সময় পেরিয়ে জানলাম এখন, গুরুর কৃপা নইলে বৃথা জীবন, বিনয় করে কয় অধীন লালন, মনরে আর কী পাব কূল কিনারা।” (পবিত্র লালন- ৬১/৪)
১৯.  “সাঁইয়ের নাম মুখেতে বলো, সময় যে বয়ে গেল, মালিকুল মউত এসে বলবে চল, সে কী করবে ভয়।” (পবিত্র লালন- ৯৩৫/২)
২০. “সাধের একখান তরী ছিল, অযতনে বিনাশ হলো, জল চুয়ায় রাত্রি দিনে, সময়ে গাব দিতাম যদি, বাইতে পারতাম জীবন অবধি, তরী আদর করতো মহাজনে।” (পবিত্র লালন- ১৪৬/২)
২১.  “হায়ঃ স্নানে সময় যায় কে কে যাবি আয়রে আয়, হাইরে হায়ঃ ডাকে দয়াল দরদী বসিয়া গঙ্গায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩১২)

সাধারণ সময় অর্থে সময়পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology Time sense ordinary time)
১.   “অমাবস্যা পূর্ণিমা হয়, মহাযোগ সে দিনে উদয়, লালন কয় সময় নির্ণয়, করে করো সাধনা।” (পবিত্র লালন- ৯২১/২)
(মুখ; সময় গেলে সাধন হবে না, দিন থাকতে তিনের সাধন কেন করলি না”)
২.   “কী দিব তুলনা তারে, খুঁজে পাই না এ সংসারে, মেঘে যারে ছায়া ধরে, ধূপের সময়।” (পবিত্র লালন- ৭২৭/২)
(মুখ; মদিনায় রাসুল নামে, কে এলোরে ভাই, কায়াধারী হয়ে কেন তার ছায়া নাই”)
৩.   “কোমলকোঠা কারে বলি, কোন মুক্বাম তার কোথায় গলি, কোন সময় পড়ে ফুলি, মধু খায় অলিজনা।” (পবিত্র লালন- ১০৬/২)
(মুখ; আপন ঘরের খবর নেনা, অনায়াসে দেখতে পাবি, কোনখানে সাঁইর বারামখানা”)
৪.   “ফণী-মণি লালজহরে, সে বাতি রেখেছে ঘিরে, তিনসময় তিনযোগ ঘরে, যে জানে সে মহারথী।” (পবিত্র লালন- ২২২/৩)
(মুখ; এ বড় আজব কুদরতি, আঠারো মুক্বামের মাঝে, জ্বলছে একটি রূপের বাতি”)

————————————————————————–

১.   “এক দেশের মানুষ যদি হয়, মনে কষ্ট পায় সময় সময়, বিদেশী আর জংলা টিয়ে, কখনও পোষ মানে না।” (পবিত্র লালন- ৬৯২/৩)
২.   “তখন কোন আকার ধরে, ভেসেছিল কী প্রকারে, কোন সময় কী কায়া ধরে, ভেসেছিলেন সাঁই।” (পবিত্র লালন- ৫৫/২)
৩.   “লালন সাঁইজি তাই কয়, নদীর বান্দাল রাখা দায়, যেন কোন সময় কী হয়, প্রেমনদীতে ডুবিস না রে, ডুব দিলে ডুব যায় ফাঁকে।” (পবিত্র লালন- ৪০১/৪)

সময়ের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ লালন (A full Lalon on the time)

সময় গেলে সাধন হবে না,
দিন থাকতে তিনের সাধন,
কেন করলি না।

জানো না মন খালে বিলে,
থাকে না মীন জল শুকালে,
কী হয় তাতে বাঁধাল দিলে,
শুকনা মোহনা।

অসময়ে কৃষি করে,
মিছামিছি খেটে মরে,
গাছ যদি হয় বীজের জোরে,
সে গাছে ফল ধরে না।

অমাবস্যার পর পূর্ণিমা হয়,
মহাযোগ সে দিনে উদয়,
লালন কয় সময় নির্ণয়,
করে করো সাধনা।” (পবিত্র লালন- ৯২১)

সময়ের সংজ্ঞা (Definition of time)
সাধারণত; কালের প্রবাহকে সময় বলে।

সময়ের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of time)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানুষের আয়ুকে সময় বলে।

সময়ের প্রকারভেদ (Variations of time)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সময় দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান সময় ও ২. উপমিত সময়।

. উপমান সময় (Analogical time)
সাধারণত; কালের প্রবাহকে উপমান সময় বলে।

. উপমিত সময় (Compared time)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানুষের আয়ুকে উপমিত সময় বলে।

সময়ের পরিচয় (Identity of time)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর আয়ু পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সাধারণত; কালের প্রবাহকে সময় বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; মানুষের আয়ুকে সময় বলা হয়। পৃথিবীর সর্বপ্রকার শাস্ত্রেই সময়কে অনেক মূল্যবান বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ; মানবজীবন অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত কিন্তু মানুষের কর্ম অনেক। সংক্ষিপ্ত আয়ুকে যথাযথ কাজে লাগাতে হলে যুবক-যুবতীদের যৌবনকালেই আত্মদর্শন জ্ঞান অর্জন করতে হবে। যৌবনের প্রারম্ভেই তাদের সাঁইদর্শন ও কাঁইদর্শন কর্ম শেষ করতে হবে। কারণ; উপাসনাদি যৌবনকালেই শেষ করা না হলে বৃদ্ধাকালে তা আর করা সম্ভব হয় না। পরিশেষে বলা যায়; যৌবকালই ভজন-সাধন করার উৎকৃষ্ট সময়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!