সরস্বতী

৮১/১৯. সরস্বতী
Souvenir (সুভিনিয়ার)/ ‘تذكار’ (তাযকারা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা রজ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা জোয়ার। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র হলাহল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল লালিমা এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা শেষবসিধ

অভিধা (Appellation)
সরস্বতী (বাপৌছ)বিস্ত্রী বিদ্যাদেবী, কলাদেবী, বাণী, সারদা, বীণা-পাণি, ভারতী, বাগ্দেবী, মহাশ্বেতা, প্রাচীন নদী, বিদ্যা ও কলাদেবী, souvenir, ‘تذكار’ (তাযকারা) (প্র) বাঙালী পুরাণ মতে; ইনি হলেন বিদ্যার দেবী। পূজা করে এ দেবীকে সন্তুষ্ট করতে পারলে নিজেও বিদ্বান হওয়া যায় এবং ছেলে মেয়েদেরও বিদ্বান রূপে গড়ে তোলা যায় (শ্ববি) যৌবনাবতার, যৌবনের সংবাদদাতা (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা). বাঙালী পুরাণ মতে; বিদ্যার দেবীকে সরস্বতী বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; রজকে সরস্বতী বলা হয় (বাপৌছ) আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষবসিধ ও সরস্বতী (বাপৌচা) অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা (বাপৌউ) গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল (বাপৌরূ) জোয়ার (বাপৌমূ) রজ।

সরস্বতীর সংজ্ঞা (Definition of souvenir)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বিদ্যার দেবীকে সরস্বতী বলে।

সরস্বতীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of souvenir)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজকে সরস্বতী বলে।

সরস্বতীর প্রকারভেদ (Variations of souvenir)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে সরস্বতী দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান সরস্বতী ও ২. উপমিত সরস্বতী।

. উপমান সরস্বতী (Analogical souvenir)
বাঙালী পুরাণ মতে; বিদ্যার দেবীকে উপমান সরস্বতী বলে।

. উপমিত সরস্বতী (Compared souvenir)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজকে উপমিত সরস্বতী বলে।

সরস্বতীর পরিচয় (Identity of souvenir)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।

সরস্বতীর পৌরাণিক প্রপক (Mythological extensive of souvenir)
(প্র) পবিত্র বেদে সরস্বতী জ্যোতির্ময়ী অধিষ্ঠাত্রী দেবী। আর্যরা ব্রহ্মাবর্ত নামক স্থানে উপনিবেশ স্থাপন করলে সে স্থানের নদী বিশেষেরও এ নাম হয়। সরস্বতী দেবী নদী রূপে দেশকে অনেক উর্বর করতেন। সাথে সাথে তিনি উক্ত নদীর জলকেও পবিত্র করতেন। দেশকে সুজলা ও সুফলা করতেন। দেশে অর্থ;সম্পদ আনতেন। বাকদেবী রূপে বেদে সরস্বতীর উল্লেখ পাওয়া যায় না। কিন্তু ব্রাহ্মণে ও মহাভারতে উল্লেখ আছে যে; এ নদী তীরেই ঋষিদের গ্রাম ও আবাস্থল ছিল। সারা বছর এ স্থানে বেদধ্বনী হতো বলে এ স্থান এ বাগ্দেবীর বাসস্থান বলে অভিহিত। এ হতেই কালক্রমে এ নদী সরস্বতী নাম প্রাপ্ত হয়। বেদের এ অধিষ্ঠাত্রী দেবী কালে কালে নদী বিশেষের অধিষ্ঠাত্রী দেবীতে পরিণত হয়। পূর্বকালে তাই বাগ্দেবীকে বুঝাতে সরস্বতী নদীর অধিষ্ঠাত্রী দেবীকেও বুঝানো হতো।

নদী অর্থে এর মহাত্ম্য এমন- পবিত্রতম যজ্ঞময় তীরশালিনী সরস্বতী দেবী যজ্ঞ কামনা করেন। মনোহর বেদ বাক্যগুলোর প্রেরণাকর্ত্রী, সুন্দর স্তুতির উদ্বোধনকারিণী সরস্বতী যজ্ঞকে ধারণ করেছেন। ইনি আপন স্রোতরূপ পতাকা দ্বারা মহার্ণব প্রকাশ করেন। বাগ্দেবী অর্থে তাঁর মাহাত্ম্য এমন- দ্বিপস্থ জীবের হৃদয়কে পবিত্র ও নির্মল করেন। যিনি যজ্ঞশালিনী এবং অন্নদাত্রী সে সরস্বতী দেবী যজ্ঞ কামনা করেন। তিনি সুন্দর ও সত্যবাক্যের প্রেরণকর্ত্রী। তিনি সুবুদ্ধির উদ্বোধনকারিণী। তিনি যজ্ঞের ধারণকর্ত্রী। তিনি মহাসাগরের ন্যায় অসীম পরমাত্মার চিহ্নের ধারা প্রকাশ করেন। তিনি সব নর-নারীর হৃদয়ে প্রেমের জ্যোতি সঞ্চারিত করেন।

সরস্বতীর দেবী রূপে উৎপত্তি সম্বন্ধে এমন বর্ণনা পাওয়া যায় যে; পরমাত্মার মুখ হতে এক দেবীর আবির্ভাব হয়। এ দেবী শুক্লবর্ণা, বীণাধারিণী ও চন্দ্রের শোভাযুক্তা। এ দেবী শ্রুতিশাস্ত্রের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠা ও কবিদের ইষ্টদেবতা। এজন্য; এ দেবীর নাম হয় সরস্বতী। সৃষ্টিকালে প্রধানা শক্তি ঈশ্বরের ইচ্ছায় পাঁচভাগে বিভক্ত হন। যথা; ১.রাধা, ২.পদ্মা, ৩.সাবিত্রী, ৪.দুর্গা ও ৫.সরস্বতী। এর মধ্যে এক শক্তি কণ্ঠ হতে উদ্ভূতা। আর এ শক্তিই হলো সরস্বতী। শ্রীকৃষ্ণ সর্বপ্রথম এ দেবীর পূজা করেন। সে হতেই এ দেবীর পূজা প্রচলিত হয়। একদা দেবী শ্রীকৃষ্ণ হতে উদ্ভূতা হয়ে শ্রীকৃষ্ণকেই কামনা করেন। তখন শ্রীকৃষ্ণ তাকে নারায়ণ ভজনা করতে বলেন (ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ)। তবে; দেবী ভাগবত মতে; সরস্বতী স্বয়ং ব্রহ্মার স্ত্রী। অন্যদিকে; ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে; লক্ষ্মী ও সরস্বতী উভয়ই নারায়ণের স্ত্রী।

পর্যালোচনা (Review)
কথা হলো এভাবে যদি হাজার হাজার লেখক, হাজার হাজার বছর ধরে হাজার হাজার পৃষ্ঠাও লিখতে থাকেন- তবে কী সরস্বতীকে চেনা ও জানা সম্ভব? কখনও নয়। কারণ; এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এ বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা> চারিত্রিক পরিভাষা> উপমান পরিভাষা> রূপক পরিভাষা> বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা। এ চারটি ধাপ অতিক্রম করতে পারলেই কেবল এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা সম্ভব।

সরস্বতীর স্বরূপ উদ্ঘাটন (Unlocking the sooth of souvenir)
আধুনিক শিক্ষাক্রম বা বিদ্যার্জন মাধ্যম প্রচলন হওয়ার বয়স তেমন অধিক নয়। বড় অধিক হলে পাঁচ হাজার বছর হতে পারে। তার পূর্বে তো শিক্ষার্জন বা বিদ্যার্জনের কোনো মাধ্যম ছিল না। আমরা যদি আর একটু পূর্বে যাই তবে দেখতে পাব তখন বর্ণও ছিল না। কোনো ভাষাও ছিল না। তখন ছিল কেবল ইঙ্গিত। ইঙ্গিত হতে শব্দ এবং শব্দ হতে বাক্যের উদ্ভব। তাইতো; বলা হয়; আগে উদ্ভব হয়েছে signal; তারপর; sound; তারপর; symble; এবং সর্বশেষে হয়েছে sentence. এরপর; এসব শব্দ ও বাক্যকে লিখে প্রকাশ করার জন্য প্রতীক হতে উদ্ভাবন করা হয়েছে বর্ণ। এরপর বর্ণগুলো শিক্ষা করে শব্দ ও বাক্যকে লিখে প্রকাশ করার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে বিদ্যার্জন বা শিক্ষার্জন পদ্ধতি। তাহলে সরস্বতী বিদ্যার দেবী হওয়ার কারণ কী? এবার সরস্বতী পরিভাষাটির ব্যাসবাক্য হতে মূল উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। সরস্বতী পরিভাষাটির ব্যাসবাক্য হলো; স্মরণ করিয়ে দেয় যে সতী। অর্থাৎ; স্মরণ করিয়ে দেয় যে সতী = স্মরস্বতী> সরস্বতী। এবার মূলের দিকে ধাবিত হওয়া যায়। সতী কাকে কী স্মরণ করিয়ে দেয়? পূর্বকালে যখন বিজ্ঞান, দর্শন ও আধুনিক প্রযুক্তি ছিল না। ছিল না তখন কোনো লেখাপড়ার ব্যবস্থা। তাহলে স্মরণ করিয়ে দেওয়ারইবা কি ছিল? এমন প্রশ্নের উত্তর হলো। ছেলেদের স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মতো কিছুই ছিল না। ছিল কেবল মেয়েদের স্মরণ করিয়ের দেওয়ার প্রাকৃতিক চিরন্তন বিধি। তা হলো রজস্বলাদের রজ।

রজ কী স্মরণ করিয়ে দেয়? এবার এমন প্রশ্নের উত্তর হলো। রজ রজস্বলাদের সর্বদা নিচের বিষয়াদি স্মরণ করিয়ে দেয়;

১.   কত তারিখে এসেছিল?
২.   আবার কত তারিখে আসবে?
৩.   রজপ্রবাহকালীন আত্মরক্ষার জন্য হাতের কাছে কী কী রাখতে হবে?
৪.   রজপ্রবাহকালীন কী প্রকারের বসন প্রস্তুত রাখতে হবে?
৫.   সংসারের ভারি কাজগুলো আগামী রজকালের আগে বা পরে সারতে হবে।
৬.   রজকালে কী কী কাজ হাতে রাখতে হবে?
৭.   রজ প্রবাহকালে সঙ্গিনী বা বান্ধবী রূপে কাকে সাথে রাখলে ভালো হবে?
৮.   দূরে আত্মীয় স্বজনের বাড়ি নিমন্ত্রণ গ্রহণ করা বন্ধ করতে হবে।
৯.   কাছের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে গেলেও কী কী প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে?
১০. যেসব তারিখের মধ্যে রজ আসার কথা সেসব তারিখের মধ্যে দূরপাল্লার ভ্রমণ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করতে হবে।
১১.  রজোত্তর পবিত্রকালে কত হতে কত তারিখের মধ্যে স্বামী গ্রহণ করলে পুত্র সন্তান হয়?
১২.  রজোত্তর পবিত্রকালে কত হতে কত তারিখের মধ্যে স্বামী গ্রহণ করলে কন্যা সন্তান হয়?
১৩. কত হতে কত তারিখের মধ্যে স্বামী গ্রহণ করলে সন্তান আসার সম্ভাবনা আছে?
১৪. কত হতে কত তারিখের মধ্যে স্বামী গ্রহণ করলেও সন্তান আসার সম্ভাবনা একেবারেই নেই?
১৫. কত তারিখে সাঁইদর্শন হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
১৬.  কত তারিখে কাঁই-দর্শন হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
১৭. রজকালে নিজকে কেমন স্থান, বিছানা এবং কাজ গ্রহণ করতে হবে?

এবার বলতে পারি, যে ঐশি সত্তা আগমনের জন্য একজন কুসুমিতাকে এতগুলো বিষয় স্মরণ করতে হয়। তিনি ঐশিদেবী বা স্মরণের দেবী হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। এছাড়াও; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মধ্যে দ্বিতীয় কোনো সত্তা নেই যে; তার আগমনের জন্য এতসব বিষয়াশয় স্মরণ করতে হবে। এবার শক্ত করেই বলা যায় যে; বাঙালী পুরাণ মতে; যাকে সরস্বতী বলা হয় সে দেবী অবশ্যই রজস্বলাদের রজ

সরস্বতীকে বিদ্যার দেবী বলার কারণ (Cause to say souvenir the goddess of knowledge)
রজ যে একজন স্বর্গীয় দেবী তা প্রায় ছয় হাজার বছর পূর্বেই সাধু সন্ন্যাসীদের দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল। প্রথম প্রথম ঋষিরা ও ঋষি পরিবারের লোকজন এ দেবীর স্বরূপ জানতেন। তখন তাঁরা একে স্মরণদেবী নামে চিনতেন ও জানতেন। কিন্তু কালের দীর্ঘ প্রবাহের কারণে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম অতিবাহিত হওয়ার কারণে ঋষিদের উত্তরসুরিরা স্মরণদেবীর স্বরূপ হারিয়ে ফেলে। অতঃপর; ঋষি পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে পরিভাষাটি বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় গ্রন্থে স্থান পায়। যেমন; বেদ, পুরাণ, মহাভারত ইত্যাদি। অতঃপর; গত তিন হাজার বছর পূর্বে সর্বপ্রথম যখন বাস্তব আত্মদর্শন হতে প্রতীকী আত্মদর্শন আবিষ্কার হয় তখন এ দেবী দেবী রূপেই স্থান পায়। বিশ্বের বুকে সর্বপ্রথম সার্থকভাবে প্রতিষ্ঠিত সাম্প্রদায়িক প্রতীকী আত্মদর্শন হলো ‘হিন্দু মতবাদ’। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক প্রতীকী আত্মদর্শনের মধ্যে এ দর্শনটিই সর্ব প্রাচীন। আর এ সময় সামান্য সামান্য শিক্ষাদীক্ষা ব্যবস্থাও সমাজে প্রচলিত হয়ে ওঠেছিল। আর হিন্দুরা পূর্বকাল হতেই দেবদেবী পূজারী ছিল। যেহেতু; অধিক অধিক পড়া ও স্মরণ ব্যতীত বিদ্বান হওয়া যায় না। সেহেতু বিদ্বান হওয়ার জন্য একজন দেবতা বা দেবীর পূজা করা একান্তই প্রয়োজন। সেজন্য; অনেক সাম্প্রদায়িক মনীষী স্মরণদেবীকেই বিদ্যার দেবী রূপে পূজা করতে আরম্ভ করেন। আর সেই হতে আজ পর্যন্ত অন্বেষণ করা হয় নি কে সেই বিদ্যার দেবী বা স্বরণদেবী? মূলত তখন হতেই স্মরণদেবী বিদ্যার দেবীতে পরিণত হয়। আর স্মরণ দেবীর নাম ছিল সরস্বতী। তাই; বিদ্যার দেবী হলেন সরস্বতী।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!