সুষুম্না

৭৮/১. সুষুম্না
Spinescent (স্পিনেসেন্ট)/ ‘وريد’ (ওয়ারিদ)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মোটাশিরা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা মোটাশিরা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা দড়া এবং এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বৈয়াম্বু এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা মধ্যমা

অভিধা (Appellation)
সুষুম্না (বাপৌছ)বি মধ্যমা, প্রলম্বন, মধ্যস্থনাড়ি, মধ্যস্থস্নায়ু, spinescent, ‘وريد’ (ওয়ারিদ), spinal, ‘فقري’ (ফাক্বরি), spinal cord, ‘ﺫﻭﺍﻠﻔﻗﺎﺮ’ (জুলফাকার), ‘الحبل الشوكي’ (আলহাবলু আশশারকিউ) (প্র) মাথা হতে পা পর্যন্ত মেরুদণ্ডের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত প্রধানশিরা বিশেষ (শ্ববি) বৈয়াম্বু, মধ্যমা, মোটাশিরা, মোটারশি, দড়া (ইদে) জুলফাকার (.ﺫﻭﺍﻠﻔﻗﺎﺮ), নাফ্সুল লাওয়ামা (.ﻨﻔﺱ ﺍﻠﻮﺍﻤﺔ), হাবলিল ওয়ারিদ (ﺍﻟﻭَرِيد ﺤﺑﻞ) ‘شَرْيَان’ (শারইয়ান), ‘متوسط’ (মুতাওয়াসসিত্ব), ‘حبال سميكة’ (হাবাল সামিকা) (ইংপ) artery, median, thick ropes (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মোটাশিরা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) মস্তিষ্ক হতে মেরুদণ্ডের মধ্যভাগ দিয়ে শরীরের হস্ত ও পদ পর্যন্ত প্রলম্বিত মোটাশিরাকে মধ্যমা বা রূপকার্থে সুমূম্না বলা হয় (বাপৌছ)  মধ্যমা (বাপৌচা) বৈয়াম্বু (বাপৌউ) দড়া (বাপৌরূ) সুষুম্না (বাপৌমূ) মোটাশিরা।

সুষুম্নার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of spinescent)
১.   “আকাশে সুরার বরিষণ হলে, সুষুম্না ইড়া পিঙ্গলে, বলন কয় নিরীক্ষ বলে, সহজে যায় ভেদ জানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮)
২.   “বামে ইড়া দক্ষিণে পিঙ্গলা, তমঃ রজগুণে করছে খেলা, মধ্যে সত্ত্বগুণ সুষুম্না বিমলা, ধরো ধরো তারে সাদরে।” (পবিত্র লালন- ১৭২/২)
৩.   “মেরুদণ্ড কতখণ্ড, ব্রহ্মাণ্ড হয় তার ওপর, সাত সমুদ্র চৌদ্দ ভুবন, নয় নদী বয় নিরন্তর, ইড়া পিঙ্গলা সুষুম্না, রঙ হয় তিন প্রকার, ওপরে ব্রহ্মনাড়িতে ব্রহ্মরন্ধ্রে রয় মূলাধার।” (পবিত্র লালন- ৫৪৮২/২)

সুষুম্নার সংজ্ঞা (Definition of spinescent)
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে; মস্তিষ্ক হতে মেরুদণ্ডের মধ্যভাগ দিয়ে শরীরের হস্ত ও পদ পর্যন্ত প্রলম্বিত মোটাশিরাকে সুমুম্না বলে।

সুষুম্নার পরিচয় (Identity of spinescent)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মোটাশিরা পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।

বাংলাভাষায় সুষুম্নাশিরাকে বৈয়াম্বু বা মোটাশিরা বলা হয়। বৈয়াম্বু অটল সাধকদের শুক্র নিয়ন্ত্রণের একমাত্র সম্বল বলে শ্বরবিজ্ঞানে এর গুরুত্ব অপরিসীম। এককথায় বলা যায় বৈয়াম্বু বা সুষুম্না ব্যতীত পুরাণই অচল। এ শিরাটি ব্যতীত শ্বরবিজ্ঞানের অস্তিত্বই কল্পনা করা যায় না। কিন্তু বাংভারতের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী ও বক্তারা এ শিরাটির ব্যাপারে তেমন অবগত নয়। তবে; পারম্পরিক মনীষী ও বক্তারা এ শিরাটি ব্যাপারে ন্যূনাধিক ধারণা রাখেন বলে তাদের পুস্তক-পুস্তিকার মধ্যে দেখা যায়। এ শিরাটির ব্যাপারে অনেক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরাও সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের চেয়ে অধিক জানেন। কার্যত সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী ও বক্তাদেরই জানার কথা ছিল অধিক। বাংভারতীয় পারম্পরিকগণের মধ্যে যোগসাধন দ্বারা আত্ম প্রতিবিম্ব দর্শনের একটি মতবাদের প্রচলন দেখতে পাওয়া যায়। মতবাদটি নিচে তুলে ধরা হলো।

“ভূর্লোক ভুবর্লোক ও স্বর্গলোক অর্থাৎ; পৃথিবী, অন্তরীক্ষ ও আকাশের মধ্যে- পাহাড়, নদী, সাগর, গ্রহ, নক্ষত্র ও দেবতা; যাকিছু আছে তা সবই এ মানবদেহে বর্তমান। আগুন, জল, মাটি, বায়ু ও অলোক; এ পঞ্চভূত দ্বারা এ মানবদেহ নির্মিত হয়েছে। এ দেহের মধ্যে; ১. শুক্র ২. শোণিত ৩. মজ্জা ৪. মাংস ৫. অস্থি ৬. মেদ ও ৭. ত্বক; প্রধান এ সপ্তধাতু রয়েছে। এ দেহ হতে ক্ষুধা তৃষ্ণাগুলো দৈহিকধর্ম উৎপন্ন হয়। এ পঞ্চভৌতিক দেহ নির্জীব ও জড় স্বভাববিশিষ্ট কিন্তু তা সত্ত্বেও জীবাত্মার সঞ্চালন যথাযথ থাকার কারণে এ দেহকে চেতন বলে মনে হয়। দেহের মধ্যে পঞ্চভূতের প্রত্যেকের, স্বতন্ত্র অধিষ্ঠান স্থান রয়েছে। এ স্থানগুলোকে চক্র বা পদ্ম বলা হয়। গুহ্যদেশে মূলাধার চক্র পৃথিবীতন্ত্রের স্থান। শিশ্নমূলে স্বাধিষ্ঠান চক্র জলতন্ত্রের স্থান। কণ্ঠদেশে বিশুদ্ধচক্র আকাশতন্ত্রের স্থান। যোগী ও ঋষিগণ এ পঞ্চচক্রকে পৃথিবী ইত্যাদি পঞ্চভূতের ধ্যান বা অভিনিবেশ করে থাকেন। তদুপরি ভ্রূমধ্যে আজ্ঞাচক্র তা পঞ্চতন্মাত্রা, ইন্দ্রিয়তন্ত্র চিত্ত ও মনের স্থান। তদূর্ধ্বে জ্ঞান-চক্র অহংতন্ত্রের স্থান, তার ঊর্ধ্বে ব্র‏হ্মরন্ধ্রে শতদলচক্রে মহৎতন্ত্রের স্থান। সবার ঊর্ধ্বে মহাশূন্যে হাজার দল চক্রে প্রকৃতি-পুরুষ মিলন স্থান বা জীবাত্মার স্থান।

মানবদেহের গুহ্যদেশ হতে, দুই আঙ্গুলি ঊর্ধ্বে এবং শিশ্নমূল হতে দুই আঙ্গুলি নিচে, প্রায় চার আঙ্গুলি বিস্তৃত জননতন্ত্র অবস্থিত। তার ওপরে মূলাধার পদ্ম অবস্থিত। এটা ঈষৎ রক্তিম বর্ণ ও চতুর্দলযুক্ত। এর মধ্যে ব্র‏হ্মনাড়ির মূলে রক্তবর্ণ কোটি সূর্যের কিরণযুক্ত স্বায়ম্ভু-সত্তা অবস্থিত। এর গায়ে সাড়ে তিন বার বেষ্টন করে সর্পাকারে কুলকুণ্ডলিনীশক্তি বিরাজিতা। ঐ কুলকুণ্ডলিনীর অভ্যন্তরে চিৎশক্তি বিরাজিতা। সে নিজ পুচ্ছ নিজ মুখে দিয়ে সুষুম্না নাড়ির দ্বার রুদ্ধ করে নিদ্রিত আছে। তথায় শিশ্নতন্ত্রে জীবাত্মা (সাঁই) অবস্থিত। কণ্ঠদেশে আজ্ঞাপদ্ম রয়েছে। এ আজ্ঞাপদ্মের ওপরে ইড়া, পিঙ্গলা ও সুষুম্না নাড়ির মিলন হয়েছে। এর নাম ত্রিকুটি বা ত্রিবেণী। এ ত্রিবেণীর ঊর্ধ্বে সুষুম্নার মুখের নিচে অর্ধচক্রাকার এক মণ্ডল আছে। ঐ অর্ধচক্রের ওপর শক্তিপুচ্ছরূপ একটি বিন্দু আছে। ঐ বিন্দুর উপরিভাগে ঊর্ধ্ব-অধোভাবে দণ্ডাকার এক নাদ আছে। সে শক্তি রেখাবৎ দণ্ডায়মান রয়েছে। তার ওপরে শ্বেতবর্ণ একটি ত্রিকোণ মণ্ডল আছে। তারমধ্যে; শক্তিরূপ এক সত্তা রয়েছে। এ স্থানে এসে বায়ুর ক্রিয়া সম্পূর্ণ শেষ হয়। এখানেই; আজ্ঞাপদ্ম বা জ্ঞান-চক্রে আত্ম প্রতিবিম্ব দর্শন হয়।

মাথার তালুমূলে রক্তিমবর্ণ ৬৪টি দলযুক্ত ললনাপদ্ম অবস্থিত। এ পদ্মে অহংতন্ত্রের শক্তিময় কামকলা মূর্তির মস্তকের বিন্দুর ওপরে দণ্ডাকার শক্তিময় নাদের উপরিভাগে নির্ধূম শিখার শীর্ষস্থানে শ্বেতবর্ণ গুরুবীজ অবস্থান করছে। তার পার্শ্বে পরম গুরুদেব সপত্নীক অবস্থান করছেন। এদের মাথার ওপরে কিঞ্জক্ল শ্বেতবর্ণ হাজার দল পদ্মে জীবাত্মার স্থান। ভৌতিক দেহটিকে কার্যক্ষম করার জন্য মূলাধার চক্র হতে প্রথম ভূত সাড়ে তিন লক্ষ নাড়ি অস্থিময় দেহের মধ্যে পরিব্যাপ্ত হয়ে দেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যসম্পন্ন করছে। এরমধ্যে ১. ইড়া ২. পিঙ্গলা ৩. সুষুম্না ৪. গান্ধারী ৫. হস্তিজিহ্বা ৬. কুহু ৭. সরস্বতী ৮. পূমা ৯. শঙ্খিনী ১০. পয়স্বিনী ১১. বারুণী ১২. অলম্বুষা ১৩. বিশ্বোদরী ও ১৪. যশস্বিনী নামক এ চৌদ্দটি নাড়ি প্রধান। এ চৌদ্দটির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ তিনটি নাড়ি- ১. ইড়া ২. পিঙ্গলা ও ৩. সুষুম্না।

সুষুম্না নাড়ি মূলাধার চক্র হতে উৎপন্ন হয়ে নাভি মণ্ডলের যে ডিম্বাকার নাড়িচক্র আছে তার মধ্যস্থল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্র‏হ্মরন্দ্রের নিম্নদেশ পর্যন্ত গমন করেছে। মূলাধার পদ্মে সুষুম্নার বামপার্শ্ব হতে পিঙ্গলা নাড়ি উৎপন্ন হয়ে যথাক্রমে স্বাধিষ্ঠান মণিপুর অনাহত ও বিশুদ্ধ চক্রকে ধনুকের আকারে বেষ্টন করে বাম নাসাপুট পর্যন্ত গমন করেছে। একইভাবে ইড়া দক্ষিণ নাসাপুট পর্যন্ত গমন করেছে। মানবের মেরুদণ্ডের ভিতর দিয়ে সুষুম্না নাড়ি এবং মেরুদণ্ডের বার দিয়ে ইড়া ও পিঙ্গলা নাড়িদ্বয় গমন করেছে। ইড়াকে গঙ্গা, পিঙ্গলাকে যমুনা ও সুষুম্নাকে সরস্বতী বলা হয়। আজ্ঞাচক্রের ওপরে উক্ত তিনটি নাড়ির মিলন স্থানকে ত্রিবেণী বা সঙ্গমস্থান বলা হয়। আবার কেউ কেউ এদেরকে চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নি স্বরূপ বলে থাকেন। মূলাধার হতে উৎপন্ন হয়ে কুহুকিনী মেরুদেশ পর্যন্ত, যশস্বিনী নাড়ি দক্ষিণ পদাঙ্গুষ্ঠ পর্যন্ত, হস্তিজিহ্বা বাম পদাঙ্গুষ্ঠ পর্যন্ত, যশস্বিনী দক্ষিণ নেত্র পর্যন্ত, পয়স্বিনী ডান কর্ণ পর্যন্ত এবং বারুণী ওপর এবং নিচের উভয় দিকেই সর্বদেহে গমন করেছে। এসব নাড়ি হতে ক্রমে অসংখ্য শাখাপ্রশাখা বের হয়ে সারা দেহে জালের মতো ছড়িয়ে আছে। সুষুম্নার গর্ভে বজ্রনী নামক নাড়ি নিম্নদেশ হতে শিরোদেশ পর্যন্ত ব্যাপ্ত হয়েছে। বজ্রনীর অভ্যন্তরে চিত্রাণী নামে আরও একটি নাড়ি আছে। এ চিত্রাণির ভিতর বিদ্যুৎবর্ণ সূক্ষ্ম ব্র‏হ্মনাড়ি মূলাধারস্থিত বিম্বলের মুখবিবর হতে উৎপন্ন হয়ে, সহস্রার পর্যন্ত গমন করেছে। এ নাড়িতেই যোগ সাধনায় চরম ও পরম ফললাভ হয়। এ ব্র‏‏হ্মনাড়ির সাধনার দ্বারাই আত্ম সাক্ষাৎকারলাভ হয়। সাধক গোঁসাই বা গুরুর নিকট হতে আরও ভালোভাবে জেনে নেওয়ার অনুরোধ রইল।”

সুষুম্নার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ (Scientific analysis of the spinescent)
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে; সুষুম্না ৩১ জোড়া segment নিয়ে গঠিত। একে ইংরেজি ভাষায় spinal nerve বলা হয়।
Cervical segment =          ৮ জোড়া
Thoracic segment =          ১২ জোড়া
Lumber segment =          ৫ জোড়া
Sacral segment =             ৪ জোড়া
Coccygeal segment =      জোড়া
                                = ৩১ জোড়া

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!