সূর্যশ্বাস

৩০/২. সূর্যশ্বাস
Rightist (রাইটিস্ট)/ ‘يمينية’ (ইয়ামিনিয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ডান পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা ডান। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা ডানশ্বাস। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা দক্ষিণ। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা উষ্ণবায়ু। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অবাচীদক্ষিণারায় এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা পিঙ্গলামলয়

অভিধা (Appellation)
সূর্য (বাপৌছ)বি রবি, ভানু, তপন, মিত্র, মিহির, সবিতা, ভাস্কর, আদিত্য, মার্তণ্ড, অর্ক, পূষা, বিবস্বান, দিবাকর, প্রভাকর, দিনমণি, সৌরজগতের কেন্দ্রীয় নক্ষত্র- যাকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলো আবর্তিত হয় এবং যার নিকট থেকে গ্রহ উপগ্রহগুলো আলো পেয়ে থাকে (শ্ববি) অনন্ত, ঈশ্বর, কালোঈশ্বর, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, বিধাতা, বিবস্বান, বিরিঞ্চি, ব্র‏হ্মা, স্বায়ম্ভু, ‘শিং বোঙ্গা’, Lord, ‘ﺍﻟﻟﻪ’ (আল্লাহ) (আপ্রশ) নির্মাতা, সৃষ্টিকর্তা, জগৎস্রষ্টা, creator, author, খালিক্ব (.ﺨﺎﻟﻖ) (রূপ্রশ) কাজলা, কালা, কালিয়া, কালু, কৃষ্ণ, কেলে, শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা, Swart, Raven, Blackish, Bigwig, Embryonic, ‘مسود’ (মাসুদ), ‘سوارت’ (সোয়ারাত) (ইংপ) maker, designer (ইপৌচা) ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (.ﺷﺄﻢ), শামস (.ﺸﻤﺲ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ও বাঙালী পৌরাণিক সৃষ্টিকর্তা দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ককে বাংলায় ‘সূর্য বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানবদেহে প্রাপ্ত কালো বর্ণের অমৃত জলকে রূপকার্থে ‘সূর্য বলা হয় (বাপৌছ) আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর (বাপৌচা) অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ও ব্রহ্মা (বাপৌউ) ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য (বাপৌরূ) কাঁই (বাপৌমূ) সৃষ্টিকর্তা।

সূর্যশ্বাস (বাপৌউ)বি সূর্য্যরে তাপের ন্যায় উত্তপ্ত যে শ্বাস, rightist, ‘يمينية’ (ইয়ামিনিয়া), sun breath, ‘التنفس الشمس’ (আত্তানাফুস আশশামস) (শ্ববি) ডান, ডানদিক, শরীরে হৃদপিণ্ডের অবস্থানের বিপরীত দিক, right, ইয়ামিন (.ﻴﻤﻴﻦ), আয়মান (.ﺍﻴﻤﻦ) (রূপ্রশ) কুমেরু, দক্ষিণাচল, দক্ষিণায়ন (ইদে) হাসান (ﺤﺴﻦ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ডান পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ডানশ্বাসকে রূপকার্থে সূর্যশ্বাস বলা হয় (বাপৌছ) পিঙ্গলা ও মলয় (বাপৌচা) অবাচী ও দক্ষিণারায় (বাপৌউ) উষ্ণবায়ু ও সূর্যশ্বাস (বাপৌরূ) দক্ষিণ (বাপৌমূ) ডান {বাং.সূর্য+ বাং.শ্বাস}

সূর্যশ্বাসের সংজ্ঞা (Definition of rightist)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ডানশ্বাসকে সূর্যশ্বাস বলে।

সূর্যশ্বাসের পরিচয় (Identity of rightist)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ডান পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সাধারণত; সূর্যশ্বাস বলে কিছুই নেই কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; ডানশ্বাসকে সূর্যশ্বাস বলা হয়। মানুষের হৃদপিণ্ড শরীরের বামপার্শ্বে অবস্থিত। এ হৃদপিণ্ডই মানবদেহ পরিচালনা করে থাকে। হৃদপিণ্ড শরীরের বামপার্শ্বে অবস্থান করেই ফুসফুর পরিচালনা করে। ফুসফুস নাসিকার শ্বাস-প্রশ্বাস পরিচালনা করে। বামপার্শ্বে অবস্থান করে নাসিকার বামছিদ্রপথ দ্বারা শ্বাসকার্য পরিচালনা করতে হৃদপিণ্ডের স্বল্পশক্তি ব্যয় হয়। যারফলে; শ্বসনক্রিয়াও স্বাভাবিক গতিতে পরিচালিত হয়। এজন্য; শ্বাস-প্রশ্বাসও অপেক্ষাকৃত শীতল থাকে। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে; নাসিকার বামছিদ্রপথ দ্বারা প্রবাহিত শ্বাসকে চন্দ্র শ্বাস বা শীতলশ্বাস বলা হয়। পক্ষান্তরে; দেহের বামপর্শ্বে অবস্থিত হৃদপিণ্ড নাসিকার ডানছিদ্রপথ দ্বারা শ্বাস-প্রশ্বাস পরিচালনা করতে অপেক্ষাকৃত অধিকশক্তি ব্যয় হয়। যারফলে; শ্বসনক্রিয়াও দ্রুতগতিতে পরিচালিত হয়। এজন্য; শ্বাস-প্রশ্বাসও অপেক্ষাকৃত উষ্ম থাকে। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে; নাসিকার ডানছিদ্রপথ দ্বারা প্রবাহিত শ্বাসকে সূর্যশ্বাস বা উষ্মশ্বাস বলা হয়। সূর্যশ্বাস কেবল কাঁইজিদের কাঁইসাধন ব্যতীত সর্বপ্রকার রমণ-গমনের জন্য চির নিষিদ্ধ। তবে; পূত্রসন্তান উৎপাদন ও রাত্রিকালের শুভলক্ষণ নির্ধারণের জন্য সারাবিশ্বের সব আত্মজ্ঞানী দার্শনিকদের সূর্যশ্বাস ব্যবহার করতে দেখা যায়। এসব সূক্ষ্মবিষয় সাধক গোঁসাই বা গুরুর নিকট হতে আরও ভালোভাবে জেনে ও বুঝে নেওয়ার পরামর্শ রইল।

সূর্যশ্বাসের ইংরেজি অনুবাদ Sun breath ও আরবি অনুবাদ ‘التنفس الشمس’ (আত্তানাফুস আশশামস)। অন্যদিকে; চন্দ্র শ্বাসের ইংরেজি অনুবাদ Moon breath ও আরবি অনুবাদ ‘التنفس القمر’ (আত্তানাফুস আলক্বামার)। কিন্তু অনেক গবেষককে এর ইংরেজি অনুবাদ Hot breath এবং এর আরবি অুনবাদ ‘التنفس ﺤﺎرية’ (আত্তানাফুস হারিয়া) করতে দেখা যায় কেন? এমন প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে; শ্বরবিজ্ঞানে; অপেক্ষাকৃত উষ্ণ শ্বাসকে বলা হয় সূর্যশ্বাস। পরিভাষাটির পারিভাষিক অনুবাদ না করে তারা প্রকৃত অনুবাদ করে থাকে। তাদৃশ শ্বরবিজ্ঞানে; অপেক্ষাকৃত শীতল শ্বাসকে বলা হয় চন্দ্র শ্বাস। পরিভাষাটির পারিভাষিক অনুবাদ না করে তারা প্রকৃত অনুবাদ করে থাকে। সেজন্য; সূর্যশ্বাস এর ইংরেজি অনুবাদ Sun breath এবং আরবি অনুবাদ ‘التنفس الشمس’ (আত্তানাফুস আশশামস) এর পরিবর্তে ইংরেজি অনুবাদ Hot breath এবং আরবি অনুবাদ ‘التنفس ﺤﺎرية’ (আত্তানাফুস হারিয়া) করে থাকে। মূল ঠিক রেখে এমন অনুবাদ করায় তেমন দোষ নেই। প্রকৃতপক্ষে সূর্যশ্বাস এর ইংরেজি আধ্যাত্মিক অনুবাদ Rightist (রাইটিস্ট) এবং আরবি আধ্যাত্মিক অনুবাদ ‘يمينية’ (ইয়ামিনিয়া), অন্যদিকে; চন্দ্র শ্বাস এর ইংরেজি আধ্যাত্মিক অনুবাদ Leftist (লেপ্টিস্ট) এবং আরবি আধ্যাত্মিক অনুবাদ ‘يسارية’ (ইয়াসারিয়া) করা একান্ত প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!