সেতু

৮০/১. সেতু
Bridge (ব্রিজ)/ ‘ﺠﺴﺮ’ (জিসরা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর যৌবনকাল পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা যৌবনকাল। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা যমমাস। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অম্বুবাচি এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা স্বভাব সেতু

অভিধা (Appellation)
সেতু (বাপৌরূ)বি সাঁকো, বাঁধ, পুল (আঞ্চ) আড়, আড়া, bridge, ‘ﺠﺴﺮ’ (জিসর) (ব্য্য) উল্লেখ্য; সারা বিশ্বের সর্ব প্রকার শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণে যৌবনকালকে রূপকার্থে জীবনসেতু বা সংক্ষেপে সেতু বলা হয় (প্র) নারী-পুরুষের এগারো (১১) হতে চল্লিশ (৪০) বছরের মধ্যবর্তী ৩০ বছরের যৌবন সেতু বিশেষ (শ্ববি) যৌবনকাল, তরুণকাল, যুবাকাল, জীবনসেতু, জীবনকাল, the period of youth, আইয়ামুশ শাবাব (ﺍﻴﺎﻢ ﺍﻟﺸﺑﺎﺐ) (রূপ্রশ) চন্দ্রচেতনকাল, পুলসিরাত্ব (ফা.ﭙﻝ ﺼﺮﺍﻄ) (বাদে) ধনী, ব্যবসায়ী (ইংপ) young, adult (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর যৌবনকাল পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; যে কোনো সাঁকোকে বাংলায় ‘সেতু বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, এগারো হতে চল্লিশ বছরের মধ্যবর্তী তারুণ্যতাকে রূপকার্থে ‘সেতু বলা হয় (বাপৌছ) স্বভাবসেতু (বাপৌরূ) সেতু (বাপৌমূ) যৌবনকাল।

সেতুর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of bridge)
১.    “ঊর্ধ্বগমনের সুষুম্না ধমনী, ঐ কামের সাঁকো ত্রিবেণী।” (বলন তত্ত্বাবলী৩৯)
২.   “একদিন পারের কথা ভাবলি না রে, পার হবি হীরার সাঁকো কেমন করে।” (পবিত্র লালন১৯৯/)
৩.   “ঘরের মাঝে ঘর ত্রিধারা- গুরু বিনা যায় না ধরা, সে অকালে যায়রে মারা- না বাঁন্দিলে গুরুর তার- মাসান্তে যোগ ধরিয়া- বায়ু ঘরে ফাঁদ পাতিয়া, সাধুরা যায় পাড়ি দিয়া- হীররে ধারের সাঁকো পার।” (বলন তত্ত্বাবলী১৩১)
৪.   “চুলের চেয়ে চিকন পুল খাড়া রয় হীরের ধারে, কেমনে যাই সাধন বিনা পুলছিরাত পারে।” (বলন তত্ত্বাবলী১০৮)
৫.   “চুলের সাঁকো হীরার ধার, ভাসছে সে তুফানের ওপর, তাতে নজর হবে না- কোথায় দিবে পা মনা, যখন করবি গমন।” (পবিত্র লালন৬৩১/)
৬.   “পুলসিরাতের কথা কিছু, ভাবিও মনে, পার হতে হয় হীরের সাঁকো, ঘোর নিদানে।” (পবিত্র লালন৬৩৫/)
৭.   “প্রেম দানিতে রয় লুকাইয়া হইয়া রতীধর, কামেতে দণ্ড দিয়া প্রকাশ হয় ধরার পর, জীব তরাতে সেতুর ’পর- নিজ কর্মে রয় বরাবর, রহে বাতাসের ’পর শাস্ত্রে কয় জীবের জীবন।” (বলন তত্ত্বাবলী১৯)
৮.   “সামনে এক সূক্ষ্মসেতু স্থাপন করা হবে, বাহাত্তরহাত অগ্নিশিকল পরাইয়া দিবে, কত মানুষ উত্থানদণ্ডে- কেটে পড়বে খণ্ডে খণ্ডে, পড়বে শুধু নরককুণ্ডে পারে যাবে বীর্যবান।” (বলন তত্ত্বাবলী৪৭)

সেতুর সংজ্ঞা (Definition of bridge)
সাধারণত; যে কোনো সাঁকোকে সেতু বলে।

সেতুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of bridge)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; এগারো হতে চল্লিশ বছরের মধ্যবর্তী তারুণ্যতাকে যৌবনকাল বা রূপকার্থে সেতু বলে।

সেতুর প্রকারভেদ (Variations of bridge)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সেতু দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান সেতু ও ২. উপমিত সেতু।

. উপমান সেতু (Analogical bridge)
সাধারণত; সর্বপ্রকার সাঁকোকে উপমান সেতু বলে।

. উপমিত সেতু (Compared bridge)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; এগারো হতে চল্লিশ বছরের মধ্যবর্তী তারুণ্যতাকে যৌবনকাল বা উপমিত সেতু বলে।

সেতুর পরিচয় (Identity of bridge)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর যৌবনকাল পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। যে কোনো সাঁকোকে সেতু বলা হয়। মানবজীবনকে কয়েকভাগে ভাগ করা যায়। যেমন; ১. কৈশোরকাল ২. যৌবনকাল ও ৩. বৃদ্ধকাল। শ্বরবিজ্ঞানে; যৌবনকালকে বলা হয় সেতুপথ ও চরিত্র রূপে বলা হয় সম্বল। মানবের ক্ষেত্রে জন্ম হতে ১০ বছর পর্যন্ত বয়সকে বলা হয় কৈশোরকাল এবং ১১-৪০ পর্যন্ত বয়সকে বলা হয় যৌবনকাল। একেই বলা হয় সম্বল কিন্তু একে রূপকার্থে বলা হয় সেতুপথ। আবার ইসলামী পুরাণ অনুসারে; একে বলা হয় ‘পুলসিরাত’।

পুলসিরাত্ব [ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ] (আপৌছ)বি সেতুপথ, সাঁকোপথ, স্বভাবপথ, চরিত্রপথ, স্বভাবসেতু (প্র) ইসলামী পুরাণ অনুসারে; মরণোত্তর অবশ্য অতিক্রমণীয় সুকঠিন সেতুপথ বিশেষ (সংজ্ঞা) মানবের গড়ে এগার (১১) হতে চল্লিশ (৪০) বছরের মধ্যবর্তী বয়সকালকে যৌবনকাল বা রূপকার্থে সেতুপথ বলা হয় (বাপৌছ) স্বভাবসেতু (বাপৌরূ) সেতু (বাপৌমূ) যৌবনকাল {ফা.পুল.ﭙﻝ+ .সিরাত্ব. ﺼﺭﺍﻄ}

যৌবনপথ, যৌবনের ত্রিশ (৩০) বছর, মানবজাতির গড়ে এগার (১১) হতে চল্লিশবছর (৪০) বয়স পর্যন্ত সময়। শ্বরবিজ্ঞানে; যৌবনের এ ত্রিশবছরের (৩০) অতিক্রম্য পথকে আরবি ভাষায় সিরাতুল মুস্তাক্বিম (ﺼﺮﺍﻄ ﺍﻟﻤﺴﺗﻗﻴﻢ) এবং ফার্সি ভাষায় পুলসিরাত্ব (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) বলা হয়। প্রতিটি নর/নারী গড়ে চল্লিশবছর (৪০) বয়স অতিক্রম করলেই পুলসিরাত্ব (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) বা সিরাতুল মুস্তাকিম (ﺼﺮﺍﻄ ﺍﻟﻤﺴﺗﻗﻴﻢ) অতিক্রম করা সমাপণ হয়। প্রতিটি মানুষকে প্রতি জীবনেই একবার আলোচ্য রূপকথার পুলসিরাত্ব (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) অতিক্রম করতে হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; আধ্যাত্মিক পাণ্ডিত্যের জন্য যৌবনকালের প্রতি এক (১) বছরকে এক হাজার বছর (১,০০০) ধরা হয়। যারফলে; যৌবনকালের ত্রিশবছর সমান ত্রিশ হাজার বছর হয়। এ গণনা মতে; এগার হতে বিশ (১১-২০) এর মধ্যবর্তী দশবছর অর্থাৎ; দশ হাজার বছর (১০,০০০) যৌবন বাড়তে থাকে। একুশ হতে ত্রিশ (২১-৩০) এর মধ্যবর্তী দশবছর অর্থাৎ; দশ হাজার বছর (১০,০০০) যৌবন স্থির থাকে এবং একত্রিশ হতে চল্লিশ (৩১-৪০) এর মধ্যবর্তী দশবছর অর্থাৎ; দশ হাজার বছর (১০,০০০) যৌবন ভাটির দিকে যেতে থাকে। রূপকারগণের রূপক তত্ত্ব দ্বারা সাধারণ জনগণকে ফাঁকি দেওয়া বা আড়াল করার জন্য যৌবনের এ ত্রিশবছর সময়কে আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে; ত্রিশ হাজার বছর (৩০,০০০) বলে উল্লেখ করা হয়।

সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মুসলমান মনীষীগণ সব সময়ই রূপকে-রূপকে এর বর্ণনা করে থাকেন বলেই সাধারণ পাঠক ও শ্রোতারা চিরদিনই সেতু বা স্বভাবসেতুর জ্ঞান হতে চির বঞ্চিত। উল্লেখ্য যে; রূপক ব্যৈখ্যিক, টৈকিক বা পৌরাণিক সাহিত্যিকগণ আত্মতত্ত্বের বর্তমান ঘটনাবলীকে দূরবর্তী কোনো ভবির্ষ্যতে স্থাপন করেই রূপক উপমাদি নির্মাণ করে থাকেন। সেজন্য; সাধারণ পাঠক ও শ্রোতারা উক্ত ঘটনাবলীকে প্রয়াণোত্তরকালে ঘটবে বলে অনুমান করতে বাধ্য হন। ঘটনাবলীর রূপক বিবরণ দেখে ও শুনে ঘটনাটি যে বর্তমান এবং চির বাস্তব নয় তা আর বুঝার উপায় থাকে না। যারফলে; এসবের প্রতি অভিভূত না হয়ে কিংবা সাম্প্রদায়িক মতবাদ রূপে গ্রহণ না করেও কোনো উপায় থাকে না।

বর্তমানে শ্বরবিজ্ঞানের অনেক সূত্র আবিষ্কার হয়েছে। শ্বরবিজ্ঞানের ব্যাপ্তিও হয়েছে অনেক। এখন বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকার রূপক থেকে আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটনের অনেক পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে। তাই; পুরাণ অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে বরং এর প্রপকগুলোর আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করে তা ভালোভাবে জেনে ও বুঝে নেওয়া সর্ব শ্রেণির মানুষের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। বড় মজার বিষয় হলো বাংভারতের নব্য অনুবাদক, ব্যৈখ্যিক ও টৈকিকগণ শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত যৌবনকালরূপ ‘সেতু’কে সব সময় সাধারণ পুল বলেই বর্ণনা করে থাকেন। তাই; পাঠক ও সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা সেতুর কেবল রূপক অভিধাটিই জানতে ও বুঝতে পারে কিন্তু ‘বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা’ জানতে পারে না কোনো দিন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!