স্বরূপ

৪৮/১৬. স্বরূপ
Sooth (সুথ)/ ‘حقيقة’ (হাক্বিক্বি)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পালনকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সাঁই। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ফুল। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন হরি এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ সুধা

অভিধা (Appellation)
স্বরূপ (বাপৌচা)বি প্রকৃতি, সদৃশরূপ, নিজের রূপ, আপন প্রকৃতি, নিজের প্রকৃত রূপ, স্বাভাবিক অবস্থা (প্রাঅ) আরাধ্য, আরাধিত, পূজিত, উপাসনার যোগ্য, sooth, ‘حقيقة’ (হাক্বিক্বি), ‘إله’ (ইলা) (শ্ববি) এমন তরল-মানুষ; যে এখনও মূর্ত আকার ধারণ করে নি। মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্ব পালনকারী সুমিষ্ট, সুপেয় ও শ্বেতবর্ণের জল (রূপ্রশ) পালনকর্তা, ঈশ্বর, গুরু, গোঁসাই, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, পতি, প্রভু, বিষ্ণু, বুদ্ধ, সাঁই, স্বামী, guardian, adored, adorable, রব (.ﺮﺐ) (পারদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ) (ইদে) মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, nectar, elixir (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; কোনকিছুর প্রকৃত রূপকে স্বরূপ বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; অমৃত মানব জলকে রূপকার্থে স্বরূপ বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা।

স্বরূপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (পবিত্র লালন) (Some highly important quotations of sooth) (Holy Lalon)
১.   “জীব তরাতে মায়ার বশে, মাসে ঘুরে একবার আসে, সাধু ছাড়া অন্যে জানে না, অপরূপ স্বরূপ ছবি- দেখে তোরা পাগল হবি, সে রূপের নাই তুলনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৩)
২.   “নবুয়ত মানব স্বরূপমণির সতর্কবাণী, মাস মাসেতে জীব তরাতে বরষিত রক্তিম পানি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫১)
৩.   “বলরে স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি, যার জন্য হয়েছি আমি দণ্ডধারী।” (পবিত্র লালন- ৬৭৫/১)
৪.   “ব্রজপুরে কোন পথে যায়, বলরে স্বরূপ বলরে ভাই, আমার সঙ্গের সাথী আর কেউ নাই।” (পবিত্র লালন- ৭০৪/১)
৫.   “যুগল-চাঁদের স্বরূপ আভা, সকাল বিকাল মনলোভা, ভূলোক-দ্যুলোক করে শোভা, ষোড়শী ষোল কলায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)
৬.   “সিরাজ সাঁইজি বলেরে লালন, স্বরূপ রূপে দিলে নয়ন, হয় স্বরূপের রূপ দর্শন, পড়িস না ধাঁধায়।” (পবিত্র লালন- ৭২১/৪)
৭.   “স্বয়ংরূপ দর্পণে ধরে, মানবরূপ সৃষ্টি করে (হে), দিব্যজ্ঞানী যারা- ভাবে বুঝে তারা, মানুষ ভজে কার্যসিদ্ধি করে যায়।” (পবিত্র লালন- ৫২৬/২)

স্বরূপের সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of sooth)
১.   “অগনিত উপ তত্ত্ববাহক বিদায় এ ধরাতে, জিন্দা বাহক আছে কলির জীবকে তরাইতেরে, পাইতে তত্ত্ববাহকের দেখা- গুরুকে কর সখা, স্বরূপ সাধনপুরে নিরীক্ষ ধর ত্রিবেণী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৩)
২.   “অবোধ জীবের তরে, নিজরূপ সম্ভব না রে, লালন বলে গুরু গোঁসাইরে, দেখায় স্বরূপে রূপ নিশানা।” (পবিত্র লালন- ৮১৬/৪)
৩.   “অযোনি সহজরূপ সংস্কার, স্বরূপে নয়ন করে নিহার, দেখরে স্বরূপ কারে কয়, অবোধ লালন তাই জানায়।” (পবিত্র লালন- ৬৬/৪)
৪.   “আত্মরূপ নিরূপণ, তবে যে স্বরূপদর্শন, হয় না বিপাকে মরণ, কালসমন দূরে থাকে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৩)
৫.   “আদ্যসঙ্গ করে ভাগ্যবানে, স্বরূপলীলা দেখে বর্তমানে, লালন কয় যাস না অনুমানে, শ্রীবাসের অঙ্গনে।” (পবিত্র লালন- ৯৪১/৪)
৬.   “আপনাতে আপনি ফানা, তবে তারে যাবে জানা, লালন কয় মনরে কানা, স্বরূপে রূপ দেখ সংক্ষেপে।” (পবিত্র লালন- ১১৫/৫)
৭.   “আপনার আপন চিনেছে যেজন, দেখতে পাবে সে স্বরূপের কিরণ, সে আপনা আপন রূপের সেবা কিরূপ, স্বরূপের সে রূপ জানার কারণ।” (পবিত্র লালন- ১১৩/১)
৮.   “আমায় পার কর দয়াল, ত্রিবেণীর স্বরূপঘাটে, তুমি বিনা এ অধিনে, পারের কাণ্ডার কে আছে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮)
৯.   “আমি অধম ভজন হীনে- পার কর গো নিজ গুণে, এই জগতে তুমি বিনে- হীনের আপন কেহ না, জাতি কুলের অন্ধকারে- সত্যপথ দেখাও আমারে, পার করো স্বরূপদ্বারে– এ অকুলে রাখিও না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৫)
১০. “আমি ক্ষণেক থাকি স্বরূপদেশে, ক্ষণেক থাকি হাওয়ায় মিশে, শতদলে মিশে ভক্তের উদ্দেশ্যে, দুগ্ধ সুধা পান করি।” (পবিত্র লালন- ৫৯৫/২)
১১.  “আরবিতে যাকাতের মানি, এই দেহের নির্যাস মণি, অটলে পায় স্বরূপখনি, যার যার দিব্যজ্ঞানে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৫)
১২.  “ইন্দ্র ডঙ্কা নাই সে রাজ্যে, সহজধারা ফিরে সহজে, সিরাজ সাঁইজির বচন- মিথ্যা নয় লালন, ডুব দিয়ে দেখ স্বরূপদ্বারে।” (পবিত্র লালন- ৩৮১/৪)
১৩. “উনিশজনা রক্ষী ধরে- হাজার বছর সাধন করে, পাহারা দিয়ে পঞ্চঝর্ণা- মরার আগেই মরা, স্বরূপরস রক্ষা করা, বলনের হলো না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৯)
১৪. “এড়ে যায় চক্ষু বাঁধন, দেখিনা স্বরূপ কিরণ, পাল উড়ায় উতাল পবন, চুঁইয়ে তলে মূলাধার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯১)
১৫. “এ ভুবনে মানুষ নমুনা, স্বরূপ বিনা কিছু না, মাসে একবার আনা গোনা, ত্রিবেণীর দুই ধারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৩)
১৬.  “ওপরবাড়ি সদরওয়ালা, স্বরূপ রূপে রূপ করছে খেলা, স্বরূপগুরুর স্বরূপচেলা, কে আছে এ জগতে।” (পবিত্র লালন- ২৩৯/৩)
১৭. “কখন রাহুরূপ ধরে, কোন চাঁদ কখন উদয় ঘরে, লালন বলে স্বরূপদ্বারে, জানলে জানা যায়।” (পবিত্র লালন- ৪৩৯/৪)
১৮. “করুণাসিন্ধু দ্বারে- দাঁড়াও স্বরূপ দেখিবারে, দয়া চাই তোমার তরে- অধমেরে আর ফিরাইও না, তোমার দয়া না পাইলে- মানবতরী যায় ডুবে জলে, এ জনম যায় বিফলে- ভজন-সাধন মিলে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৫)
১৯.  “কূপজলে সে গঙ্গার জল, পড়লে সে হয়রে মিশাল, উভয় এক ধারা, তেমনই, জেনো ফানার করণ, স্বরূপ রূপে রূপ মিলন করা।” (পবিত্র লালন- ৯৩৩/৩)
২০. “খুঁজি আমি স্বরূপদ্বারে, ত্রিযোগে জনম ভরে, দয়াল সাঁইজি প্রভাপুরে, আমার ভাগ্যেতে হলো না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৮)
২১.  “গুরুর দয়া হলে, স্বরূপ সহজে মিলে, জাবারুতের পর্দা খুলে, দেখায় সে রূপ বর্তমান, সিরাজ সাঁইজি বলেরে লালন, আর কবে হবে জ্ঞান।” (পবিত্র লালন- ৫৮১/৪)
২২. “গুরুভক্তির তুল্য দিব কী, যে ভক্তিতে সাঁই থাকে রাজি, লালন বলে গুরু রূপে, স্বরূপ-মানুষ ফিরে।” (পবিত্র লালন- ৪১২/৪)
২৩. “চোর এলে অটলের ঘরে, সাধকজনা জানতে পারে, লালন বলে স্বরূপ মিলে, দিব্যজ্ঞানের উদয়েতে।” (পবিত্র লালন- ৮৭৮/৩)
২৪. “জানা উচিত বটে, দুটি নূরের ভেদবিচার,  নবিজি আর স্বরূপ খোদা, নূর সে কী প্রকার।” (পবিত্র লালন- ৪৬৭/১)
২৫. “জীব তরাতে মায়ার বশে, মাসে ঘুরে একবার আসে, সাধু ছাড়া অন্যে জানে না, অপরূপ স্বরূপ ছবি- দেখে তোরা পাগল হবি, সে রূপের নাই তুলনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৩)
২৬. “তা কী সবাই জানতে পায়, কিরূপেতে স্বরূপ আছে ঘিরা, কে করে নির্ণয়।” (পবিত্র লালন- ৪৮৪/১)
২৭. “তিনশত ষাট রসের নদী, বেগে ধায় ব্রহ্মাণ্ড ভেদি, তার মধ্যে স্বরূপ নিরবধি, ঝলক দিচ্ছে এ মানুষে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৬/২)
২৮. “তুমি তো গুরু স্বরূপের অধীন, আমি ছিলাম সুখে ঊর্ধ্বদেশে, অধঃদেশে এনে আমায় করলে হীন।” (পবিত্র লালন- ৪৯৪/১)
২৯. “ত্রিধারা বয় এক নদেতে মন দেখ যমুনা পাড়ে, রক্তিম ধারা ওপরে বহে আর সাদা কালো ভিতরে, কোমল কোঠা কর প্রণাম- সঙ্গে লয়ে গুরু ধিয়ান, কতজন হয় মহান- পেয়ে সেথা স্বরূপমণি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৪)
৩০. “ত্রিপিটক ইঞ্জিল কুরান, জানগে বেদ রূপের সন্ধান, সদাই স্বরূপ কর ধিয়ান, নিজ-নিজ হৃদমন্দিরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৭)
৩১. “ত্রিবেণীনগর মেঙ্গে খাব, সাধুর মেলে বাস করিব, ভজিব চরণ দু’খানি- বলন কাঁইজি ভেবে বলে, থেকে সাধুর চরণতলে, দেখব স্বরূপ রৌশনি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯)
৩২. “দয়াল তোর চাই করুণা অধম সে পথ চিনি না, কেমন করে পাড়ি দিব স্বরূপসাগর ত্রিমোহনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩৬)
৩৩. “দেখবি যদি স্বরূপ নিহারা, তবে মনের-মানুষ পড়বে ধরা।” (পবিত্র লালন- ৫৪২/১)।৩৪. “ধ্যানযোগে তোমায় দেখি, তুমি সখা আমি সখী, মম হৃদমন্দিরে থাকি, স্বরূপ দাও গো দর্শন।” (পবিত্র লালন- ২৩৬/৩)।৩৫. “নবদ্বীপে পঞ্চতত্ত্ব, স্বরূপে রূপ আছে বর্ত্ম, ভজনে তা হয় সত্য, গুরু ধরে নেও জেনে।” (পবিত্র লালন- ৯৪১/৩)
৩৬. “নবুয়ত মানব স্বরূপমণির সতর্কবাণী, মাস মাসেতে জীব তরাতে বর্ষিত রক্তিম পানি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫১)
৩৭. “নয় দরজা স্বর্ণগীরি, চাঁদ সুরুজে লুকোচুরী, কেমনে সেই অধর ধরি, স্বরূপ দেখি নয়নে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৭)
৩৮. “নয় হতে আট বাদ দিলে, এক থাকে বিয়োগ ফলে, লালন কয় বুঝ সকলে, সেটি স্বরূপের ভেলা।” (পবিত্র লালন- ৬২/৪)
৩৯. “নিগূঢ়ে নিগমেতে সাঁই চমৎকার স্বরূপ ধরি, নীরাকারে চলেফেরে বলিতে সে রূপ ডরি, হাজার মাস হলে তাপন- নীরাকার হয় নিরঞ্জন, জলাকারে হয় বরিষণ- বানে ভাসে জন্মনালা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪০)
৪০. “নিজরূপ গুরুর মাঝার, ফানার বিধি মান মনরে আমার, পিছে গুরুরূপ- অপরূপ স্বরূপ, মিলাও সাঁইয়ের অটলনূরে।” (পবিত্র লালন- ৮১৪/৩)
৪১. “নিঠাঁই ঘরের খুলে তালা, দেখ স্বরূপ রবি কালা, ঘুচবে যত ভবজ্বালা, ভেবে বলে বলন তাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৬)
৪২. “নিঠাঁইপুরে ছিলাম যখন, স্বরূপ রূপে ছিলাম তখন, ভেবে কয় কাঁইজি বলন, রূপ বলে কিছু ছিল না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৯)
৪৩. “নিষ্কামী নির্বিকার হয়ে, দাঁড়াও মায়ের স্মরণ লয়ে, বর্তমানে দেখ চেয়ে, স্বরূপে রূপনিশানা।” (পবিত্র লালন- ৮৬/৩)
৪৪. “নূর মানে নিজ স্বরূপ আত্মা, আপনার ক্বলবে আছে তা, হায়াতে সে মুহাম্মদা, জিন্দা চার যুগের ওপর।” (পবিত্র লালন- ৫৩৩/২)
৪৫. “নিহারায় চেহারা বন্দি, করো একান্তি, সাড়ে চব্বিশ জেলায় করো ফন্দি, পালাবে কোন শহরে, ত্বরায় দারোগা হয়ে, বন্দি করো স্বরূপ মন্দিরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/২)
৪৬. “পঞ্চবাণের ছিলে কেটে, প্রেম যাচো স্বরূপের হাটে, লালন বলেরে মন, বৈদিক বাণে করিস না রণ, বাণ হারিয়ে পড়বি তখন, রণখেলায় হুমড়ি খেয়ে।” (পবিত্র লালন- ৫৬৪/৪)
৪৭. “পরশমণি স্বরূপ গোঁসাই, সে পরশের তুলনা নাই, পরশিতে পারলে তাই, ঘুচবে কঠোর যন্ত্রণা।” (পবিত্র লালন- ৮৪৮/২)
৪৮. “পাতালে সাঁই রূপের বাহার, স্বরূপেতে রয় স্বর্গের ওপর, বলন কয় কী মনোহর, জীবনে যেজন হেরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮৩)
৪৯. “পাবিরে মন স্বরূপদ্বারে, খুঁজে দেখ রে মন, বজরক্বের পর নিহার করে।” (পবিত্র লালন- ৬২৫/১)
৫০. “পুনর্জনম জীবদ্দশায়, তরণী পাপে বোঝাই, করে তার প্রকৃতি নির্ণয়, হও স্বরূপ পাবন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১০)
৫১. “প্রেম প্রকৃতি স্বরূপসতী, কামগুরু হয় নিজপতি, ও মন অনুরাগী না হলে, ভজন সাধন হয় না।” (পবিত্র লালন- ৬৪৯/২)
৫২. “প্রেমযমুনার মিষ্টিজল, স্বরূপ কী চিনলি  না, দেখ দেখ প্রেমযমুনায়, চলছে সেথা ত্রিঝরণা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮৮)
৫৩. “প্রেমযমুনা চৌদ্দভুবন, তিনঘাটে রয় তিনজন, মাঝখানে স্বরূপ কিরণ, ভাসছে সে নীরাকারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০০)
৫৪. “বলন কয় সে স্বরূপসাগর, ত্রিধারা বয় গো বরাবর, মাঝখানে সাঁই ক্ষীরধর, আমার ধরা হলো না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩৬)
৫৫. “বলন কাঁইজি কয় পারাপারে, পড়িয়া চুরাশি ফেরে, ঘুরি এ ভবের পরে, স্বরূপসাধন হলো না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২২৪)
৫৬. “বসুমতি মা কাতরে বিনয় করি গো রাঙ্গা চরণে, তোর দয়া বিনা স্বরূপনদ পাড়ি দিব কেমনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০০)
৫৭. “বিলায়াত স্বরূপ নিশানি, উজান ভাটি দুই ধারাতে ভাঁসে সাঁই জগৎস্বামী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৪)
৫৮. “বিষামৃত আছে মিলন, জানতে হয় স্বরূপসাধন, সুধা ভেবে গরল করে পান, মরো না ঘোরে।” (পবিত্র লালন- ৭০১/৩)
৫৯. “ভজ জেনেশুনে আল্লাহ রাসুল নিজ মনে, নিজের স্বরূপ পাবিরে তুই কী ধন দানে, নিলে ফাত্বিমার শরণ, ফতেহ হয় করণ আছে ফরমান সাঁইয়ের জবানে।” (পবিত্র লালন- ৭০৮/১)
৬০. “আমি ভাবি নিরাকার, কিরূপে ফিরে স্বরূপ সাকার, সিরাজ সাঁইজি কয় লালনরে তোর, কই হলোরে সে দিশে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৬/৪)
৬১.  “ভাবের আসন করে শ্রীপাটে, শুভযোগে যাও স্বরূপচাঁদের ঘাটে, তারের খবর অকপটে, সহজ হলে হয় উদয়।” (পবিত্র লালন- ১০১/২)
৬২. “মন যারে যা স্বরূপদেশে, সেথা তাজা খায় মরা লাষে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪০)
৬৩. “মুর্শিদরূপ আর আলেক-নূরী, ভিন্ন মনে কেমনে করি, স্বরূপ নিহারা, লালন বলে স্বরূপ সাধনে, হস্ না রে মন ঠিক-হারা।” (পবিত্র লালন- ৯৩৩/৪)
৬৪. “মূল হতে ডালের সৃজন, ডাল ধরলে পায় অন্বেষণ (হে), রূপ হতে স্বরূপ– ভেবে বেরূপ, লালন নিরূপ ধরতে যায়।” (পবিত্র লালন- ৫২৬/৪)
৬৫. “মূলের সন্ধান যে করে, পারের ঘাটে নাহি মরে, বলন কয় বিনয় করে, চিনরে স্বরূপটা কে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৩)
৬৬. “যাবরে স্বরূপ কোন পথে স্বরূপ আয়রে আয়, এসে আমায় ব্রজের পথ বলে দে।” (পবিত্র লালন- ৮১৭/১)
৬৭. “যেজন ব্রহ্মজ্ঞানী হয়, নামব্রহ্ম সার করে সদাই, স্বরূপ রূপ-দর্পণে- স্বরূপ দেখে নয়নে, লালন বলে দীপ্ত রসিক যারা।” (পবিত্র লালন- ৯০০/৪)
৬৮. “যে দেখেছে সে অটলরূপ, বাক্ নাই মেরেছে চুপ, পার হলো সে ভবকূপ, স্বরূপের নাম হৃদয়ে জপে।” (পবিত্র লালন- ৮৭৪/২)
৬৯. “যোগে এক হাজার বছর, নিঠাঁইয়ে বাঁধো ঘর, মহাশূন্য বাতাসের পর, স্বরূপে দাও নমুনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২২৪)
৭০. “রবে না ভাই বন্ধুজনা, পাড়ি দিতে ত্রিমোহনা, তবু তোর সুভাব হলো না, গতি নাই স্বরূপ বিনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২২৮)
৭১. “রসিক যারা পার হয় তারা, তারাই নদীর ধারা চেনে, উজান তরী যাচ্ছে বেয়ে, তারাই স্বরূপসাধন জানে।” (পবিত্র লালন- ৩১৬/৩)
৭২. “রূপনদে স্বরূপ ধর আপন জীবকর্ম সার, রূপ স্বরূপ জোয়ার-ভাটা ত্রিবেণীতে নিরীক্ষ ধর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৪)
৭৩. “লালশালুর নিশান বানায় উড়াইয়া দেয় বাতাসে, একটি প্রহর উড়েরে নিশান প্রতিটি মাসেমাসে, নয় প্রহরই গোলকধামে- রক্তিমা রঙ বৃষ্টি নামে, স্বরূপের অমরাতে- ছোবল দেয় কাম-কামিনী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫১)
৭৪. “শতদল সহস্র দলে, রূপস্ব রূপে ভাটা খেলে, ক্ষণেক রূপ রয় নিরালে, নীর আকারা।” (পবিত্র লালন- ৯৮০/২)
৭৫. “শূন্যধ্যানের ধ্বজা স্বরূপ, তারে ভাব বিরূপ, সিরাজ সাঁইজি বলেরে রূপ, সাধবি লালন কী করে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৯/৪)
৭৬. “শূন্যশিখর যার নির্জনগোফা, সেথায় স্বরূপচাঁদের আভা, আভা ধরতে চাই- হাতে না পাই, কিরূপে সে রূপ যায় গো সরে।” (পবিত্র লালন- ১৪৭/২)
৭৭. “শোণিত শুক্র চম্পকলি, প্রকৃত স্বরূপ কারে বলি, চম্পকলির অলি যেজন, ভৃঙ্গরতী করো নিরূপণ, গুরু ভেবে কয় লালন, কিসে যাবে তারে ধরা।” (পবিত্র লালন- ৬০৩/৪)
৭৮. “সপ্তকর্ম ঘাটা প্রেমতরণী, পঞ্চরস পঞ্চবাণই, বলন কয় দয়াল গুণি, দেখাও সে স্বরূপেরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০০)
৭৯. “সপ্ততল পাতালে যে রূপভরা স্বরূপ কারা, ঐ অচিনপুরে বসত করে গুরু সাঁই বিষ্ণু বরা, উত্তরা বায় গেলে সেথায়, যায় সহজে সাঁই ধরা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৫)
৮০. “সপ্তপন্থীর মত সপ্তরূপ ব্যাখ্যাত, রসিকের মন নয় তাতে রত, রসিকের মন- রসেতে মগন, স্বরূপরস জেনে খেলছে তারা।” (পবিত্র লালন- ৯০০/৩)
৮১. “সবে বলে স্বরূপমণি, থাক না বসে দ্বার ত্রিবেণী, লালন কয় সামাল ধনী, সে কিনারা।” (পবিত্র লালন- ৯৮০/৪)
৮২. “সাঁইয়ের নিগূঢ়-লীলা বুঝতে পারে, এমন সাধ্য নাই, নীরাকারে হয় সাঁইয়ের স্বরূপ নির্ণয়।” (পবিত্র লালন- ৯৩৬/১)
৮৩. “সাধন জোরে এ ভবে যার, স্বরূপ চক্ষে হয় নিহার, তারই বটে স্বরূপ সাকার, মিলে যথাতথা।” (পবিত্র লালন- ৭৬৭/৩)
৮৪. “সিরাজ সাঁইজি বলেরে লালন, স্বরূপ রূপে দিলে নয়ন, সেথায় পার হয়ে যাবি তখন, সাধন বিনা সে ত্রিবেণে, ভুগবি মনে ভবের ভোগে।” (পবিত্র লালন- ৭১৩/৪)
৮৫. “স্বরূপ অমূল্যনিধি উদয় অস্ত মাসে মাসে, কর দর্শন- অগ্নিবর্ষণ, কাছে গেলে তেড়ে আসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪০)
৮৬. “স্বরূপ ঘরে অটলরূপ বিহারে, চেয়ে দেখ রে তোরা, ফণী-মণি রূপের বাখানি, দু’রূপ আছে সেরূপে হল করা।” (পবিত্র লালন- ৯৭৭/১)
৮৭. “স্বরূপ দেখব বাঞ্চা মনে, হলো না তাও কর্ম গুণে, তোমায় পাব কী এ জীবনে, সেই আশাতে দিন কাটে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৩)
৮৮. “স্বরূপ ধর শ্রীরূপ দ্বারে, দেখ আপন বিধাতারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০০)
৮৯. “স্বরূপ ধরা ফাঁদ রয়েছে সাধুরপণ্যারে, অনন্ত রূপে যে বিরাজে তারে ধর সহজে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৫)
৯০. “স্বরূপনদ ত্রিমোহনা, পাড়িবার পথ চিনি না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০১)
৯১.  “স্বরূপনদ ত্রিরূপ কারা, পাড়ি দিলে কর্ম সারা, বলন কয় মা দয়া ছাড়া, আমি পাড়ি দিব কেমনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০০)
৯২. “স্বরূপপথে নারদকাঠি, হাজার মাস থাকলে টিকি, চেনায় সোনা রাঙ্গ কী মেকি, পরিমাপটা যায় জানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯০)
৯৩. “স্বরূপ বিনা রূপ দেখা, সেতো কেবল মিথ্যা ধোঁকা, সাধকের লেখাজোখা, স্বরূপ শক্তি সাধনদ্বারে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৯/২)
৯৪. “স্বরূপবৃক্ষের কাননে ফুল ফোটে সাতাশ দিনে, সে ফুলের মালা গেঁথে গলায় পরে গো সাধুজনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০২)
৯৫. “স্বরূপ রয় রূপে মিশে, দুধে যেমন ননি থাকে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৩)।৯৬. “স্বরূপ রূপ দর্পণে, সে রূপ দেখেছে যেজন, তার রাগের তালা আছে খোলা, সেতো প্রেমের মহাজন।” (পবিত্র লালন- ৯৭৮/১)
৯৭. “স্বরূপ রূপ বললে কী হয়, রূপসাধনে কী ভয়, মন ছিল মহারাগের সহায়, স্বরূপ দ্বারা।” (পবিত্র লালন- ৯৮০/৩)
৯৮. “স্বরূপ রূপে নয়ন দেরে, দেখবি সে রূপের রূপ, কেমনে সে রূপ ঝলক মারে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৯/১)
৯৯. “স্বরূপ রূপে রূপকে জানা, সেতো বটে উপাসনা, গাঁজায় দম চড়িয়ে মনা, বমকালী আর বলো না রে।” (পবিত্র লালন- ৯০৭/২)
১০০. “স্বরূপ রূপে রূপের কিরণ, স্বর্গ মর্ত্য পাতাল ভুবন, সিরাজ সাঁইজি কয়রে লালন, দেখ নয়ন খুলে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৫/৫)
১০১. “স্বরূপ শক্তি প্রেমসিন্ধু, মীন অবতার দিনবন্ধু, সিরাজ সাঁইজি বলে, শোনরে লালন- মরলি এখন, গুরু-তত্ত্ব ভুলে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৩/৪)
১০২. “স্বরূপ শক্তি হয় যেজনা, সে জানে তার ঠিক ঠিকানা, জাহির বাতিন যে জানে না, তার মনেতে প্যাঁচ পড়েছে।” (পবিত্র লালন- ৯১৪/৪)
১০৩. “স্বরূপের নীরকারা খিড়কি মারা, অজানা অচিনপুরে, আয়তন অবস্থান নাই আপনি ঘুরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৪)
১০৪. “স্বরূপের সেই পিছলঘাটা, দুইদরজা খিড়কি আটা, বলন কয়- যদি কৃপা হয়, তবে তারে পেতে পার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৪)
১০৫. “স্বরূপে রূপ আছে খিড়কি মারা, রূপসাধন করল, স্বরূপ-নিষ্ঠা যারা।” (পবিত্র লালন- ৯৮০/৩)

স্বরূপের সংজ্ঞা (Definition of sooth)
সাধারণত; কোনকিছুর প্রকৃত রূপকে স্বরূপ বলে।

স্বরূপের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of sooth)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃত মানবজলকে অমৃতজল বা রূপকার্থে স্বরূপ বলে।

স্বরূপের প্রকারভেদ (Variations of sooth)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে স্বরূপ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান স্বরূপ ও ২. উপমিত স্বরূপ।

. উপমান স্বরূপ (Analogical sooth)
সাধারণত; কোনকিছুর প্রকৃত রূপকে উপমান স্বরূপ বলে।

. উপমিত স্বরূপ (Compared sooth)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে অমৃত মানবজলকে অমৃতজল বা উপমিত স্বরূপ বলে।

স্বরূপের পরিচয় (Identity of sooth)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণ কোনকিছুর প্রকৃত রূপকেই স্বরূপ বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল মানবের তরল রূপকেই স্বরূপ বলা হয়। আর শ্বরবিজ্ঞানে; কোনো পদার্থের তরল রূপকেই সাকার বলা হয়। অর্থাৎ; মানুষের তরল রূপকে শ্বরবিজ্ঞানে সাকার বলা হয়। আবার সাকারকেই স্বরূপ বলা হয়। এক কথায় বলা যায় মানবদেহে প্রাপ্ত অমৃতজলই হলো মানবের সাকার বা স্বরূপ।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!